Logo
Logo
×

রাজনীতি

আসছে জেলা যুবলীগের কমিটি

Icon

ইফতি মাহমুদ

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০৫ পিএম

আসছে জেলা যুবলীগের কমিটি
Swapno


 # আমরা কিছুদিনের মধ্যে বর্ধিত সভা করব: কাদির

#  দলের প্রয়োজনে কর্মী হিসেবে আছি : নিপু

# কমিটি না হওয়ায় সিনিয়ররা যুবলীগে আসতে পারে নাই: সানি



বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনগুলোর মধ্যে আওয়ামী যুবলীগকে সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যেহেতু যুবলীগ অঙ্গসংগঠন সে হিসেবে মূলদলের সহায়ক হিসেবে কাজ করার কথা থাকলেও কিন্তু নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগে ঘটেছে বিরল ঘটনা।

 

 

দীর্ঘদিন মেয়াদহীন ভাবে নারায়ণগঞ্জে যুবলীগ পরিচালিত হওয়ার কারণে সংগঠনের প্রধানরা মূলদলের গুরুতপূর্ণ পদে আসীন হওয়ার কারণে এমন একটি প্রেক্ষাপট দাঁড়িয়েছে যারা যুবলীগ তারাই এখন আওয়ামীলীগ। অবশেষে এই বিরল ইতিহাসের অবসান ঘটতে যাচ্ছে নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে এমনটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে এই সংগঠনে নেতৃত্ব থাকা নেতাদের সাথে কথা বলে।

 


দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে জেলা আওয়ামী যুবলীগের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যে দীর্ঘ ১৭ বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও মেয়াদহীন জেলা যুবলীগের কমিটি গঠন হয়নি। বেশ কয়েকবার যুবলীগের কমিটি গঠনের গুঞ্জন উঠলেও এখন পর্যন্ত কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি।

 

 

যুবলীগের নেতৃত্ব আসতে চাওয়া নেতারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল কয়েকবারই কিন্তু নানা কারণে কমিটি না হওয়ার কারণে তারা আবার মুখ থুবড়ে পড়ে। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতির পদ আঁকড়ে আছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুল কাদির।

 

 

সূত্র জানায়, এক সময় সাংসদ শামীম ওসমানের বলয়ে থেকে তিনি রাজনীতি করতেন কাদির এবং শামীম ওসমানের সুবাদেই তিনি জেলা যুবলীগের সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভীর বলয়ে রাজনীতি করছেন।

 

 

অপরদিকে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক পদে রয়েছেন। তিনি সাংসদ শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবেই সর্ব মহলে পরিচিত। এই সংগঠনটি বিএনপির জোট সরকার আমল থেকে শুরু করে ১/১১ পর্যন্ত দলের কঠিন সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে বেশ ভূমিকা রেখেছিল।

 

 

কিন্তু ২০১৭ সালে জেলা আওয়ামীলীগের কমিটি গঠন হওয়ার পর থেকেই নেতৃত্ব শূন্য হয়ে পড়ে যুবলীগ কমিটি। এরপর প্রায় ৫ বছর অতিবাহিত হলেও চোখে পড়েনি জেলা যুবলীগের কোন কর্মকাণ্ড। কিন্তু জেলা যুবলীগের নতুন নেতৃত্বে আসতে চাওয়া নেতারা দলীয় বিভিন্ন কর্মকান্ডে স্বত্বঃফূর্ত ভাবে জেলা যুবলীগের ব্যানারে অংশগ্রহণ করে জেলা যুবলীগ সংগঠনটি টিকিয়ে রেখেছেন।

 

 

কমিটি নতুন নেতৃত্বে আসতে চাওয়া নেতারা জানায় যেহেতু র্দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগের কমিটি হয় না সে হিসেবে সিনিয়র বহু নেতা পদহীন রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে গতি ফেরাতে যোগ্য নেতৃত্ব চায় এবং যুবলীগকে ঢেলে সাজাতে চায়; নতুন নেতৃত্বে আসতে চাওয়া নেতারা।

 


নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কাদির জানায়, কেন্দ্র থেকে আমাদের অবহিত করা হয়েছে ৫দিন আগে। আমরা কিছুদিনের মধ্যে বর্ধিত সভা করব। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে জেলার কমিটির আওতাধীন যে থানা কমিটিগুলো বাকী রয়েছে; সেগুলো কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের নির্ধারণ করে দেয়া সময়ের মধ্যে কমিটি গঠন করতে হবে। থানা কমিটিগুলো সব গঠন হলেই সম্মেলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে জেলা যুবলীগের কমিটি।


 
নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু জানায়, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা থাকলে বর্তমান জেলা কমিটি জানবে। কমিটি গঠনের বিষয়ে বলেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ দলের প্রয়োজনে যাকে ভাল মনে করবে সেই নেতৃত্বে আসবে। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। সামনে যদি আমাকে সভাপতি হিসেবে এই দলের দায়িত্ব দেয়া হয়; দায়িত্ব দিলেও আছি দায়িত্ব না দিলেও দলের প্রয়োজনে কর্মী হিসেবে আছি, থাকবো।

 


নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সাফায়েত আলম সানি জানায়, ইতিমধ্যেই দেশব্যাপী যুবলীগের সম্মেলনগুলো হচ্ছে নারায়ণগঞ্জে বর্ধিত সভা হওয়ার কথা কিছুদিন আগে শুনেছি আমরা এই বর্ধিত সভাকে সাধুবাদ জানাই।

 

 

বর্ধিত সভা হওয়ার পর হয়ত বা নারায়ণগঞ্জ যুবলীগে আসতে চাওয়া নেতাদের নিকট থেকে প্রার্থীদের আবেদনপত্র চাওয়া হবে। দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ার কারণে অনেক সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা যুবলীগে আসতে পারে নাই; তাই তাদের বয়সের কনিষ্ঠ হওয়ার কারণে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যুবলীগে প্রার্থী হিসাবে আবেদন করবো; দল যোগ্য মনে করে দায়িত্ব দিলে, দায়িত্ব পালনের যথাযথ চেষ্টা করবো। এন.এইচ/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন