# যারা এখনো বিরোধীতা করছে তাদের জন্য সময় সংকীর্ণ
জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, দলীয় এমপি ও সদ্য নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানরা একে একে নাসিক নির্বাচনে নৌকা প্রতীক প্রাপ্ত ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে আসন্ন নির্বাচনে সমর্থন প্রদান করলেও এ ক্ষেত্রে এখনো নীরব এমপি শামীম ওসমান ও তার কমান্ডে থাকা নেতাকর্মীরা। পত্রিকান্তরের খবরে জানা গেছে, এ নির্বাচন নিয়ে তাদের নাকি এখনো খেলা বাকি রয়েছে। এদিকে, মেয়র আইভী গত ৮ ডিসেম্বর (বুধবার) অভিযোগ করেছেন, বার বার পরাজিত তার অতীত প্রতিপক্ষ এখনো ষড়যন্ত্রের জাল বুনে যাচ্ছে। তারা তার বিরুদ্ধে প্রার্থী খুঁজছে। এজন্য বিভিন্ন জনকে চাপ দেয়া হচ্ছে এবং একই সঙ্গে প্রলোভনও দেখানো হচ্ছে। আইভী অবশ্য তার পুরনো এ প্রতিপক্ষকে সোজা পথে আসতে হুমকিও দিয়েছেন। বলেছেন, এখনো সময় আছে, দলে অস্তিত্ব বজায় রাখতে হলে নৌকার পক্ষে চলে আসুন। নইলে আপনাদের জন্যও অপেক্ষা করছে মুরাদ-জাহাঙ্গীরের পরিণতি।
এদিকে, আসন্ন নির্বাচনে আইভীর বিরুদ্ধে মূল প্রতিদ্বন্দ্বির ছবি এখনো পরিষ্কার হয়নি। আইভী ছাড়া এ পর্যন্ত যে তিনজন মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তারা হলেন, গেলবার (২০১৬) বিএনপির পরাজিত প্রার্থী, মহানগর বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, মহানগর বিএনপি সাধারন সম্পাদক এটিএম কামাল ও বাংলাদেশ কল্যান পার্টির যুগ্ম সম্পাদক রাশেদ ফেরদৌস সোহেল মোল্লা। এদের মধ্যে এড. সাখাওয়াত গেল বার (২০১৬ সালে) আইভীর কাছে ৮০ হাজারেরও বেশী ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। বাকী দুজন একেবারে আনকোরা। যদিও মনোনয়ন সংগ্রহ ও জমাদানের এখনো এক সপ্তাহ বাকী রয়েছে। এরই মধ্যে এড. সাখাওয়াত ও এটিএম কামালকে কেন্দ্র থেকে এখনো প্রার্থীতার জন্য এনওসি প্রদান করা হয়নি এবং তৃণমূলও বেগম জিয়াকে মৃত্যূশয্যায় রেখে তাদের এ নির্বাচন পায়তারার চরম বিরোধিতা করছে। তাই সচেতন শহরবাসী এবং সূধী ও রাজনৈতিক মহল মনে করছেন, এবারও আইভী আসলেন, দেখলেন ও জয় করলেন, এই স্টাইলেই জয়ী হবেন। কারণ, তাকে হারাতে পারে এমন প্রার্থী এখনো নজরে পড়ছে না। অর্থাৎ, এবার আইভীর হ্যাট্রিক বিজয় অবধারিত।


