এবার এমপি কালাম পুত্র আশার কপাল খুলেছে
পরিচয় প্রকাশ গুপ্ত
প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫৫ পিএম
# দুলালকে ঠেকাতে এলাকাবাসী আশার সমর্থনে ঐক্যবদ্ধ মিছিল করেছে
সাবেক বিএনপি এমপি এড. আবুল কালাম পুত্র ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবুল কাউসার আশার এবার কপাল খুলেছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ২৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আশাকে এবার ওয়ার্ডবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে সমর্থন প্রদান করেছে তাকে নিজেদের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। গত শুক্রবার ২৩নং ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে ওয়ার্ডবাসী এ ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহমেদ প্রধান ওরফে দুলাল প্রধানের দিক থেকেও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিতর্কিত কাউন্সিলর দুলালের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। ইতিপূর্বে ডিবি পুলিশ দুলাল প্রধানকে ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার করেছিল। সে মামলায় তাকে জেলও খাটতে হয়েছে। এ মামলায় দুলাল প্রধানকে অভিযুক্ত করে ডিবি পুলিশ ইতিমধ্যে আদালতে অভিযোগপত্রও দাখিল করেছে। দুলাল প্রধানের কারণে এলাকায় মাদক সহজলভ্য হয়ে উঠেছে, দ্রুত মাদকের বিস্তার ঘটছে এবং তরুন সমাজ বিপথগামী হচ্ছে। এলাকাবাসী মনে করে, একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে আশার হাত ধরে এলাকা মাদকমুক্ত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুলাল প্রধান মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক। ওসমান পরিবারের হাত ধরে এ শহরে দুলালের রাজনৈতিক উত্থান। ওসমান পরিবারের এমপি ভাতৃদ্বযের নেকনজরে থাকার কারণেই ২০১১ ও ২০১৬ সালে পর পর দু’বার সে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়। এবারও সে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছে। এদিকে, আবুল কাউসার আশা ২০১৬ সালেও এ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছিল। কিন্তু দুলাল প্রধানের নানামুখী ষড়যন্ত্রে সে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। এবার অবস্থার ব্যপক পরিবর্তন ঘটেছে। এলাকাবাসীর ধারণা, এবার অবশ্যই আশা বিজয়ী হবে।
কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল কাউসার আশা বলেন, ‘গত দুইদিনে মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। মানুষ এখন অনেক সচেতন। মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণাই আমার নির্বাচনী প্রতিপাদ্য। আমি বিশ্বাস করি মানুষ আমার উপর আস্থা রাখবে। মাদকের সাথে যারা যুক্ত তারা কখনোই মানুষের কথা ভাববেনা। জয়ী হওয়ার পর মানুষের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য।’


