# নির্বাচনপূর্ব আন্দোলনকে সামনে রেখে দল গুছাতে চাই : মশিউর রহমান রনি
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকনকে আহবায়ক এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান রনিকে সদস্য সচিব করে যে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে এই কমিটি এরই মাঝে জেলা ব্যাপী বিভিন্ন থানা এবং ইউনিয়ন কমিটি করার জন্য ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে।
কিন্তু তারা জেলা ব্যাপী কমিটি গঠনে চ্যালেঞ্জের মুখে পরেছেন বলে জানিয়েছে যুবদলের নেতাকর্মীরা। কারন বিভিন্ন থানায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা চান যুবদলকে তাদের পকেটে রাখতে। কাজী মনির, নজরুল ইসলাম আজাদ, আজহারুল ইসলাম মান্নান সহ নেতৃবৃন্দ তাদের নিজ নিজ থানায় নিজেদের পকেট কমিটি চাইছেন বলে জানিয়েছে যুবদলের নেতারা। তাই এই জেলায় এখন যুবদলকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে বলে মনে করেন তারা।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলায় যুবদলকে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসাবে গড়ে তোলা হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন মশিউর রহমান রনি। এই রনি সম্পর্কে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন তিনি এরই মাঝে দল ও দেশ প্রেমীক একজন ত্যাগী নেতা হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। নানা রকম জেল জুলুম হামলা মামলা কোনো কিছুর কাছেই তিনি মাথা নত করেননি।
ছাত্রদলের নেতৃত্বে থাকাকালে দলের পক্ষ্যে কথা বলার কারনে বার বার মামলা ও গ্রেফতারের শিকার হয়েছেন তিনি। কিন্তু শত জেল জুলুমের পরেও তিনি হার মানেননি। ছাত্রদলকে একটি শক্তিশালী অবস্থানে রেখে গিয়েছেন মশিউর রহমান রনি। তাই এবার তিনি জেলা যুবদলকেও একটি শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন বলে মনে করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ দলের নেতাকর্মীরা।
এদিকে এ বিষয়ে গতকাল মশিউর রহমান রনির সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি। তাই সকল প্রকার জুলুম অত্যাচারকে মেনে নিয়েই রাজনীতি করি। আপনারা জানেন বর্তমান সরকার কিভাবে জোর করে বছরের পর বছর রাস্ট্র ক্ষমতা দখল করে রেখে দেশে লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছে। দেশের মানুষের কোনো ভোটের অধিকার নেই, নেই কোনো কথা বলার অধিকার।
প্রশাসন, বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এমন কি মিডিয়াকেও ধ্বংস করেছে এই সরকার। তাই সরকারের সকল প্রকার দূর্ণীতি লুটপাটের কুফল ভোগ করছে গোটা জাতি। এক কেজি চালের দাম এখন সত্তুর টাকা, পৌনে দুই শ টাকায় কিনতে হয়েছে এক লিটার সয়াবিন তেল। আর গরুর মাংস খাওয়াতো দেশের মানুষ ভুলেই যাচ্ছে। তাই আমরা মনে করি অনেক হয়েছে, আর নয়।
এই সরকার আর বেশি দিন রাস্ট্র ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। বিএনপি সহ ছাত্রদল, যুবদল সর্বাত্বক প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই আমরা যতো তারাতারি সম্ভব এই জেলায় যুবদলকে আরো শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তির উপর দাড় করাবো ইনশাআল্লাহ। আমরা আশা করি সরকার আগামী নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করবে এবং একটি তত্বাবদায়ক সরকারে অধিনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।
অন্যথায় সারা দেশে তুমুল গণআন্দোলন গড়ে উঠবে। নারায়ণগঞ্জেও আমরা ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। তাই আমরা প্রত্যেকটি থানায় এবং পৌর সভায় যুবদলকে যতো তারাতারি সম্ভব শক্তিশালি সাংগঠনিক ভিত্তি দেবো ইনশাআল্লাহ।


