Logo
Logo
×

রাজনীতি

আবারো গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবসে কাজল !

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২২, ০৪:৫৫ পিএম

আবারো গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবসে কাজল !
Swapno

 

# মুক্তিযোদ্ধাদের কীভাবে রাজাকারের সন্তান সংবর্ধনা দিতে পারে : জাহাঙ্গীর

 

নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খালেদ হায়দার খান কাজলকে নিয়ে আবারো বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিস ২২ উদযাপন উপলক্ষে তার অতিথি হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে উপস্থিতি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

 

কাজলকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে কাজলের পিতা গোলাম রব্বানী মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে শান্তি কমিটির নারায়ণগঞ্জের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক লেখক মুনতাসির মামুন ও রীতা ভৌমিক তাদের বইয়ে এটি বারবার স্পষ্ট করেছেন। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নানা সময় গোলাম রব্বানীর ছেলে খালেদ হায়দার খান কাজলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

 

এবারের গণহত্যা দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবসেও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবধনা অনুষ্ঠানে কাজলের উপস্থিতি থাকা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে।  এছাড়া কাজলের এই অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির সভার চিঠিতেও স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত গোলাম রব্বানীর ছেলে কাজলকে মুক্তিযোদ্ধাদের আগে স্থান দেয়া নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

 

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা উপ-কমিটির সভা গত ২১ মার্চ দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভার নোটিশে কুখ্যাত শান্তি কমিটির সদ্য গোলাম রব্বানীর ছেলে খালেদ হায়দার খান কাজলের ১০নং এ নাম থাকলেও নারায়ণগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সামিউল্লাহ মিলন,

 

সাবেক ডেপুটি কমান্ডার এড. নুরুল হুদা, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সহকারী কমান্ডার নুরুল হক, সাবেক উপজেলা কমান্ডার মো. সাজাহান ভূইয়া জুলহাস, প্রাক্তন ডেপুটি কমান্ডার হযরত আলী,

 

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সহকারী কমান্ডার মোহর আলী, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আয়াত আলীর আগে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে শান্তি কমিটির সদস্য হিসেবে ঘৃণ্য দায়িত্ব পালন করা গোলাম রব্বানীর ছেলে কাজলকে স্থান দেয়া হয়েছে।

 

এব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম যুগের চিন্তাকে বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের বীর সেনা, রত্ন। একজন রাজকারের ছেলের দেয়া সংবধনায় কেন উপস্থিত হবে। যেখানে রাজাকারের ছেলে আছে সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের না যাওয়াই উচিত বলে মনে করি।

 

মুক্তিযোদ্ধারা এদেশের আপামর মানুষের ভালোবাসা ও স্যালুট পাচ্ছে, তাদের স্থান এদেশের মানুষের হৃদয়ে। রাজাকারের ছেলের কাছ থেকে তাদের সংবধনা কেন নিতে হবে। আমি মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে অনুরোধ জানাই তারা যেন রাজাকারের ছেলের দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে না যান।’

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন