#খুব শ্রীঘ্রই হবে : মীর সোহেল
#আলোচনা চলছে, নতুনরা আসবে : ফাইজুল ইসলাম
নারায়ণগঞ্জের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ থানা ফতুল্লা। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একে তো এই অধিভুক্ত এলাকাটি শামীম ওসমানের নির্বাচনী এলাকার মধ্যে। উপরন্তু গুরুত্ব বিবেচনায়ও এই এলাকার জনপদের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এখানে আওয়ামী লীগের উল্লেখযোগ্য নেতাকর্মীর বসবাস। সম্প্রতি বিএনপি এখানে যতখানি শক্তিশালী হিসেবে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে তার ধারে কাছেও নেই আওয়ামী লীগ কিংবা এর অঙ্গসংগঠনগুলো।
বিশেষ করে ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগ, ফতুল্লা থানা যুবলীগ অনেকটাই নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। ফতুল্লা যুবলীগের সর্বশেষ কমিটি হয়েছে প্রায় দেড় যুগ আগে। দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ায় পুরনো নেতৃত্বে ঝিমিয়ে পড়েছে আর নতুনরাও রাজনীতিতে অনীহা প্রকাশ করছে। ফলে সামনের দিকে ফতুল্লায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব সংকটে ভুগবে বলে মনে করছে এখানকার তৃণমূল। তবে বর্তমানে দায়িত্ব থাকা নেতারা বলছেন, এই সম্মেলনের পরপরই ফতুল্লা যুবলীগের নতুন কমিটি আসবে।
তবে এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল আলী জানান, ফতুল্লা থানা যুবলীগের কমিটি হচ্ছেনা এটা আমাদের পদক্ষেপ নেওয়ার কিছুই নেই । এটা কেন্দ্রের থেকেই করবে কেন্দ্র যখন চাইবে তখনই হবে। তবে খুব শীঘ্রই হবে কমিটি। এতে নেতাকর্মীদের ক্ষোভ প্রকাশ করার মতো কিছুই নেই , কমিটি অবশ্যই প্রয়োজন এবং সব কমিটিই হয়ে যাবে । কেন্দ্রের থেকে নির্দিষ্ট সময়ে কমিটি দেওয়া হবে, তবে আমরা প্রস্তুত রয়েছি কেন্দ্র থেকে নির্দেশ আসলেই আমরা কমিটিটা করে ফেলবো।
এ বিষয়ে ফতুল্লা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফাইজুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অতি তাড়াতাড়ি প্রথমে ওয়ার্ড গুলোর কমিটি তারপরে ইউনিয়ন কমিটি করে থানা কমিটি পুর্নাঙ্গ করা হবে আরার কাউন্সিলের মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আমাদের যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারন সম্পাদক মাইনুল খান নিখিল এর নির্দেশে অতিসত্বে আমাদের কমিটিগুলো নতুন করে করা হবে। এখনো কোন তারিখ হয়নি আমরা এটা নিয়ে আলোচনাও করেছি। তবে আমার জানামতে ২৫ তারিখ পদ্মাসেতুর উদ্বোধনের পর হয়তো একটা তারিখ দেওয়া হতে পারে। আমরাও চাচ্ছি কমিটিটা খুব শীঘ্রই করে ফেলতে ।এমই/জেসি


