সময় মতো যদি কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হতো তাহলে এতোদিনে হয়ে যেতো। করোনা ভাইরাসের কারণে এবার সময় মতো নির্বাচন হলো না। ফলে এরই মাঝে চলে গেছে সময়। অতিরিক্ত সময় চেয়ারে রয়েছেন মনিরুল আলম সেন্টুসহ সদর উপজেলার অন্যান্য চেয়ারম্যানরা।
তবে করোনার প্রাদুর্ভাব যদি কমে যায় তাহলে যেকোনো সময় নির্বাচনে সিডিউল ঘোষনা হতে পারে। তাহলে এবার কি করবেন মনিরুল আলম সেন্টু। বিগত নির্বাচনে সেন্টু সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের আশীর্বাদ পেয়েছিলেন। তাই এই ইউনিয়নে সুষ্ঠু হয়েছে নির্বাচন।
ফলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন সেন্টু। তাই শামীম ওসমানকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। কারণ তিনি ফতুল্লার বাকী তিনটি ইউনিয়নে জোর করে বিনা ভোটে সাইফ উল্লাহ বাদল, শওকত আলী এবং আসাদুজ্জামানকে জয়ী করিয়েছেন। তারা তিন জনই আওয়ামী লীগের প্রার্থী। কিন্তু কুতুবপুরে ফেইল করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। তাই এবার শামীম ওসমান কি করবেন আর সেন্টুই বা কি করবেন সেটাই দেখার বিষয়।
এ বার এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন আরো কয়েকজন। এরা হলেন খালেক মুন্সী এবং আলাউদ্দিন হাওলাদার। তবে এদেরকে পাশ করাতে হলে নির্বাচনে কারচুপি করতে হবে বলে অনেকে মনে করেন। তারা জিতবে না সেন্টুর সাথে। তাই এবারের পরিস্থিতি কোন দিকে যায় সেটাই এখন দেখার বিষয়।


