Logo
Logo
×

রাজনীতি

ভূমিকা ও আমলনামা নিয়ে মুখোমুখি মহানগর বিএনপি

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৬:৩৪ পিএম

ভূমিকা ও আমলনামা নিয়ে মুখোমুখি মহানগর বিএনপি
Swapno


 
# সাখাওয়াত তাদের ব্যর্থতার ফসল : টিপু
# একটি ওয়ার্ডের মেম্বার দেখান জ্বালাটা বুঝবেন : আশা
 

দলের প্রতি ভক্তি এবং মহানগর বিএনপির সাবেক কমিটির কোন নেতা দলের জন্য কতটুকু ভূমিকা রেখেছিলেন তা নিয়ে আগে তেমন একটা কথা না হলেও এখন উঠে আসতে শুরু করেছে তাদের আমল নামা। এর আগে বিভিন্ন মিডিয়া এবং তৃণমূল থেকে অভিযোগ আসলেও নেতারা কোন কথা বলেননি। কিন্তু এখন পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হওয়ায় সব তথ্যই উঠে আসছে।

 

 

বর্তমান আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ পদত্যাগকারীদের বিরুদ্ধে দলের জন্য কোন কাজ না করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের অভিযোগ আনেন। একই সাথে পদত্যাগকারীরাও তাদের অবদান এবং বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সব কিছু মিলিয়ে মহানগর বিএনপির রাজনীতিতে এক অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে।

 

 

একপক্ষ বলছেন পদত্যাগকারীরা দলের কোন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ না করে সরকারী দলের সাথে আঁতাত করেছেন। পদত্যাগকারীদের অভিযোগ দলের জন্য তারা হামলা মামলাসহ বিভিন্ন নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন, ধন-সম্পদ খুইয়েছেন। কিন্তু অপরপক্ষ সরকারী দল থেকে সুবিধা নিয়ে অর্থ কামিয়েছেন।
 
মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, তারা এখন বড় বড় কথা বলছেন, তারা এই পাঁচ বছর কয়টি কর্মসূচী পালন করেছে। তাদের আজকের স্পীড যদি আগে থাকতো তাহলে সাখাওয়াতের জন্ম হতো না। সাখাওয়াত এখানে যে এসেছে তা, তাদের ব্যর্থতার ফসল।

 

 

তারা গত ৫ বছর দলের জন্য কি করেছে। তারা কোন কর্মসূচীতেও অংশগ্রহণ করেনি। আমি ব্যানার থেকে শুরু করে মঞ্চের সব ধরণের কাজ করেছি। তারা শুধু জামাইয়ের মতো এসে বক্তব্য দিয়ে গেছে। তাদেরকে প্রশ্ন করেন তারা কেন এতদিন লোক সমাগম করাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

 


 
বিএনপি নেতা ও নাসিকের সাবেক কাউন্সিলর হান্নান সরকার বলেন, বন্দরের বিএনপি নেতা নুরুদ্দিন ও আতাউর রহমান মুকুলের নেতৃত্বে ত্রাণের জন্য তোলা দেড় লাখ টাকা দিল আমার কাছে। ঈদের দুই দিন আগে তারা ব্যস্ত থাকায় সেদিন থাকতে পারেনি, আমাকে পাঠিয়েছিল। আমি আওলাদ হোসেন ও সেন্টুসহ ঐ দুই চোর (সাখাওয়াত হোসেন ও টিপু) আমাদের নিয়ে গেল। সেখানে সবার ছবিও তুললাম।

 

 

কিন্তু সেখান থেকে আমার ছবিটাকে কেটে দিল। মুকুল ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করলো তোমার ছবি কেন আসলো না। এই টিপু আমার ছবি কেটে দিয়েছে। এতেই বুঝা গেছে তারা কুচক্রিভাবে নেতৃত্ব তৈরি করতে দেয়নি। বুঝা যায়, যারা তাদের পকেটে টাকা দিবে তাদেরকেই তারা নেতৃত্ব দিবে।

 


 
বিএনপি নেতা নাসিক কাউন্সিলর আবুল কাউসার আশা বলেন, আপনি এখন একজন আইনজীবী হয়েছেন, আপনি কোর্টে খবর নেন আমাদের একেকজনের বিরুদ্ধে মামলা কয়টি। আর আপনি বিএনপির এত বড় একজন নেতা এই ১৫ বছরে আপনার বিরুদ্ধে মামলা কয়টি। আমার জানা মতে দুইটি মামলা ছিল, সিস্টেম করে একটি থেকে নাম কাটিয়েছেন, আরেকটি আছে, আপনারা এত ত্যাগী নেতা হয়ে গেছেন। আমাদের অবস্থা এমন যে, আমরা যদি ভাল আঁকতে পারতাম তাহলে জেল খানার ভিতরটা কেমন তা-ও এঁকে বুঝিযে দিতাম। এতটাই মুখস্ত হয়ে গেছে। আমার এই বয়সেই আমি চারবার জেল খেটেছি।

 

 

যারা এখন বড় বড় কথা বলে তারা বিভিন্ন দল ঘুরে এসেছে। এমপিদের সাথে যদি আপনাদের সম্পর্ক না হতো তাহলে তাদের কাছ থেকে কীভাবে দুই কোটি টাকা নিলেন। এমপিদের সাথে কাদের সম্পর্ক ভালো তা সবাই জানে। আমাদের সাথে সম্পর্ক ভালো থাকলে প্রথমবারের নির্বাচনে জোর-জবরদস্তি ফেল করাতো না। আমাকে গ্রেফতার করার পর কি পরিমান নির্যাতন করা হয়েছে তা আপনারা জানেন। আমাদের সামনে যখন ত্যাগের কথা বলে তখন লজ্জা লাগে কষ্ট হয়।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন