Logo
Logo
×

নগরের বাইরে

ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে রবিনের একক আধিপত্য

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম

ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে রবিনের একক আধিপত্য

ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে রবিনের একক আধিপত্য

Swapno



# অবৈধ অস্রের ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে
# তথ্য পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে : ওসি ফতুল্লা


ফতুল্লায় শিবু মার্কেট কাঠেরপুল এলাকার বর্তমান সময়ের আতঙ্কের নাম খালিদ হাসান রবিন। শিবু মার্কেট কাঠেরপুল এলাকায় একক আধিপত্য ধরে রাখতে গড়ে তুলেছেন বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী। আর সেই বাহিনী দ্বারা এমন কোন অপরাধ কর্মকাণ্ড নেই না হয়। বিশেষ করে গোলজার ,খান বাহাদুর, মিঠু ,শান্ত , আহাদ, ফারুক, বাপ্পি সহ আরো বেশ কয়েকজন রয়েছে যাদের নিয়ন্ত্রণে ঝুট, মাদক, চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে এই সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী  বাহিনীটি।


তবে এই রবিনের অপরাধ কর্মকান্ডের কথা শুনলে অনেকটাই চোখ কপাালে উঠবে এর কারণ হচ্ছে ফতুল্লার মতো একটি শিল্প নগরী এলাকাতে অস্রের ব্যবসা করার অভিযোগ রয়েছে। আর এই অস্রের ব্যবসার মাধ্যমেই রবিন ও তার বাহিনীর উত্থান। রবিন ও সোহেল এক সময় একসাথে তাদের বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড করলেও বর্তমানে ভাগবাটোয়ারা এবং ঝুটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিতেই মরিয়া হয়ে উঠেছে।


ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকায় রবিন নামে কেউ তাকে না চিনলেও পিস্তল রবিন হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। অভিযোগ রয়েছে পিস্তল দিয়ে ভয় দেখিয়ে মানুষকে জিম্মি করেই টাকা আদায় করে এই কুখ্যাত রবিন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই মাদক সহ  বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত এই রবিন।


খবর নিয়ে আরও জানা যায়, ফতুল্লা থানা যুবলীগ নেতা আজমত বাহীনির  হয়ে কাজ করলেও পট পরিবর্তনের পর আবারো ভোল পাল্টে  নিজের আধিপত্য ধরে রাখতে ব্যাপক আকারে গ্যাং তৈরী করে। ৫ আগষ্টের পরপরই ফতুল্লার শিবু মার্কেট, কাঠেরপুল, লামাপাড়াসহ আশেপাশের এলাকাতে যে সকল গার্মেন্টস রয়েছে তার বাহিনী দ্বারা প্রতিনিয়তই ঝুট নামানো হয়। তবে বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলেও প্রশাসন তেমনটা আমলে নেয় না। যার কারনে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে এই সন্ত্রাসী সংঘবদ্ধ বাহীনিটি।


এ বিষয়ে ফতুল্লা থানা অফিসার ইনচার্জ মাহাবুব আলম জানান, অস্রের ব্যবসার সাথে জড়িত জানা নেই । তবে তেমন অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


সর্বশেষ ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিএনপি কর্মী অলী আহমেদের অফিস, বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং সিসি ক্যামেরা ভাংচুরের  অভিযোগ উঠেছে কাঠেরপুল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী খালিদ হাসান রবিন ও তার বাহীনির বিরুদ্ধে। ১৫  জুলাই বুধবার সন্ধ্যায় মিশর গার্মেন্টসের সামনে এ হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুরে কাঠেরপুল এলাকার বিএনপি কর্মী আলী আহমেদ ও তার তিনপুত্র সোহেল, রুবেল ও পাভেল খন্দকারের বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ এনে সন্ত্রাসী বরিন,


খান বাহাদুর, মিঠু, শান্ত , আহাদ, ফারুক, বাপ্পি ও তার বাহিনী একটি মানববন্ধন করে। তবে রবিন বাহিনীর মিথ্যা মানববন্ধনের প্রতিবাদ করে পাল্টা মানববন্ধনের প্রস্তুতি নিতে গেলেই বিএনপি কর্মী আলী আহমেদের অফিস, বাড়ি, হামলা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং সিসি ক্যামেরা ভাংচুর করে রবিন ও তার বাহীনির সদস্যরা। শুধু তাই নয় হামলা করেই থেমে থাকেনি আলী আহমেদের পুরো বাড়ি ঘেরাও করে জিম্মি করে রাখে।


এ বিষয়ে আলী আহমেদ জানান, এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলজার ,হবুল ,বরিন শান্ত ওরা দুপুরে একটা মিছিল করে মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের পরিবারের সকল সদস্যকে তকমা দিয়ে। তারা মিছিল করেই ক্ষান্ত থাকেনি তারা আমার বাড়ি ,অফিস এবং ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, এবং সিসি ক্যামেরা ভাংচুর করে। আমার মেঝো ছেলে মাষ্টার্স পাশ করেছে এখন বিসিএস এর প্রস্তুতি নিচ্ছে তাকেও তারা ছাড় দেয়নি মাদকের তকমা দিয়েছে।


আমার বড় ছেলে গার্মেন্টস এ খাবার দেয় তাকেও মাদক ব্যবসায়ী বানিয়েছে। আমরা এখন এই সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি হয়ে আছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের আকুল আবেদন এই সন্ত্রাসী গোলজার ও রবিন বাহীনিদের হাত থেকে যেন উদ্ধার করা হয়। আমরা প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাচ্ছি কারন এই সন্ত্রাসীরা আমাদের যেকোন সময় হামলা করতে পারে।

এ বিষয়ে আলী আহমেদের ছেলে রুবেল জানান, আজকে তারা আমাদের বাড়িতে এসে হামলা করেছে আমাদের অফিস ভাংচুর করেছে যা বিগত দিনে কখনোই এমন ঘটনা ঘটেনি। আমরা এই সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচতে চাই।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন