নির্বাচন কমিশন আইন প্রথম পদক্ষেপ, এটি-ই শেষ কথা নয় : জাকের পার্টি
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৪:০৭ পিএম
গতকাল দুপুরে রূপগঞ্জের তারোবা পৌরসভার দীঘিবরাবো এলাকায় সিপিএইচডি (সিটিজেন প্রোগ্রাম ফর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট) হেলথ কেয়ার ক্লিনিক উদ্বোধন করেন জাকের পার্টির চেয়ারম্যান পীরজাদা মোস্তফা আমির ফয়সাল মোজাদ্দেদী।
জাকের পার্টির চেয়ারম্যান পীরজাদা মোস্তফা আমির ফয়সাল মোজাদ্দেদী নির্বাচন কমিশন আইনকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন, এটি প্রথম পদক্ষেপ মাত্র। এটাই শেষ কথা নয়। সমস্যা কোথায় তা বের করতে হবে। আমি আগেও বলেছি, কোন ব্যাক্তিই নিরপেক্ষ নয়। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে হানাহানি পরিহার করে জন সেবার প্রতিযোগিতায় নামার আহবান জানিয়ে বলেন, সরকারের দিকে তাকিয়ে না থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে নিজ নিজ এলাকার উন্নয়ন করুন। তাহলে দেশ বদলে যাবে।
মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তারোবা পৌরসভার দীঘিবরাবো এলাকায় সিপিএইচডি (সিটিজেন প্রোগ্রাম ফর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট) হেলথ কেয়ার ক্লিনিক উদ্বোধন করার সময় এসব কথা বলেন। হেলথ কেয়ার ক্লিনিকটি জাকের পার্টির অর্থায়নে পরিচালিত হবে। এখানে নাম মাত্র মুল্যে গরীব রোগীদের উন্নত চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে সাড়াদেশে জাকের পার্টির উদ্যোগে এ ধরনের ক্লিনিক স্থাপন করা হবে। আগামী মার্চের মধ্যে ঠাকুরগাঁ, বরিশাল, ঢাকার কেরানীগঞ্জসহ মোট পাঁচটি হেলথ কেয়ার ক্লিনিক উদ্বোধন করা হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর সাথে ছিলেন সিপিএইচডি’র সিও এবং জাকের পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ডক্টর সায়েম আমির ফয়সাল মোজাদ্দেদী, জাকের পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব শামীম হায়দার, পার্টি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এজাজুর রসুল, জেলা জাকের পার্টির সভাপতি মুরাদ হোসেন জামাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জাকের পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক চলতেই থাকবে। আমি আতংকিত এ আইন নিয়ে। এ আইনকে কেন্দ্র করে আবার না হিংসা, হানাহানি, মারামারি শুরু হয়। কারণ যারা দেশ ও জাতির স্বার্থবিরোধী তারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে শুধু অযুহাত খুঁজে বেড়ায়। তিনি আরো বলেন, মনে রাখতে হবে, কোন ব্যক্তিই নিরপেক্ষ নয়।
যে পদেই তিনি থাকুন না কেন, মন মননে তিনি কোন না কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক। কাউকে না কাউকে তিনি ভোট দেন। কাজেই এই বিতর্কের অবসান ঘটাতে বিতর্কমুক্ত ভোট গ্রহণ ও ফলাফল নিশ্চিতে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযু্িক্ত ব্লক চেইন টেকনোলজি প্রয়োগ এবং ই-ভোটিং এর কোন বিকল্প নেই।
মোস্তফা আমীর ফয়সল ব্লক চেইন পদ্ধতির অপরিহার্যতা বিশ্লেষণ করে বলেন, আমরা অনলাইনে ক্রিকেট খেলার রান, কত হলো তা যেমন দেখতে পাই। তেমনি ব্লক চেইন টেকনোলজি এবং ই-ভোটিং এর মাধ্যমে জনগণ ঘরে বসেই হাতের মোবাইলে কোন দল বা কোন প্রার্থী কত ভোট পেল তা সরাসরি জানতে পারবেন।
তিনি বলেন, এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো যদি নিজ নিজ দলের রেজিষ্টার্ড সদস্য এবং স্বীকৃত ভোটারদের নাম, আইডি নম্বর, ছবি এবং স্বাক্ষরযুক্ত ডাটাবেজ তৈরি করে এবং নির্বাচন কমিশনে তা জমা দেয়, নির্বাচন কমিশন যদি তা এ্যাপস তৈরির মাধ্যমে নির্বাচনের ৬ মাস আগে জনগণের কাছে প্রকাশ করে দেয়। তাহলে জানা হয়ে যাবে কোন দলের কত সংরক্ষিত ভোট আছে। নির্বাচনের পরে ফলাফল নিয়ে তখন আর বিতর্ক থাকবে না।


