ফতুল্লার চার ইউনিয়নে নেতাকর্মীদের অনেকেই হতাশ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২২, ০৮:৩৩ পিএম
ফতুল্লায় বছরের পর বছর ধরে চারটি ইউনিয়নে কোনো সমেম্মলন হচ্ছে না। এতে এই থানায় সাংগঠনিক ভাবে আরো দূর্বল হয়ে পরেছে আওয়ামী লীগ। আর এই চারটি ইউনিয়ন হলো কুতুবপুর, ফতুল্লা, এনায়েতনগর ও বক্তাবলী। এসব ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান এবং থানা আওয়ামী লীগের শীর্ষ দুই নেতার গাফিলতির কারনেই এসব ইউনিয়নে কোনো নির্বাচন হচ্ছে না।
এছাড়া এসব ইউনিয়নে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা আসিন হতে চান তারাও আরো অনেক আগেই হতাশ হয়ে পরেছেন। তাদের দাবি চারটি ইউনিয়নেই সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক পদে যেহেতু একাধিক প্রার্থী রয়েছেন তাই সাইফ উল্লাহ বাদল এবং শওকত চেয়ারম্যানের উচিৎ এসব ইউনিয়নে সম্মেলন দেয়া। সম্মেলন দিয়ে ভোটাভোটির মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা। কিন্তু রহস্যজনক কারনে সাইফ উল্লাহ বাদল এবং শওকত চেয়ারম্যান কোনো সম্মেলন করতে চাইছেন না। যার ফলে ফতুল্লা থানা এলাকায় নতুন নেতৃত্ব গড়ে তোলার ব্যার্থতার দায়ও তাদেরকেই বহন করতে হবে বলে এই দলের অনেকে মনে করেন। এদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে প্রথমত সাইফ উল্লাহ বাদল এবং শওকত আলী অনেকটা স্বার্থপরের মতো আচরন করছেন। কারন তারা দুইজন নিজেদের জন্য পদ বাগিয়ে নেয়ার পর আর কোনো দায়িত্ব পালন করছেন না। এখন তারা হাটঘাটের ইজারা সহ বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে ব্যাস্ত রয়েছেন। এরা দুইজনেই এখন বহু টাকার মালিক। তাই দল নিয়ে তাদের আর কোনো আগ্রহ নেই।
অপরদিকে আরো একটি সূত্র জানিয়েছে এই দুই নেতা এখন বার্ধক্যজনিত রোগ সহ নানা রকম রোগে ভূগছেন। সাইফ উল্লাহ বাদল ঘর থেকেই বের হন না। আর শওকত আলীকে কিছুদিন পরপরই হাসপাতালে ভর্তি হন। ফলে এসব নানা কারনে ইউনিয়ন কমিটিগুলি গঠনে সাইফ উল্লাহ বাদল এবং শওকত আলীর ব্যর্থতা চরম ভাবে ফুটে উঠেছে মনে করেন আওয়ামী লীগের ফতুল্লা থানা এলাকার নেতাকর্মীরা।এমই/জেসি


