জিব ছিড়ে শীতলক্ষ্যায় ফেলার হুমকি খোকন সাহার
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২২, ০৫:০৬ পিএম
# নেতা তো বিষ খেয়ে বিষ হজম করে।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা বলেছেন, ‘আপনারা আমাদের নেতাদের সম্পর্কে যা তা বলে যাচ্ছেন। ধৈর্য্যরে বাধ ভেঙে দিবেন না। ধৈর্যের বাধ ভেঙে গেলে আপনাদের জিব ছিড়ে শীতলক্ষ্যায় ফেলে দেবো। শীতলক্ষ্যার পানিতে তা ভেসে যাবে। নেতার (শামীম ওসমান) বিরুদ্ধে আগামীতে লাগামহীন কথা বললে ছাড় দেয়া হবে না।
’ রোববার (১৩ মার্চ) বিকেলে ফতুল্লার হরিহরপাড়া এলাকায় ইউনাইটেড ক্লাব প্রাঙ্গণে আয়োজিত দলীয় কর্মী সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এই কর্মীসভার ডাক দিয়েছেন একেএম শামীম ওসমান। খোকন সাহা বলেন, রাজাকারের সন্তানরা এখন রাজনীতিতে সক্রিয়। রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছেন। নেতা (শামীম ওসমান) তো বিষ খেয়ে বিষ হজম করে।
যেভাবে নেতাকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করছে, নেতা কিন্তু কিছুই বলছে না। নেতা কিন্তু আমাদের থামায়ে রাখতে পারবেন না। ধৈর্যের বাঁধ কিন্তু ভেঙে গেছে। তিনি আরও বলেন, ত্বকী হত্যার বিচার আমরা চাই বার বার বলেছি। তদন্ত এখনও চলছে। অভিযোগপত্র এখনও দেয়া হয় নাই। ওনারা খসড়া চার্জশিটের কথা বলেন। খসড়া চার্জশিট বলে কোনো কিছু নাই। নারায়ণগঞ্জটা আপনাদের রাম-রাজত্ব হয় নাই। যা খুশি তাই বলবেন না। শালীনতা নিয়ে কথা বলবেন।
ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতার বিরুদ্ধে যদি আর কথা বলেন তাহলে জিব ছিড়ে শীতলক্ষ্যা, বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেবো। শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘ওসমান পরিবারকে খুনি পরিবার বলছেন। আমাদের দলেরও কয়েকজন নেতা-নেত্রীও ওসমান পরিবারকে খুনি বলছেন। আশিক, চঞ্চলের খুনের কথা বলছেন।
তারা বলে, শামীম ওসমানের নির্দেশে অয়ন ওসমান ও আজমেরী ওসমান ত্বকীকে খুন করেছে। আমি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে বলবো যারা এই কথা বলছে তাদের গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেন। তারা কী করে জানলো কে খুন করেছে?’ এই কর্মীসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমান, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল্লাহ বাদল,
সহসভাপতি ওয়ালী মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা মনির, ফতুল্লা ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান স্বপন,
এনায়েতনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি জুয়েল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম, বর্তমান সভাপতি আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসমাইল রাফেল প্রমুখ।


