স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটিতে চমক আসছে
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৪৫ পিএম
# উপজেলা কমিটিগুলো আগে ঘোষণা হতে পারে
টানা তিন মেয়াদ ধরে ক্ষমতায় রয়েছে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। আর এই দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও তাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গসহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর শাখায় তেমন একটা শক্তিশালী হতে পারছে না।
শক্তিশালী না হওয়ার পিছনে প্রধান কারণ হিসেবে মনে করছেন দীর্ঘ আট মাস কমিটি না থাকা। আর এতে করে ঝিমিয়ে পরছে দলীয় নেতারা। তবে যারা পদে আসতে চাচ্ছেন তারা তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে দলীয় নেতা কর্মীদের সক্রিয় রাখছেন। একই সাথে দলের নানা কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটিতে আসার জন্য একঝাক নেতৃবৃন্দ মাঠে নেমে কাজ করে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরী করছেন। একই সাথে দলীয় নানা কর্মসুচি পালনের মাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম তুলে ধরছেন। পাশা পাশি যারা পদ-পদবীর মাধ্যমে নেতৃত্বে আসতে চান তারা কেন্দ্রীয় নেতাদারে সাথে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন।
দলীয় একটি সূত্র জানান, আগষ্ট মাস শোকের মাস থাকার কারনে সাংগঠনিক কার্যক্রম হয় নাই। এই সেপ্টেম্বর মাসকে দলীয় সাংগঠনিক উর্বরতা হিসেবে ঘোষনা করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। নারায়ণগঞ্জের ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বলছেন জেলা মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটিতে এবার নতুনদের মুখ আসছে। যারা নেতৃত্বে আসছে তারা চমক নিয়ে আসছে। কিন্তু কেন্দ্র থেকে কমিটি ঘোষনা না হওয়া পর্যন্ত তাদের নাম বলা যাচ্ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, এই বছরের শুরুতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সকল থানা এবং ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
যা বর্তমানে কমিটি বিহীন আছে নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ। ২০০৩ মতান্তরে ২০০৬ সালে আহবায়ক ও ৫ জন যুগ্ম আহবায়কসহ মোট ১০১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
এতে আহ্বায়ক করা হয় নিজাম উদ্দীনকে এবং যুগ্ম আহবায়ক করা হয় ফিরোজ হোসেন, আব্দুল মতিন মন্টু, গোলাম কিবরিয়া খোকন ও শাহাজাদা প্রধান বাবুলকে। তাদের ওই আহবায়ক কমিটি দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৮ বছর পার করলেও পূর্নাঙ্গ হয়নি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি।
অন্যদিকে ২০১৭ সালের ২০ জুলাই শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি বিলুপ্ত করে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠন করা হয়। তখন সভাপতি করা হয় মো. জুয়েল হোসেনকে যিনি বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সিটি করপোরেশনের ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহম্মেদ দুলাল প্রধান।
তাদের অধীনে বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠনে তেমন একটা উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি। তবে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মো. জুয়েল হোসেন অনেকবারই ঘোষণা দিয়েছেন যে কিছুদিনের মধ্যেই থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে। কিন্তু কার্যত সেই ঘোষণার বাস্তবতা পরিলক্ষিত হয় নাই। তবে জেলা মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নতুন কমিটিতে যারা আসবে তারা পূর্বের কমিটি ভুল করবে না বলে জানান।
দলীয় একাধিক নেতৃবৃন্দ জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটিতে সভাপতি পদে আসতে একাধিক নেতা দৌড়ঝাঁপ করছে। তার মাঝে সবাই তরুন প্রজন্মের পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিত। তবে এবার জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগে কমিটিতে পদে আসার জন্য নতুন প্রার্থীই বেশি।
কেন্দ্র থেকে পুরাতনদের না দেয়ার সম্ভাবনা বুঝতে পেরে নতুনরা মাঠে নেমেছে। নতুন প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন, সোনারগাঁয়ের কৃতি সন্তান ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওআওয়ামীলীগের উপকমিটির সাবেক সহ সম্পাদক ছগীর আহম্মেদ সভাপতি পদ পেতে দৌড়ঝাঁপ করছেন।
এবং তিনি দলের দুঃসময়ে আন্দোলন সংগ্রামে ঢাকায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছে। সেই সাথে জেল জুলুম খেটে দলের অনেক নির্যাতন সহ্য করেছে। তাই তিনি সভাপতি পদে দায়িত্ব পাবেন বলে আশাবাদী।
তার সাথে পিছিয়ে নেই সোনারগাঁয়ের আরেক কৃতি সন্তান সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ও থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম। তিনিও জেলার স্বেচ্ছাসেবকলীগে সভাপতি হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন।
এই নেতা দলের দুঃসময়ে একাধিকবার জেল খেটেছেন। বিএনপির ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে মিথ্যা মামলায় কারাবরণ করেন। দলের জন্য ত্যাগ শিকার করেছে। কারা বরণ করার পরেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে সরে যাননি। তার দাবি দল তাকে মূল্যায়ন করবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগে পদে দায়িত্ব পাবেন বলে আশাবাদী।
অন্যদিকে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জামির হোসেন রনি সভাপতি পদে দলীয় ফরম পূরণ করে আবেদন করেছেন। তিনিও ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক আহবায়ক কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছে।
তাছাড়া কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ সম্মেলনে তিনি কাউন্সিলর ছিলেন। দলের জন্য জামাত বিএনপি ক্ষমতার সময় মিথ্যা মামলা খেয়ে জেল খেটেছেন। তাই দল তাকে মূল্যায়ন করবে বলে তিনি আশাবাদী।
তাদের সাথে পুরান মুখ হিসেবে পিছিয়ে নেই জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক গোলাম কিবরিয়া খোকন। তিনি বিভিন্ন নেতার সাথে যোগ সাজস করে দৌড়ঝাঁপ করে যাচ্ছে।
অপর দিকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটিতে তরুন মুখ হিসেবে একঝাঁক নেতৃবৃন্দ মাঠে নেমেছে। তারাও দলীয় কর্মসূচি পালনে কোন দিক দিয়ে পিছিয়ে নেই। মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটির সভাপতি পদে আসার জন্য তৃনমূল নেতা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করে কাজ করছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক।
তিনি দলীয় কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে তৃনমূল নেতৃবৃন্দকে সক্রিয় রাখছেন। তিনি বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতার সময় দলের জন্য জেল জুলুম খেটেছেন। সেই সাথে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। তাই দল তাকে মূল্যায়ন করে সভাপতি পদে দায়িত্ব দিবে বলে তিনি আশাবাদী।
তার সাথে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক আহবায়ক কমিটির সদস্য কায়কোবাদ রুবেল ও পিছিয়ে নেই। তিনিও তার অবস্থান থেকে দলীয় কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন। তিনিও আশাবাদি সভাপতি পদে তিনি দায়িত্ব পাবেন। তবে দলের মাঝে গুঞ্জন রয়েছে জানে আলম বিপ্লব নামের এক নেতার নাম আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে গুঞ্জন উঠেছে।
তবে পূর্বের জেলা মহানগর কমিটি নিয়ে তৃনমূলের নানা অভিযোগ রয়েছে, কেননা পূর্বে তারা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের থানা পর্যায়ে কমিটি দিতে পারেনি। এতে তাদের ব্যর্থতার দায়ভার এড়িয়ে যেতে পারেন না। তাদের সাথে মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটিতে যারা দায়িত্ব পালন করেছে তারাও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
কেননা অভিযোগ রয়েছে তারা মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি দিতে পারেন নাই। যার ব্যর্থতার দায়ভার তারা এড়িয়ে যেতেন পারেন না। নতুন কমিটিতে আসার জন্য তরুন একাধিক নেতা দলীয় কর্মসূচিতে সরব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
