Logo
Logo
×

রাজনীতি

ভবিষ্যত প্রজন্মও মমতাজ বেগমকে মনে রাখবে : আনোয়ার হোসেন

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২২, ০৭:১১ পিএম

ভবিষ্যত প্রজন্মও মমতাজ বেগমকে মনে রাখবে : আনোয়ার হোসেন
Swapno

মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান  আনোয়ার হোসেন বলেছেন, রাজনীতিতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য রাজনীতিবিদদের উত্তরসূরী থাকলে তাদের রাজনীতি ধরে রাখা যায়। একইভাবে মহীয়সী ব্যক্তির উত্তরসূরীরা তাদের ভালো কাজের মাধ্যমে মহান ব্যক্তিদের চিরস্মরনীয় করে রাখতে পারে।

 

ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগমের উত্তরসূরীদের যথার্থ অবদানে ভবিষ্যত প্রজন্ম মমতাজ বেগমকে মনে রাখবে। রবিবার (১৩ মার্চ) সকালে মর্গ্যান র্গালস স্কুল এন্ড কলেজের ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগম মেধা বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

 

মর্গ্যান র্গালস স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদ ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিাত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগমের নাতনী ডা. ফারজানা ইসলাম রূপা ও ডা. মনিরা সহ স্কুলের শিক্ষকমন্ডলী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

 

 অনুষ্ঠানে ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগমের নাতনী ডা. ফারজানা ইসলাম রূপা বলেন, আমার নানু ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগম ও আমার মা সবসময় মেয়েদের লেখাপড়ার বিষয়ে আজীবন অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তাদের মহৎ প্রচেষ্টার প্রতি সম্মান জানিয়ে আজ সাফা আন্তরা ট্রাস্টেও সৌজন্যে ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগম মেধা বৃত্তির যাত্রা শুরু হলো।  

 

সাফা আন্তরা ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগমের তৃতীয় প্রজন্ম। সাফা আন্তরা আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন। সে তার নানু ও বড় মায়ের মতো মেয়েদের পড়াশোনায় উৎসাহ প্রদান করত। আশা করি এই বৃত্তি প্রদান আমাদের সন্তানদের লেখাপড়া করতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগমের নাতনী ডা. মনিরা তার নানুর বিষয়ে স্মৃতিচারণ করে বলেন, ভাষা সৈনিক মমতাজ বেগমের নাতনী হয়ে আমি গর্বিতবোধ করেছি।

 

আমার নানুকে আমরা চার ভাইবোন কেউ দেখতে পাইনি। কারণ আমার মা ৫ বছর বয়সেই তার মা মাতৃ স্নেহ থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। পরবর্তীতে দশ বছর পরে আমার মায়ের সাথে নানুর দেখা হয়েছিল। দেশকে ভালোবাসার জন্য আমার নানু অনেক ত্যাগ করেছেন। সুখের সংসার ত্যাগ করেছিলেন। তার একমাত্র সন্তানকে অনেক বছর দেখতে পাননি।

 

মানুষের কর্মই তাকে যুগযুগ বাঁচিয়ে রাখে। যেমন আমার নানু মানুষের মাঝে আজও বেঁচে আছেন। ওনি মাত্র ৩৬ বছর বয়সে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন। সে সময় তার সংসার কিংবা তার সন্তান কেউ তার পাশে ছিল না।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন