Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

ফতুল্লায় দুই বছরেও শেষ হয়নি মাসুদ হত্যার বিচার

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৩, ০৯:৫২ পিএম

ফতুল্লায় দুই বছরেও শেষ হয়নি মাসুদ হত্যার বিচার
Swapno

 

# হত্যা মামলার আসামীরা জামিনে এসে নিহত মাসুদের পরিবারকে হুমকি

 

 

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা কুতুবপুর ইউনিয়নের এলাকাটি এখন মৃত্যুপুরী হিসেবে রুপান্তিত যার কারন হচ্ছে এই এলাকটি ফতুল্লা থানা এরিয়ার  মধ্যে সবচেয়ে বেশি অপকর্মের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিনত হয়েছে। পান থেকে চুন খসলেই খুনে মতো ঘটনা ঘটে এই এলাকাতে হত্যান্ডের মতো ঘটনা। তেমনি এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিলো ফতুল্লার কুতুবপুরে পাগলা নয়ামাটি এলাকায় যেটি ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলে।

 

জানা যায়, ২০২১ সালের ২৪ জুলাই পাওনা টাকা নেলদেনকে কেন্দ্র করে নয়ামাটি জুস ফেক্টরীর সামনে দিবালোকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় মাসুক নামে এক প্রশাক শ্রমিককে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রধান আসামী সোহেল ও তার পিতা আইয়ুব আলীকে আটক করে ফতুল্লা থানা পুলিশ। নিহত মাসুদের বাবা ২৪ জুলাই রাতেই ফতুল্লা থানা একটা হত্যা মামলা দায়ের করে।

 

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৪ জুলাই) দুপরে পাগলা নয়ামাটি শাহী মহল্লার আইয়ুব আলীর পুত্র গ্রেপ্তারকৃত সোহেল (২২) একই এলাকার মোঃ ইদ্রিসের পুত্র রনি (২৩), সেলিম কসাইয়ের পুত্র সাওন (২১), স্বপনের পুত্র ইমরান (২১), খেতাবের পুত্র মাসুম (২৫), ওলি সরদারের পুত্র রাজু (২৫), মৃত খালেক সরদারের পুত্র মোঃ আক্তার (২৭), খলিল ড্রাইভারের পুত্র বাবু (২৪), মৃত বাহার উদ্দিনের পুত্র আকাশ (২৭) সহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জন সন্ত্রাসী লাবুনী জুস কারখানার সামনে তার ছোট ছেলেকে একা পেয়ে টাকা দাবী করে মারধর করতে থাকে।

 

এ সময় কোন-কার্টন ব্যবসায়ী তার বড় ছেলে মাসুদ ঘটনা দেখতে পেয়ে ছোট ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা মাসুদকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয় বাসীর সহায়তায় মাসুদ কে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মাসুদ কে মৃত ঘোষনা করে।

 

তবে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একে একে সকল আসামীকে গ্রেফতার করা হলেও বর্তমানে প্রধান আসামী সোহেল ছাড়া বাকি আাসামীরা জামিনে এসে এলাকায় প্রকাশ্যে  ঘুরে বেড়া্চ্ছে। এবং বিভিন্ন ভাবে নিহত মাসুদের পরিবারকে হুমকি দামকি প্রদান করছে জামিনে বের হয়ে আসা আসামীরা। শুধু তাই নয় এই মামলার ৫ নং আসামী খেতাবের পুত্র মাসুমকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না এমন অজুহাতে অসংঙ্গত কারনেই চার্টশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

 

মাসুদের পরিবারের দাবি এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোহাগ চৌধুরী তার মন মতো করে চার্টশিট তৈরী করে মাসুমের নাম বাদ দিয়েছে। আমরা চাই মাসুমের নাম যুক্ত করে আবারো নতুন করে মামলার চার্টশিট তৈরী করা হোক। বর্তমানে এই মামলার আয়ু ট্রান্সফার হয়ে অন্য জেলায় আছে। বর্তমানে এই মামলার আয়ু হিসেবে রয়েছেন রবিউল আওয়াল।

 

এ বিষয়ে এই নিহত মাসুদের ভাই জানান, প্রধান আসামী হাজতে থাকলেও অন্যান্য আসামীরা এখনো বাহিরে রয়েছে আর তারা প্রতিনিয়তই বিভিন্ন ভাবে আমাদের পরিবারকে চাপ সৃষ্টি করছে এমনকি মামলায় নাম থাকা সত্ত্বেও চার্টসিট থেকে মাসুমকে বাদ দেওয়া তবে এই হত্যার মূলে মাসুদের ব্যাপক ভুমিকা ছিলো আমরা চাই এই মামলায় বিচার কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করে সকল আসামীদের ফাসির দাবি জানাচ্ছি।

 

আরও জানা গেছে, মাসুদ হত্যাকারী আসামীরা জামিনে বের হয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তাই এলাকার অনেকেই মনে করছের এই সকল আসামীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেওয়া হোক যাতে করে এ রকম হত্যাকাণ্ড আর না ঘটে। এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন