# যাদের নাম কালেভাদ্রে আসে তাদের নানা সমস্যা
# অব্যাহত উন্নয়নের কারণে পাল্লা ভারী আইভী’র
# সাধারণ মানুষের দোরগোঁড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন সেবা
আবারও ঘনিয়ে এসেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী। তাই আইভীকে নিয়ে এবার কি ভাবছেন এই সিটি করপোরেশন এলাকার সাধারন মানুষ।
এ বিষয়ে গতকাল শহরের দেওভোগ পাক্কারোড এলাকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম সেলিমের সাথে কথা হয়। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি এবার মেয়র আইভীকে নিয়ে কি ভাবছেন? জবাবে উল্টো তিনি প্রশ্ন করেন, আপনি বলুন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কে হতে পারেন মেয়র আইভীর বিকল্প? তখন তাকে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের দ্ইুজন নেতার নাম বলা হলে তিনি হেসে ফেলেন এবং বলেন, এদের একজনতো দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিতারিত হয়েছেন। আর অপরজনের কোনো হুঁশই থাকে না।
তিনি আরো বলেন, বাস্তবতা হলো মেয়র আইভীর কোনো বিকল্প তৈরী হয়নি। নারায়ণগঞ্জের মানুষ এবারও তাকেই চায়। তাছাড়া তিনি যেভাবে উন্নয়ন করেছেন, আর কেউ এতোটা আন্তরিকতা নিয়ে কোনো উন্নয়ন করেনি। মেয়র ছাড়াও শহরেতো আরো দুইজন এমপি রয়েছেন। তারা কি কাজ করেছেন? ফতুল্লা থানার পাঁচটি আর বন্দর থানার পাঁচটি ইউনিয়নেতো এই দুই এমপির উন্নয়ন করার কথা। কিন্তু তারা কি করেছেন? গিয়ে দেখুন মেয়র আইভী যে উন্নয়ন করেছেন কোথাও তার ধারেকাছেও নেই তারা। বন্দরের রাস্তাঘাটের যে কি করুণ অবস্থা সেটা নিজের চোখে না দেখলে বিশ^াস করতে পারবেন না। তাই আমরা মনে করি এবারও আইভীর কোনো বিকল্প নেই। তাই নারায়ণগঞ্জবাসী তাকেই চায়।
একই বিষয়ে কথা হয় সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিল এলাকার বাসিন্দা মনিরুল ইসলামের সাথে। মেয়র আইভীকে নিয়ে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেয়র আইভীর বিকল্পতো আর কাউকে দেখিনা। তাছাড়া বিএনপি নাকি এবারের নির্বাচনেই অংশ নেবে না। তাহলে মেয়রের বিরুদ্ধে কে করবেন নির্বাচন। বিএনপির একটি দলীয় ভোট ব্যাংক আছে। যদিও বিএনপি থেকে প্রার্থী দিলেও আইভীই জয়ী হতেন, তারপরেও একটি প্রতিদ্বন্দ্বীতা গড়ে উঠতো। এবার সেটাও হবে না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো মেয়র আইভী ভালো কাজ করেছেন। গত দশ বছরে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। আর এবারতো তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ লেকটিকে ঘিরে এক বিশাল বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তুলছেন। তাই সব কিছু মিলিয়ে যে সকল উন্নয়ন প্রকল্প তিনি হাতে নিয়েছেন এগুলোর কাজ শেষ হলে একেবারে পাল্টে যাবে সিদ্ধিরগঞ্জের চেহারা। তাই আমি মনে করি মানুষ তার বিকল্প কাউকে ভাবছেন না।
তিনি আরো বলেন মেয়র আইভীর সবচেয়ে বড় গুন হলো তিনি গোটা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকা জুড়ে পরিকল্পিত উন্নয়ন করে চলেছেন। রাস্তাঘাটের উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনীয় সব ধরনের উন্নয়ন করছেন মেয়র আইভী। আমরা যতোটুকু খবর রাখি তাতে জানতে পেরেছি তিনি জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের প্রয়োজনীয় চাহিদাগুলো মেটানোর চেষ্ঠা করছেন। তাই এ সময়ে তার চেয়ে ভালো কাজ কেউ করবে বলে আমরা মনে করি না। দেখতেইতো পাচ্ছি যে যেখান দিয়ে সুযোগ পাচ্ছে লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আইভীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ নেই।
তার বিরুদ্ধে বানোয়াট কিছু অভিযোগ যারা করছে তারা হলো মহা চোর। এই শহরে হতদরিদ্র অবস্থা থেকে এখন শত শত কোটি টাকার মালিক তারা। আসলে তারা মেয়র আইভীকে হিংসে করে এসব বলছেন। তাদের হাতে কোনো প্রমাণ নেই। তাই আমরা মনে করি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র আইভীর কোনো বিকল্প নেই। এবারও তিনি মনোনয়ন পাবেন এবং বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।


