সিদ্ধিরগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযানে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম
সিদ্ধিরগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযানে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে বিএনপির দুইপক্ষের মধ্যে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে শিমরাইল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এর আগে জেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার শামিত রাজার নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপবিভাগীয় সহকারী প্রকৌশলী আহসান মজুমদার, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, আনসার সদস্যসহ জেলা পুলিশের সদস্যরা। জানা যায়, সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফুটপাত গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গেলে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এ সময় জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি আব্দুল কাদেরের সহযোগীদের মধ্যে ঘটনা ঘটে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ জানায়, উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে নয়, মাইক্রোস্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উভয়পক্ষের পূর্বের দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।
তবে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি দাবি, মাইক্রোস্ট্যান্ড নয়, প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানকালে নীলাচল বাস কাউন্টার সরানো নিয়ে সংঘর্ষ ঘটে। প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযানে কিছু ছেলে তাদের সহেযাগিতা করছিল। কিন্তু বাস কাউন্টার যারা বসিয়েছে তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও এক পর্যায়ে মারামারি হয়।
তবে এ বিষয়ে মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল কাদেরের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, “উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে কিছু হয়নি। অভিযানের সময়ই পাশে একটি মাইক্রোস্ট্যান্ড নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ ছিল। সেই সময়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি।”
সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজা জানান, সংঘর্ষ বলতে আমাদের অভিযান চলাকালে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। যতটুকু জেনেছিলাম উচ্ছেদের মালামাল সরানো নিয়ে ঘটেছে। তবে আমি থাকা অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল।
এটা নিয়ে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপির দু-গ্রুপের সংঘর্ষ ঘটার প্রশ্নে তিনি বলেন, বিএনপির একজন নেতা উপস্থিতি ছিল এবং তিনি থেকেই পরিস্থিতি শান্ত করতে দেখেছি।


