না.গঞ্জ- ৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন
ফতুল্লাকে দুইটা থানায় ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছি
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
ফতুল্লাকে দুইটা থানায় ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছি
‘ইনসাফ ফাউন্ডেশন’-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য নারায়ণগঞ্জের আসনের সংসদ আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, এই ফতুল্লায় মানুষ সমস্যায় জর্জরিত। এই সমস্যার সমাধান করা শুধু আমার একার দায়িত্ব নয়, সকলকে এই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। আমি আমার মতো করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি যে সমস্যা বলে রয়েছে তার সমাধান করার। বিশেষ করে এই ফতুল্লাতে সরকারি হিসেবেই আছে ৮ লাখ মানুষ । তবে শিল্পনগর এলাকা হয় এখানে এর থেকে তিনগুণ মানুষ বসবাস করে।
কিন্তু নাগরিক সেবা তারা সেইভাবে পাচ্ছে না। বিশেষ করে ফতুল্লা থানা আইনশৃঙ্খলাবাহিনী অনেকটাই এই এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ খেতে হচ্ছে। তাই আমি ফতুল্লা থানা কে দুইটা ভাগে বিভক্ত করতে ইতিমধ্যেই প্রস্তাব দিয়েছি। ফতুল্লা ও কুতুবপুর ইউনিয়ন কে একটি থানা ও বাকি ইউনিয়নগুলো মিলে আরেকটি থানায় যেন রূপান্তরিত করা হয়। এ সময় তিনি আরো বলেন, বিগত দিনে আমরা দেখেছি নেতারা আসলে ৫০ জন প্রটোকল তাকে ঘিরে রাখতো।
আমাদের ক্ষেত্রে এমনটা লাগবে না। আমরা আপনাদের সেবা দিতে এসেছি সেবা দিয়ে যাবো। গতকাল কুতুবপুর ইউনিয়নের আলীগঞ্জে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন “ইনসাফ ফাউন্ডেশন”-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রার ঘোষণা দেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন। উদ্বোধন-পরবর্তী নাগরিক সমাবেশে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ নাগরিকরা আলীগঞ্জ সড়কের উন্নয়ন, মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধসহ বিভিন্ন জনদুর্ভোগ ও স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন আরও বলেন, এলাকাবাসীর এমন মানবিক ও সেবামূলক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে সামাজিক সংগঠনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আলীগঞ্জের নাগরিক সমস্যাগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে এলাকাটিকে সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত করার চলমান প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি আলীগঞ্জ সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।
মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ, আধুনিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন। সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মজলিসে শূরা সদস্য অ্যাডভোকেট মাইনুদ্দিন।


