Logo
Logo
×

রাজনীতি

বিএনপি একটি মিথ্যাবাদী ও ষড়যন্ত্রকারী দল: আবদুল হাই

Icon

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২২, ০৫:৪৯ পিএম

বিএনপি একটি মিথ্যাবাদী ও ষড়যন্ত্রকারী দল: আবদুল হাই
Swapno

নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই বলেছেন, আজকে বিএনপি'র নেতৃবৃন্দ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়। তারাতো স্লোগান দিবিই কারণ তারাতো স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না। কারন তারা মনে করেন জিয়াউর রহমানই সব । তারা ৭ই মার্চ পালন করে না। তারা ১৭ই এপ্রিল যে মুজিব নগর সরকার গঠন হয়েছি যে সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের আন্দোলন-সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ  হয়েছিল।

 

বিএনপি কিন্তু ১৭এপ্রিল পালন করে না। কেন তারা পালন করেন না ১৭ এপ্রিল তো সবার জন্য। তারা এর কোন জবাব দিতে পারবে না। কারণ তারা স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে নিয়ে রাজনীতি করে। বিএনপি একটি মিথ্যাবাদী ও ষড়যন্ত্রকারী দল। এন্টি আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতা বিরোধী কিছু সংখ্যক নেতাদের নিয়ে তার এই দলটি গঠন করেছে।

 

এই দলের জন্মেই হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। বঙ্গবন্ধুকে যদি হত্যা করা না হতো তাহলে এই দলের জন্ম হতো না। বিএনপি ইতিহাসকে অস্বীকার করে। ইতিহাসকে যারা অস্বীকার করে একদিন তাদেরকেই সবাই অস্বীকার করবে। আজকে তারা ইতিহাসকে অস্বীকার করে । দুর্নীতির দায়ে তাদের নেত্রী আজ কারাবন্দি। তার ছেলে বিদেশে থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিরুদ্ধে একেরপর এক মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্র করছে। 

 

বৃহস্পতিবার ( ১৭ মার্চ ) সকাল সাড়ে দশটায় শহরের দুই নং রেলগেইট আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।  এসময়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানার সু- স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। এর আগে বঙ্গবন্ধু জম্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

 

নারায়ণগঞ্জে রাজাকার ও শান্তি কমিটির লিস্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন আব্দুল হাই বলেন, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ নারায়ণগঞ্জ কারা রাজাকার ছিলেন কারা শান্তি কমিটিতে ছিলেন সবাই লিস্ট করেন। আজকের রাজাকারদের সন্তানেরা চেয়ারম্যান হচ্ছেন আমাদের সুইসাইড করা উচিত। ছিঃ তারা কিভাবে হয়।

 

কি কারণে তারা চেয়ারম্যান হবে আমাদের নৌকার লোক কি নাই। আমাদের সংগঠনই কি লোকের অভাব পড়ছে। আজকে ঘি জাকিরের মত লোকেরা নমিনেশন পেপার সাবমিট করে জামায়াতের লোকদের নিয়ে। আমাদের লজ্জা করা উচিত। আমরা কি স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তি হলাম। আমরা নেত্রীর কাছে যাবো এবং এর বিচার দিব।

 

কি কারণে নারায়ণগঞ্জে নৌকা হারে। যেখানে আওয়ামী লীগের জন্ম যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজ হাতে আত্মজীবনী লিখে গেছেন। নারায়ণগঞ্জে অহস্রবার এসেছিলেন। কেন সেই রাজাকারের সন্তানরা চেয়ারম্যান হয় আমরা থাকতে। আমি জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের নেত্রীর কাছে যাবো এবং এই বিষয়ে উপস্থাপন করব। 

 

ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে এ বিষয়টি জানিয়েছি। দলের সাধারণ সম্পাদক তিনিও জানেন। তারা নেত্রীর কাছে কতটুক বলেছেন তা আমরা জানিনা। আমরা সরাসরি নেত্রীর সাথে দেখা করে নারায়ণগঞ্জের এই সকল পরিস্থিতির সব কিছু জানাতে চাই। 

 

তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ মুক্তিযুদ্ধা সংসদ এর সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ আলী ও সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডা শাহজাহান ভূঁইয়া জুলহাস সাহেবকে নিয়ে আমরা বসসে কে মুক্তিযোদ্ধা কে শান্তি কমিটি কে আলবদর ছিল খুঁজে বের করব। এগুলো নিয়ে বিতর্ক চলছে।

 

যদি রাজাকার নাই থাকতো তাহলে অনেকেরই ফাঁসি হলো কিভাবে। রাজাকার যদি নাই থাকতো তাহলে এত মুক্তিযোদ্ধাদের কিভাবে হত্যা করা হলো। তারা কি এমনি এমনি হত্যা হয়েছিলেন। শহর ও গ্রাম পর্যায়ে যদি রাজাকার আলবদর ও শান্তি কমিটির লোকেরা না থাকতো তাহলে ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হতো না। 

 

তিনি আরও বলেন, যে মহামানবের জন্ম না হলে আমরা স্বাধীনতা পেতাম না। মহামানবের জন্ম না হলে ২৬ শে মার্চ হতো না । ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণই বাংলার স্বাধীনতার ডাক।  বঙ্গবন্ধুর ডাকে নিরস্ত্র বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল। এটাকে অস্বীকার করা যাবে না। আর ইতিহাসকে বিকৃত করা যাবে না।

 

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই'র সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক এম এ রাসেলের সঞ্চালনায় এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের  সাধারণ সম্পাদক এড. আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য এড. আনিসুর রহমান দিপু,

 

সাবেক নারী সাংসদ এড. হোসনে আরা বাবলী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এড. আসাদুজ্জামান আসাদ যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, উপ- দপ্তর সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক সরকার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নুর হোসেন, মহিলা সম্পাদিকা মরিয়ম কল্পনা, সদস্য আমজাদ হোসেন, মো. শহিদুল্লাহ,

 

শামসুজ্জামান ভাষানী, আবদুল কাদির ডিলার, শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া সাজনু,  মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি জুয়েল হোসেন, সদর থানা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন আহমেদ, সোনাকান্দা ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক মো. শাহজাহানসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ।

 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন