নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মামুন মাহমুদকে ঘীরে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি। বিএনপি অঙ্গণে এবার নতুন করে সমালোচিত হয়েছেন মামুন মাহমুদ। জানা গেছে, গত শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা জ্বালানী তেল, বাস ভাড়া ও দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।
নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত ওই বিক্ষোভ সমাবেশের নেতৃত্ব দেন জেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. তৈমুর আলম খন্দকার। এতে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. নাসির উদ্দিন, মনিরুল ইসলাম রবি, লূৎফুর রহমান আব্দু, এ্যাড. হুমায়ন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সায়েম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত থাকলেও দেখা যায়নি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মামুন মাহমুদকে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিন পর রাজপথে বিএনপির কর্মসূচি হলেও সেখানে উপস্থিত হয়নি মামুন মাহমুদ। তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে বিএনপি অঙ্গণে। তবে, কি কারণে তিনি উপস্থিত হননি, সেই বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে জানতে গতকাল রাতে মামুন মাহমুদের মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জানা গেছে, শুক্রবারের ওই বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের শতশত নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। সমাবেশ চলাকালে তারা পুলিশী বাধারও সম্মুখিন হয়েছিলেন। এরপরও কর্মসূচি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে, জেলা বিএনপির বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে, ‘সদস্য সচিব মামুন মাহমুদ পুলিশী বাধা এবং মামলার ভয়েই বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেয়নি।’ অনেকেই অভিযোগ করে জানিয়েছেন, মামুন মাহমুদ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হলেও তিনি গা বাঁচিয়ে চলার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি তার সাথে আওয়ামী লীগের নেতাদের উঠাবসা রয়েছে। তিনি মাঠের রাজনীতিতে শতভাগ সক্রিয় না হয়েও অদৃশ্য কারণে বারংবার জেলার নেতৃত্বে আসছেন এবং নানা ভাবে বিতর্কে জড়াচ্ছেন। শুক্রবারের ওই কর্মসূচিতে মামুন মাহমুদ অনুপস্থিত থেকে নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন।


