আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন হবে : সাখাওয়াত
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ১৭ মে ২০২২, ০৪:১৮ পিএম
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, এই সরকারের বিরুদ্ধে চুরান্ত আন্দোলনের মাধ্যমে আগামী তিন মাসের মধ্যে সরকারের পতন হবে । এই পতনের ক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ সবসময়ই সকল গনতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখেছে।
এবং স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে পরবর্তীতে যত গনতান্ত্রিক আন্দোলন হয়েছে সকল ক্ষেত্রেই নারায়ণগঞ্জ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। সরকারের বিরুদ্ধে সামনে যে আন্দোলন হবে এই আন্দোলনের জন্য নারায়ণগঞ্জ বিএনপি নেতা কর্মীরা প্রস্তুত আছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি নেতা সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, এই সরকারের অধীনে আওয়মীলীগ ছাড়া আর কেউ আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে চাচ্ছে না। এখন জনগনই তাদের আর চাইতাছে না। কারন জনগন কয়েকটা নির্বাচনে দেখেছে। পূর্ববতি নির্বাচন গুলোতে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। গুটি কয়েক ব্যক্তি ভোট দিলেও তার রেজাল্ট তারা পায় নাই। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপিকে ঢেলে সাজানোর জন্য কাজ করে যাচ্ছি। যে ভাবে ঢেলে সাজানোর দরকার ছিল সেভাবে আমরা এখনো সাজাতে পারি নাই।
আশা করি সামনে নারায়ণগঞ্জ মহানগরের প্রতিটি ইউনিট কমিটিকে আমরা ঢেলে সাজাতে পারবো। এই জেলার শহর বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। এখানে যদি সুষ্ঠ ও সঠিকভাবে আন্দোলন হয় তাহলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় এটার প্রভাব পড়বে। এড. সাখাওয়াত বলেন, বিএনপি হলো কর্মীবান্ধব দল। এই দলের নেতাদের মধ্যে নেতৃত্বে দিধাদন্ধ থাকতে পারে কিন্তু কর্মী সমর্থকদের মধ্যে কোনা ভেদাভেদ নাই।
তৃনমূল পর্যায়ের কর্মীরা ঐক্য বদ্ধ আছে। দেশের বেশির ভাগ মানুষ এখন এই সরকারের বিরুদ্ধে চলে গেছে। ক্ষমতাসীন দলের অনেক এমপি মন্ত্রীরা দেশের বাহিরে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যার জন্য এখন আগে থেকে ভিসা নিয়ে রাখছেন। সুতরাং জনগণের ঐক্যের মাধ্যমে এই সরকারের পতন হবে। আর এই পতনের ঘোষণা দেওয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জের বিএনপি প্রস্তুত আছে।
তিনি আরও বলেন, এখন এমপি মন্ত্রী হওয়া বা ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন আমাদের মধ্যে নাই। জনগণের ভোটের অধিকার তৈরি করা দেশের যে গণতন্ত্র চরিত্র হারিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ সে চরিত্রের মধ্যে দেশকে ফিরিয়ে আনা। দেশের মানুষের যে দ্রব্যমূল্যে যে ঊর্ধŸগতি খুন, ঘুম হত্যা এগুলো বন্ধ করার জন্য আমি মনে করি যে একটা বড় ধরনের আন্দোলন হবে যে আন্দোলনের পরে যে সরকার গঠন হবে।
আগামী নির্বাচন তত্তা¡বধায়ক সরকারের অধিনেই হবে। আমাদের পদ নিয়ে কোন কারাকারি নাই। মামুন মাহমুদ প্রসঙ্গে বলেন, কোনা রাজনৈতিক দলের নেতা কখানো একজন আরেকজনকে এমন হামলা জনীত কাজ করতে পারে না। আমি মনে করি তারা হামলার উপর সরকার দলীয় এমপিদের ইন্ধন রয়েছে। মহানগর কমিটি নিয়ে আমাদের আলোচনা চলছে।
যে কোনো সময় কেন্দ্রীয় নির্দেশে সম্মেলন বা কমিটি গঠন হবে। সারা বাংলাদেশেই এই কমিটি গঠণের কাজ চলছে। সেই সাথে দলকে শক্তিশালি করার জন্য দল গুছানোর কাজ চলতাছে। আমাদরে নারায়ণগঞ্জও এর ভিতরে রয়েছে। আশা করি জেলা ও মহানগরের কমিটিও হয়ে যাবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ারউর রহমানের শুধু বিএনপির নেতা কর্মী না পুরো বাংলাদেশের মানুষের মনিকোঠার মধ্যে রয়েছে।
এই সরকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ারউর রহমানকে বিতর্কিত করা জন্য অনেক সরযন্ত্র করেছে কিন্তু পারে নাই। তাদের ষরযন্ত্র জনগণের মধ্যে কোনো প্রভাব পরেনি। সামনে ৩০ শে মে শহীদ শহীদ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আপনারা দেখবেন এবার শুধু বিএনপি না সাধারণ জনগণও এটা পালন করবে। কেন্দ্র থেকে যে ধরণের প্রোগ্রামের কর্মসূচি আসবে আমরা তা যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করবো।


