Logo
Logo
×

রাজনীতি

বিএনপির গণজাগরণের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাইড লাইনে কালাম-তৈমূর

Icon

রাকিবুল ইসলাম

প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০২ পিএম

বিএনপির গণজাগরণের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাইড লাইনে কালাম-তৈমূর
Swapno

 

# ফ্রন্টলাইনে সাখাওয়াত

 

চেনা ছকেই চলছে রাজনীতি। নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব, শহীদ মিনার, চাষাঢ়া বালুর মাঠ কিংবা অন্য কোনো মিলনায়তন প্রতিবাদ সভা, দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি তেল সহ নানা ইস্যুর প্রতিবাদে সক্রিয় হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর বিএনপি। সেই সাথে মানুষের দাবী আদায়েও সভা সমাবেশ করে মাস ছয়েক আগে থেকে দল গোছানোর কাজও চলমান আছে বিএনপির। 

 


নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর বিএনপিতে এখন একটা জাগরণ তৈরী হয়েছে। এই গণজাগরনে বর্তমানে অনেক নেতদৃবৃন্দ লাইম লাইটে থাকলেও বিএনপির গুটি কয়েক নেতা এখনও সাইড লাইনে আছে। তবে তাদের মাঝে কয়েকজন নেতা লাইম লাইটে থাকার কথা থাকলেও তারা এখন বৈকায়দায় রয়েছে। 

 


এর মধ্যে জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এড. তৈমুর আলম খন্দকার, মাহনগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটি এম কামাল, মহানগর বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, আতাউর রহমান মুকুল, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মাকসুদুল আলম খোরশেদ অন্যতম ।

 


এদের মাঝে তৈমুর আলম খন্দকার এবং এটিএম কামাল দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে নাসিক নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করায় তাদের দল থেকে বহিস্কার করা হয়। রাজনৈতিক বোদ্ধামহলের মতে, বিএনপির জাগরণের সময়ে তারা এখন ফ্রন্ট লাইনে না থেকে সাইড লাইনে পরে  আছে। 

 


এদিকে খোঁজ নিয়ে জানাযায়,গত কুরবানির ঈদের পর থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে নানা দাবী নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর বিএনপি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সেই সাথে জেলা মহানগরের অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে নেতা কর্মীরাও সুসংগঠতি হচ্ছে। দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ থেকে শুরু করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে বিএনপি একাধিক প্রতিবাদ সভা করেছে চাষাঢ়া শহীদ মিনারে। 

 


সেই থেকে গত ১ সেপ্টেম্বর জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জেলা মহানগর বিএনপি শহরে র‌্যালী করতে গেলে পুলিশ প্রশাসন তাদের বাধা প্রদান করে। পরবর্তিতে পুলিশ বিএনপি নেতা কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করে। যার প্রেক্ষিতে বিএনপি নেতা কর্মীরাও পুলিশের উপর ইটপাটকেল ছুড়েন। 

 


এই ঘটনায় উভয় পক্ষের মাঝে প্রায় দেড় ঘন্টা ধাওয়া, পাল্টা-ধাওয়া চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চার ঘন্টা লেগে যায়। পুলিশের সাথে বিএনপির সংঘর্ষে যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ হয়ে শাওন নিহত হয়। বিএনপি নেতা-কর্মীদের দাবী পুলিশের গুলিতে যুবদল নেতা শাওন নিহত হন।

 


অন্যদিকে জেলা মহানগর শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মাঝে মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান; যুবদল নেতা শাওন আহত হলে তাকে দ্রুত হাসপতালে নিয়ে যান। সেই সাথে পুলিশের হাতে ধাক্কা খেয়ে নিজেও আহত হন। এই ঘটনায় দলের নেতা-কর্মীদের পাশে থেকেছেন বিএনপির এই নেতা। 

 


একই সাথে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মাঝে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মনরিুল ইসলাম রবি, সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, আজহারুল ইসলাম মান্নান, মাহনগর বিএনপি নেতা হান্নান মামুন, যুবদল নেতা সাগর প্রধান মহানগর যুবদলের আহবায়ক মন্তু, সদস্য সচিব সজল সহ ছাত্র দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল এবং বিএনপির কয়েকশত নেতৃবৃন্দ আহত হন।  

 


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. আবুল কালামকে এখন তেমন একটা নেতা-কর্মীরা পাশে পান না। তিনি বেশির ভাগ সময় অসুস্থ থাকেন। তার সাথে রয়েছেন বিভিন্ন ইস্যুতে বিতর্কিত হয়ে মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মাকুসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আতাউর রহমান মুকুল, দলীয় জাগরণের সময় সাইডলাইনে পড়ে আছে। তাদের প্রতি নেতা-কর্মীরাও অনেকটা নাখোশ হয়ে আছে। 

 


সাধারণ তৃনমূল নেতা-কর্মীরা এই প্রতিবেদককে বলেন, এখন সুখে-দুঃখে আমরা যাদের পাশে পাই; বিপদে পড়লে অন্তত প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন; সেই সকল নেতারাই যেনো আগামী দিনে দলের নেতৃত্বে থাকেন; দলের হাই-কমান্ড যেন এই প্রেক্ষাপটগুলো বিবেচনা করেন এবং পর্যবেক্ষণে রাখেন। এন.এইচ/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন