বিএনপির শেল্টারে হাজী ইয়াসিন
সিদ্ধিরগঞ্জে ক্ষমতাকে ভাগাভাগি করে রাজনীতি নতুন কিছু নয়। বিএনপির সরকার গঠন করার পরও সেই চিত্র বিদ্যমান। কারণ ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসন আমলে সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা শেল্টারে দিয়েছিল। বিএনপি সরকারের শাসন আমলেও সিদ্ধিরগঞ্জের নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগের সমর্থকরা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের শেল্টারে রাজনীতি করছেন। ঠিক একই ভাবে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াসিন এখন সিদ্ধিরগঞ্জের এক বিতর্কিত বিএনপি নেতার শেল্টারে রয়েছেন। এতে করে ইয়াসিন একাধিক হত্যা মামলাার আসামী হলেও গ্রেফতার এড়িয়ে আয়েশী জীবন-যাপন করে আওয়ামীলীগকে প্রতিষ্ঠিত করার রাজনীতি করে যাচ্ছেন।
মিতালী মার্কেট এলাকায় ঝুট সন্ত্রাস,ভূমিদস্যুতা,চাঁদাবজির ব্যাপক নজির ছিল অতীতে হাজী ইয়াসিনের। এছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জ জুড়ে ভূমিদস্যুতা করে বেড়াতেন ইয়াসিন। সিদ্ধিরগঞ্জের সিএমবি অফিসে সিন্ডিগেট গড়ে তুলে টেন্ডার বাণিজ্য করে বেড়াতেন ইয়াসিন এখনো সিএমবি অফিসে ইয়াসিনদের সিন্ডিগেট বিতর্কিত ঠিকাদার হাসুর নেতৃত্বে প্রভাব বিস্তার করে বেড়াচ্ছেন। অপরদিকে ইয়াসিনের অপরাধের সাম্রাজ্য দেখভাল বা নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছেন সিদ্ধিরগঞ্জের বিতর্কিত বিএনপির প্রভাবশালী নেতা।
যার শেল্টারেই হাজী ইয়াসিন এখনো নির্বিঘ্নে দেশেই অবস্থান করে আত্মগোপন থেকে আওয়ামীলীগকে সংগঠিত করে যাচ্ছেন। এদিকে বিএনপির সাংগঠিনক বিষয়বস্তুর তথ্য বিএনপির সেই প্রভাবশালী নেতার মাধ্যমে ইয়াসিন অবগত হয়ে আওয়ামীলীগে পাচার করে থাকেন। এছাড়া মতিনের থ্রি স্টার হোটেল নিয়মিত গোপন বৈঠক পরিচালিত হয়। যেখানে প্রায়ই অংশ নেন ইয়াসিন। আওয়ামীলীগের গোপন বৈঠক নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য মতিন তার হোটেলকে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগের নেতাদের গোপন বৈঠকের সেইফ জোন করে দিয়েছেন।
বিশেষ করে শামীম ওসমান অনুসারী আওয়ামীলীগ নেতারাই এই থ্রি স্টারে গোপন বৈঠকের নামে মিলন মেলা করেন। এদিকে এসকল বৈঠকে প্রায়ই অংশ নেন শামীম ওসমানের মামা শ্বশুর জালাল ওরফে জালাল মামা। যার মাধ্যমেই আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ে বিএনিপর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পাচার হয়। এদিকে হাজী ইয়াসিনের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক হত্যা এবং হত্যা চেষ্টার মামলা থাকলেও গ্রেফতার এড়িয়ে এখনো আত্মগোপনে থেকে আওয়ামীলীগ সংগঠিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।


