আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে চক্রান্ত চলছে : কাজিম প্রধান
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ০২:০৬ পিএম
বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় শ্রমিকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির আইন ও দরকষাকষি সম্পাদক এবং তিতাস গ্যাস কোম্পানীর সিবিএ’র কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ্ব¡ কাজিম উদ্দিন প্রধান বলেছেন, বন্দরে আমার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রিমহল আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাচ্ছে। তাই আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিক ভাইদের কাছে মিথ্যে তথ্য দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের মাধ্যমে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রয়াস চলছে।
তিনি বলেন, যেহেতু সাংবাদিক ভাইয়েরা জাতির বিবেক এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের অনেক সম্মান করি। তাই আমি তাদের কাছে অনুরোধ করবো তারা যেন সংবাদের সত্যতা যাচাই বাছাই করে সংবাদটি মিডিয়ায় প্রকাশ করে। তাহলে জাতি অনেক উপকৃত হবে এবং কুচক্রীদের চক্রান্ত পরিস্কার হয়ে যাবে। বন্দরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ কারা দিচ্ছে বন্দরে জনগন তা ভাল করেই জানেন।
গত ২৬ জানুয়ারী বুধবার নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রকাশিত কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় আলহাজ্ব কাজিম উদ্দিন প্রধানের ভাতিজা সুমনকে নিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগের মিথ্যে সংবাদ প্রচার করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, কাজিম উদ্দিন প্রধান এর ভাতিজা সুমনসহ আরও কয়েকজন ফরাজিকান্দা এলাকার মনা মিয়া নামক এক লোকের বাড়িতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিতে গিয়ে জনগণের রোষানলের শিকার হন।
পরে সংবাদ পেয়ে মদনগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করলে সেখান থেকে তারা পালিয়ে যায়। এবং কাজিম প্রধানকে সেই ঘটনার (মিথ্যে ঘটনার) শেল্টার হিসেবে উল্লেখ করা হলে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের কাছে সেই সংবাদের নিন্দা প্রকাশসহ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এই বিষয়ে কাজিম উদ্দিন প্রধান বলেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি প্রার্থী থাকাবস্থায়ও আমার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অবৈধ গ্যাস সংযোগের মিথ্যে অভিযোগ তোলেন। এরপর সেসব সম্পুর্ণ মিথ্যে ও বানোয়াট বলে এলাকার মানুষজনই সাংবাদিকদের কাছে জানান। এমনকি যেসব এলাকার কথা উল্লেখ করে আমাকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল সেসব এলাকার অনেক মানুষ ¯¦-ইচ্ছায় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগটি মিথ্যে প্রমাণ করায় আমার জনপ্রিয়তা আরো বেড়ে যায়।
এখন আবারও সেই পক্ষটি একই পন্থা অবলম্বন করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ফরাজীকান্দা গিয়ে মনা মিয়ার পরিবারে সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানান, আমাদের এখানে শুধু অবৈধ কেন কোন বৈধ গ্যাস সংযোগের মেরামতের কাজও হয়নি। এ ধরণের কোন ঘটনাই ঘটেনি। যদি এধরণের কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে আপনারা একটু তদন্ত করলেই খবর পেয়ে যাবেন। আপনারা তদন্ত করে কোন প্রকার প্রমাণ পেলে তার বিচার করবেন। যেহেতু এই ঘটনার সাথে মদনগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশকে জাড়ানো হয়েছে, তাই এরকম ধরণের কোন ঘটনা ঘটেছে কি-না তা জানতে চাইলে বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই বাবুল প্রথমে হেসেই উড়িয়ে দেন।
তিনি বলেন, ভাই এধরণের কোন ঘটনা-ই ঘটেনি। আমরা সেদিন রাতে সেখান দিয়ে যাওয়া সময় দেখি কিছু লোক সেখানে পানির লাইন বসানোর কাজ করতেছে। সেখানে বৈধ বা অবৈধ কোন গ্যাস লাইনের কাজ হয়নি। তাই কাউকে আটকেরও প্রশ্ন আসে না আর পালিয়ে যাওয়ার প্রশ্নতো অবান্তর।


