Logo
Logo
×

রাজনীতি

মহানগর বিএনপি’র প্রাণভোমরা সাখাওয়াত

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২১, ১০:২০ পিএম

মহানগর বিএনপি’র প্রাণভোমরা সাখাওয়াত
Swapno

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির সবচাইতে সরব নেতার নাম নিতে গেলে প্রথম নামটাই থাকবে এড.সাখাওয়াত হোসেন খানের। কখনো রাজপথে, আবার কখনো আইনী সহায়তা দিয়ে জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতাকর্মীদের অন্যতম আশ্রয়স্থল হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন সাখাওয়াত। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের আলোচিত আইনজীবী এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। আইনাঙ্গনেও রয়েছে তার যথেষ্ট সুনাম ও সম্মান। ছিলেন আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত দুই-দুই বারের সাধারণ সসম্পাদক ও সভাপতি। বহুল আলোচিত সেভেন মার্ডারের মামলা পরিচালনা করে সুনাম কামিয়েছেন সারাদেশ ব্যাপী।

 

এরপর আলোচনায় আসেন এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। অল্প সময়ের মধ্যেই আইনাঙ্গনের গন্ডি পেরিয়ে বিএনপির কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সেই সুবাধে ২০১৬ সালে বিএনপির টিকেট পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে প্রতিদ্ব›দ্বীতা করেন এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। এরপর ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রæয়ারী নারায়ণগঞ্জ নগর বিএনপি ভেঙ্গে নতুন কমিটি গঠন করা হলে সেই কমিটির সিনিয়র সহ- সভাপতি করা এড. সাখাওয়াত হোসেন খানকে। পদ পেয়ে বেশ দাপুটে নেমে পড়ে রাজনীতিতে। মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের কাছে ভরসার অন্যতম আশ্রয়স্থল বলে জানায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

 

বিএনপির তৃনমূল নেতাকর্মীরা জানান, মহানগর বিএনপির রাজনীতি টিকিয়ে রেখেছেন এড. সাখাওয়াতই। কেননা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. আবুল কালাম অসুস্থ্য, ঘর থেকে বের হন না। দলীয় কোনো কর্মসূতিতে দেখা যায় না তাকে। আর সেক্রেটারী এটিএম কামালও দীর্ঘ দুই  বছর  ধরে দেশ ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছেন বিদেশের মাটিতে। সভাপতি ও সেক্রেটারির এমন অবস্থা ঠিক তখনই মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠগুলোর হাল শক্ত হাতে ধরতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। দীর্ঘ সময় ধরে দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকা, আন্দোলন সগ্রাম , দু:স্থ ও অসহায় মানুষের সেবা ও ত্রাণ বিতরণ, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকান্ড, কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, রাজপথে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তিনি।

 

তাই মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে দু:সময়ের কান্ডারী হিসাবেই পরিচিত এড. সাখাওয়াত। শুধু তাই নয় বিএনপির প্রতিটি কর্মসচি দলীয় নেকাকর্মীদের নিয়ে পালন করেছেন এড. সাখাওয়াত । মহানগর বিএনপির ব্যানারে কোনো কর্মসূচি পালন করতে গেলে তাতে আপত্তি প্রকাশ করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. আবুল কালাম ও সেক্রেটারি এটিএম কামাল। পরে সহযোগী সংগঠন যুবদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মৎসজীবী দল , ছাত্রদল এবং জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে দলীয় প্রতিটি কর্মসূচি রাজপথে থেকে পালন করেছেন এড. সাখাওয়াত।

 

বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আরও জানান, দল করেন সবাই তবে মাঠে থাকেন  এড. সাখাওয়াত একাই। বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি দলীয় প্রধানের মুক্তি, মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সমাবেশ। এছাড়াও দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, দলীয় প্রধানের জন্মদিন, দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীসহ সকল জাতীয় দিবস এবং দলীয় আন্দোলন সংগ্রাম ও কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচীতে সরব উপস্থিতি থাকে এড. সাখাওয়াত। শুধু সরব উপস্থিতিই নয়, বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে পুলিশী বাধা উপেক্ষা করে পালন করে এসকল কর্মসূচী। দলের দু:সময়ের দলের কান্ডারী হয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির হাল ধরেছেন সাখাওয়াত । শুধুমাত্র কর্মসূচীই নয়, দলের যে কোনো স্তরের নেতাকর্মীদের যে কোনো বিপদে-আপদের সর্বদা নেতাকর্মীদের পাশে থাকেন এড. সাখাওয়াত। শুধুু তাই না দলীয় কোনা নেতাকর্মী অসুস্থ হলে তার খবর পেলে তার বাড়িতে ছুটে যান এমনটাই দাবী নেতাকর্মীদের।

 

তবে, নারায়ণগঞ্জ বিএনপির অনেক নেতাই আছেন যারা বড় বড় পদ বহর করে আছেন। অথচ তাদের অনেকেই আন্দোলন- কর্মসূচিতে দেখাই যায় না। যারা দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পদ-পদবী বহন করে করছে তাদের অনেকেই রাজপথের আন্দোলন -সংগ্রামসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাদেরকে একবারেই দেখা যায় না। মাঝে মাঝে এসব নেতারা ৫-৭জন অনুসারী নিয়ে অনুষ্ঠানে এসে ব্যানার নিয়ে টানাটানি করতে দেখা যায়। হুটহাট করে মাঝে মাঝে কোন কর্মসূচি পালন করতে আসে এসব নেতা ও তাদের অনুসারীদের। যদি দল কোনো দিন ক্ষমতায় আসে তখন এসব নেতাদের ভীড়ে হয়তো বা খুঁজেও পাওয়া যাকে না দলের দুঃসময়ের কান্ডারী এড. সাখাওয়াত হোসেন খানকে এমনটাই মনে করছেন দলের তৃণমূল এসব নেতাকর্মীরা।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন