আমার অভিভাবক জননেত্রী শেখ হাসিনা : আনোয়ার হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২২, ০৭:৩০ পিএম
আমি প্রথমেই শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি যারা আওয়ামীলীগের নিবেদীত প্রাণ, যারা আওয়ামীলীগ করতে করতে জীবনের শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছে। আমি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট এই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান আমাদের জাতির পিতা শেখ মুজিব সহ স্বপরিবারে নিহত সকলের আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি। আসলে আমার সম্পর্কে যতটুকু আলাপ আলোচনা হয় আমি ততটুকু ব্যক্তি নয় আমি আসলে অত্যন্ত সাধারণ একজন মানুষ।
এক সময় ছাত্রলীগ করতাম ছাত্রলীগের কর্মী ছিলাম কর্মী থেকে নেতা হয়েছি। গতকাল বৃহস্পতিবার ( ২৩ জুন) বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও কেক কাটার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বের বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন এ কথা বলেন।
এসময় মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক এস.এম আহসান হাবিব এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, মহানগর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি শেখ হায়দার আলী পুতুল, মহানগর যুব মহিলা লীগের আহবায়ক নুরুন্নাহার সন্ধ্যা, মহানগর কৃষক লীগের আহবায়ক শাহজামাল খোকন, জেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইনুদ্দিন বাবুল।
আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, আমি নেতা হওয়ার পিছনে আমার অবদানই বেশী আমার নেতা আমি আমি যে যায়গায় আসছি আমার পরিশ্রমের কারণে আসছি। আজকে তো আমরা নেতা বানায় দেই আমার সেই সময় এই নারায়ণগঞ্জে কোন নেতা ছিল না কোন অভিভাবক ছিল না আমার অভিভাবক ছিল জননেত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা মনে করেছেন আনোয়ার হোসেনকে দুই জায়গায় রাখা দরকার তিনি রেখেছেন রাজনীতির সুযোগটা তিনি আমাকে করে দিয়েছেন। ১৯৭৫ এর পর আমি যখন জেল খেটে বের হয়েছি ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্টের পর এই মাঠে কেউ ছিল না আমি ছাড়া আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগ যুবলীগ সহ যারাই ছিল কেউ মাঠে ছিল না সেদিন আমরা প্রতিবাদ করেছিলাম।
সেদিন আমি সহ ছাত্রলীগ ছাত্র ইউনিয়ন ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টি এই সমস্ত দল নিয়েই তখন বাকশাল তৈরী হয়েছিল তাদেরকে নিয়েই আমি প্রতিবাদ করেছিলাম মাঠে ছিলাম তখন আওয়ামীলীগের কেউ মাঠে ছিল না। আজকে অনেকেই বলেন ৭৫এর পর আমরা অনেক কিছু করেছি ৭৭এর পর আমি যখন জেল থেকে বের হয়েছি ছাত্রলীগের দায়িত্ব নিয়েছি তখনও আমি মাঠে নেমেছি।
আজকে অনেকেই বাকশাল করত সে অমুক করত তমুক করত যারা বলত এগুলো করত আজকে তিনি করছে সেটা আমার প্রশ্ন? ১৯৭৫ এর আজকে যারা বড় নেতৃত্বের দাবিদার হয় আজকে রাজনীতি করছেন তারা নানান রকম প্রশ্ন তুলে তখন তাদের অবস্থান কি ছিল। আজকে আমাদের আনন্দের দিন আমরা কেক কাটব আমরা বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করব। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে অনুসরণ করে আমরা দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যাই।
১৯৭৫ সালের পর তৎকালীন স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান এই বাংলাদেশকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিল। তিনি করতে চেয়েছিল এই বাংলাদেশকে অকার্য্যকর রাষ্ট্র করার চেষ্টা করেছিল। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ব্যর্থ অকার্যকর প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন তিনি। ১৯৭৫ এর পর এই দেশকে পিছনের দিকে নিয়ে যেতে চেষ্টা করেছিল ১৯৭৭ সালে আওয়ামীলীগ আন্দোলন সংগ্রাম করলেও ১৯৭৯ সালে নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীও খুজে পাওয়া যাচ্ছিল তখন প্রার্থী হয়েছিল আলী আহম্মেদ চুনকা তৎকালীন পৌর পিতা।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামীলীগের সহসভাপতি নুরুল ইসলাম চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ কামাল দেওয়ান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক গাজী আব্দুর রশিদ, ত্রাণ ও জনকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমান, কার্যকরী সদস্য সদস্য উত্তম কুমার সাহা, শামীম খান, সাখাওয়াত হোসেন সুমন, আছিয়া আক্তার সুমী, ১৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে সাধারণ সম্পাদক আনিস আহমেদ, ১৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে সাধারণ সম্পাদক কবির হোসাইন, আওয়ামী লীগ নেতা সোহরাব, ১৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মামুন ভূইয়া সহ প্রমূখ।এসএম/জেসি


