নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে
সাদ্দাম হোসেন শুভ
প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২২, ০৫:৩৬ পিএম
সংগ্রাম ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকার দিতে আওয়ামী লীগ সরকারকে বাধ্য করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক বিএনপির সংসদ সদস্য ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ গিয়াস উদ্দিন। তিনি বলেন, তা না হলে দেশের এই গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে বের হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ফতুল্লার পাগলা সিসিলি কমিউনিটি সেন্টারে সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু কাজে বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে গিয়াসউদ্দিন আরো বলেন,
যারা পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়ে একটি ফ্যাসিবাদি রাষ্ট্র তৈরি করেছে, এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদের কোনো বিকল্প নেই। সংগ্রাম ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে হবে। তাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের মতো তাদেরকে (তত্ত্বাবধায়ক সরকার) ক্ষমতা দিয়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সত্যিকার অর্থে জনগণের একটি প্রতিনিধিত্বকারী সংসদ এবং সরকার গঠন করা হবে।
তাহলে সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব হবে। জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করা সম্ভব হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে ফতুল্লা থানা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ শহীদুল ইসলাম টিটু বলেন, বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতায় এটা অত্যন্ত পরিষ্কার হয়ে গেছে, যদি একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন না হয়, তাহলে কখনও একটি সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা হয় না।
কখনও জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকার গঠিত হয় না। জনগণের যে সমস্যা তার সমাধান হবে না। গণতন্ত্র মুখের কথা নয় মন্তব্য করে শহীদুল ইসলাম টিটু আরো বলেন, গণতন্ত্র চর্চার বিষয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নির্মাণ করতে হলে গণতান্ত্রিক সংগঠন গড়ে তুলতে হয়। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্মাণ করতে হয়।
কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লুৎফর রহমান খোকার সভাপতিত্বে আজকে পরিকল্পতিভাবে বাংলাদেশকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করা হয়েছে উল্লেখ করে ফতুল্লা থানা বিএনপি নেতা হাজী শহীদুল্লাহ্ বলেন, পরিকল্পিতভাবে সব প্রতিষ্ঠানে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে, সেগুলোকে পুনরায় নির্মাণ করার সুযোগ করতে হবে।
জনগণের কাছে আমাদের আহ্বান থাকবে, আসুন আর কোনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নয়, দেশকে রক্ষা করার জন্য, গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে একটা দুর্বার সংগ্রাম গড়ে তুলি। যে সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে এই ফ্যাসিবাদি,
স্বৈরাচারী সরকার ও একনায়কত্ববাদী আওয়ামী লীগ সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারব। নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেকের সঞ্চালনায়, কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম,
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য রিয়াদ মোঃ চৌধুরী, কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ সুলতান মাহমুদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক তৈয়বুর রহমান, কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আমিন,
কুতুবপুর ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মাতবর, ফতুল্লা থানা জাসাসের সভাপতি আব্দুল লতিফ তুষার, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক ভিপি কবির, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুর রহমান মানিক, সোনারগাঁ থানা যুবদলের আহবায়ক সহিদুর রহমান স্বপন,
নারায়ণগঞ্জ জেলা জাসাসের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, ফতুল্লা থানা যুবদলের আহবায়ক মাসুদুর রহমান মাসুদ, ফতুল্লা থানা শ্রমিকদলের সভাপতি বাবুল আহাম্মেদ, ফতুল্লা থানা যুবদলের সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রানা, ফতুল্লা থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক ইসমাইল খাঁন, ফতুল্লা থানা সেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি মোঃ রবিন, আনিছুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান উজ্জ্বল সহ বিএনপির অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