একাধিক নেতা অভিযোগ তুলেন, আগের কমিটিতে যারা দায়িত্ব পালন করেছে তারা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে ব্যর্থ হয়েছেন। আর এজন্য এবার তাদের কপাল পুড়তে পারে। অন্যদিকে নতুন মুখ হিসেবে জেলা মহানগরের যারা নেতৃত্বে আসতে চান তারা দলীয় কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে কেন্দ্রের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন।
তারা প্রত্যেকেই আশাবাদী কেন্দ্র তাদের মূল্যায়ন করে সভাপতি পদে দায়িত্ব দিবেন। তবে জেলায় ৪ জন সভাপতি পদ হতে চাইলেও ১ জন সভাপতি হবেন। কিন্তু কেন্দ্র যাকে যোগ্য মনে করে সভাপতি পদে দায়িত্ব দিবে তারা তাকেই মেনে নিবে। অপর দিকে মহানগর ৩ জনের নাম রয়েছে। কিন্তু ১ জন সভাপতি হবেন।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ও ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছগীর আহম্মেদ বলেন, আমি বিএনপির সরকারের আমলে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। তখন থেকে তৃনমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সাথে মিলে কাজ করেছি।
সেই সাথে নেতা কর্মীদের মনজয়ের চেষ্টা করেছি। কেননা নেতা হলে সবার আগে কর্মীদের খোজ খবর নিতে হবে। তাহলে নেতা হওয়ার আশা করা যায়। দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে সব সময় রাস্তায় মিছিল মিটিং করেছি। গোলাম কিবরিয়া খোকনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। তবে কেন্দ্রীয় নেতারা যে ভাবে ভালো মনে করবে ওই ভাবে তারা কমিটি দিবে। তারা চাচ্ছে নারায়ণগঞ্জে তৃনমূল থেকে স্বেচ্ছাসেবকলীগকে শক্তিশালী করার জন্য।
জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম বলেন, আমি কলেজ ছাত্রলীগ থেকে শুরু আমি যখন যে সংগঠনে কাজ করেছি তখন দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। আমি কলেজ ছাত্রলীগ করেছি, থানা ছাত্রলীগ করেছি, থানা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছি, সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের সাথেও সম্পৃক্ত আছি। তাই কেন্দ্র যদি আমাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি পদে দ্বায়ীত্ব দেয় আমার শতভাগ সততা এবং নিষ্ঠা দিয়ে আমি আমার দলকে সাজাতে পারবো বলে আমি বিশ্বাস করি।
তিনি কমিটি প্রসঙ্গে বলেন, দলকে শক্তিশালী করতে হলে দলের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। আর এজন্য আমি মনে করি নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ কমিটি দ্রুত হওয়া উচিৎ। দলের জন্য সর্বদা ত্যাগ করেছি। কখনো দল থেকে কোন সুবিধা নেই নাই।
এমনকি জেল জুলমের মাধ্যমে নির্যাতিত হয়েও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে সরে যাইনি। নেতা-কর্মীদের খোঁজ খবর রেখেছি। তাদের পাশে থেকেছি। আমাকে সভাপতি পদে দায়িত্ব দিলে সকলকে নিয়ে শক্তিশালী কমিটি গঠন করতে সক্ষম হবো।
জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আরেক সভাপতি পদপ্রার্থী জামির হোসেন রনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছি। তাছাড়া ২০১৯ সনের স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলনে আমি নারায়ণগঞ্জ থেকে কাউন্সিলর হিসেবে ছিলাম। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দায়িত্বে থাকাকালীন স্বচ্ছতা এবং দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি।
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ চাচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক লীগকে ঢেলে সাজানোর জন্য। আর এজন্য তারা প্রতিটি ইউনিয়ন থানা উপজেলা পর্যায়ে আগে কমিটি গঠন করে জেলা মহানগর কমিটির গঠন করতে চান। আমরা মনে করি এতে দল অনেক শক্তিশালী হবে।
মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, আমরা চাই দলকে শক্তিশালী করার জন্য নতুন কমিটি গঠন হোক। তবে কেন্দ্রীয় নেৃতৃবন্দ আমাদের জানান, ঢাকা মাহনগরে প্রতিটি ওয়ার্ডে আগে কমিটি গঠন করা হচ্ছে; পরে মহানগর কমিটি। তখন কর্মীরাও মাঠে ময়দানে থেকে দলের জন্য অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে পারবে।
জানে আলম বিপ্লব জানান, ‘আমাকে এলাকার সকলে যুবলীগ নেতা হিসেবে জানে। আমি স্বেচ্ছাসেবকলীগ পদের আসার বিষয়টি জানি না।’ এন.এইচ/জেসি


