নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকার মাঝি আইভী
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:০০ পিএম
অবশেষে সকলের ধারণাই সত্য হল। আবারো ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর উপরই আস্থা রাখলেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন তৃতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নামই চূড়ান্ত করা হলো। শুক্রবার এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামী লীগ। দ্বিতীয় বারের মতো আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গঠনের পর তৎকালীন বিলুপ্ত পৌরসভার চেয়ারম্যান ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী আওয়ামী লীগের সমর্থন পাননি। দলীয় প্রতীক না থাকলেও নাসিকের প্রথম নির্বাচনে বর্তমান এমপি শামীম ওসমানের দেয়াল ঘড়ি প্রতীককে সমর্থন দেয় আওয়ামী লীগের নেতৃবন্দ। কিন্তু নির্বাচনে ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী দোয়াত-কলম প্রতীকে প্রায় ১ লাখের বেশি ভোটে শামীম ওসমানকে হারান। ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেন আইভী। নির্বাচনে বিএনপির সাখাওয়াত হোসেন খানকে প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র হন আইভী।
প্রথম নির্বাচনে মতোই ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় জেলা কিংবা মহানগর আওয়ামী লীগ থেকে ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নাম প্রস্তাব করা হয়নি। এবারও একই ঘটনা ঘটেছে। নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা, সহ-সভাপতি বাবু চন্দনশীল এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদলের। তবে এবারও ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর উপরই আস্থা রাখলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো নৌকার মাঝি বানালেন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে।
এবার নির্বাচিত হলে দেশের ইতিহাসে প্রথম টানা তৃতীয়বারের মতো নারী মেয়র হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়বেন তিনি। এদিকে মেয়র আইভীকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়ার সংবাদে পুরো সিটি এলাকায় আনন্দমিছিল ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূল কর্মীরা। তারা বলছেন, যোগ্য ব্যক্তির উপর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আস্থা রেখেছেন।


