# ইমেজ ক্ষুন্ন হওয়াতেই তার এই নীরবতা
নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের একনিষ্ট নেতা সাংসদ শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা। নানা সময়ে নানা আলোচনায় থাকে তার নাম। নানা ধরণের বিভক্ত সহ বেফাঁস বক্তব্যের মাধ্যমে অনেক ইমেজ ক্ষুন্ন হয়েছে এই খোকন সাহার।
তিনি তার বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে বলে থাকেন ‘সব ইতিহাস জানি, বলে দিব।’ কিন্তু এখন পর্যন্ত কিছু বললেন না এই নেতা। সূত্রে জানা যায়, গত ২০২১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী বন্দরে এক সভার বক্তব্যে খোকন সাহা বলেছিলেন, ‘সব বলে দিব, মুখ খুইলেন না। শহরের ৫০ বছরের ইতিহাস আমি জানি। অনেককেই ভুলে গেছেন আমি ভুলি নাই।
৭৫’র পর থেকে শামীম ওসমানের সাথে রাজনীতি করি এবং আমরা দল করতে এসেছি। তিনি আরো বলেছিলেন ৭২ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির জনকের সরকারের কিছু বদনাম হয়েছিল, নারায়ণগঞ্জে ও তার ব্যতিক্রম নয়। নারায়ণগঞ্জে কাদের কাদের কারণে বঙ্গবন্ধুর সরকারের বদনাম হয়েছিল সব কিন্তু বলে দিব। সবশেষে তিনি বলেন আগামী মার্চের পর থেকেই সব বলতে শুরু করবেন।
এরপর গত ২০২১ সালের মার্চে বন্দরের আরেকটি সভার বক্তব্যে বলেছিলেন, বলে দিব বাহাত্তুর সালে মুক্তিযোদ্ধা না হয়ে ও কারা এ অঞ্চল লুট করেছিল। আমি সব বলে দিব, বেশি বাড়াবাড়ি করবে না। লুটেরার দল ও লুটের গোষ্ঠী যারা আছেন, আমি বলে দিব।’
এরপর ২০২১ সালের ২৭ মার্চ নিতাইগঞ্জে নাগিনা জোহার স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে এই খোকন সাহা বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘এই শহরের ৫০ বছরের ইতিহাস আমি সব বলে দিব। আমি জানি শহীদ হওয়ার আগ পর্যন্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান আত্ম নিয়োগ করেছিলেন দেশ গঠনের জন্য। আমি জানি ৭২ ও ৭৫ পর্যন্ত কারা লুটতরাজ করে বঙ্গবন্ধু সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করিয়েছে; কারা করিয়েছে আমি জানি সব বলবো মার্চের পর।’
এভাবেই একের পর এক সভা সমাবেশে খোকন সাহা বলে আসছিলেন মার্চের পর সব বলবেন। কিন্তু ইতিমধ্যে দেড় বছর পেরিয়ে গেল। কিন্তু খোকন সাহার জানা কথাগুলো আর জনগণের জানা হলো না। এ নিয়ে শহরজুড়ে খোকন সাহাকে নিয়ে রয়েছে, বিভিন্ন ধরনের আলোচনা সমালোচনা। নেতা-কর্মীরা বলেন, ‘এই কথা গুলো বলে দাদা সর্বদা আলোচনায় থাকতে চায়, তার ইতিহাস চর্চা সবার কাছে নতুন কিছু নয়।’ এন,এইচ/জেসি


