Logo
Logo
×

রাজনীতি

আ.লীগ নেতা বিরুদ্ধে পাহাড় পরিমাণ অভিযোগ

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২২, ০৬:০৪ পিএম

আ.লীগ নেতা বিরুদ্ধে পাহাড় পরিমাণ অভিযোগ
Swapno


# আলী নুরকে সভাপতি মানতে নারাজ স্থানীয় নেতারা
# নেতা হওয়ার আগেই ক্ষমতার দাপট দেখায়



নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগে নিয়ে এখন পুরো শহর পেরিয়ে জেলা জুরে আলোচনা চলছে। আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী আলী নুর মোল্লাকে নিয়ে এখন সমালোচনার ঝড় বইছে।

 

 

কেননা অভিযোগ উঠেছে ঠাকার বিনিময়ে তিনি ই্উনিয়নের সভাপতি হতে যাচ্ছেন। আর এজন্য তৃনমূল আওয়ামী লীগ নেতারা তা মেনে নিতে পারছেন না। কেননা তার নেতৃত্বে স্থানীয় নেতারা ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতি করেন নাই।

 

 

এছাড়া আলী নুর মোল্লার কর্মকান্ড নিয়ে এলাকারবাসির অভিযোগ রয়েছে। সেই সাথে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি আলীরটেক ইউনিয়নের সাবেক বর্তমান চেয়ারম্যানদের প্রভাব বিস্তার করে এলাকায় অসহায় মানুষের সাথে ক্ষমতার দাপট দেখান।

 

 

অনেকটা নেতা গিরি বলা চলে। এদিকে গত রোববার নারায়ণগঞ্জের দৈনিক যুগের চিন্তায় ২০ লাখে সভাপতি ১৫ লাখে সম্পাদক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর পুরো শহর জুরে তা নিয়ে সমালোচনার ঝর বইছে।

 

 

এছাড়া মঙ্গলবার শাক দিকে মাছ ঢাকতে আলী নুরের দৌরঝাপ সংবাদ প্রকাশিত হয়। অর্থাৎ এই ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হবে তা তিনি মানতে নারাজ।

 

 

তাল ভাষ্যমতে তিনি কোন টাকা দেন নাই। কিন্তু তার ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তি জানান, তিনি জেলার আওয়ামী লীগের দায়িত্বরত শীর্ষ নেতার কাছে টাকা দিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ বাছাই কৃত নেতা কর্মীদের নিয়ে চাইনিজ খাওয়ান।

 

 

তবে তৃনমূল নেতারা বলছেন আলী নুর মোল্লা টাকার বিনিময়ে নেতা বনে যাবেন আরে তৃনমূল নেতা কর্মীরা তা চেয়ে দেখে আঙুল চুষবে না। তারা তাকে মেনে নিবে না বলে জানান স্থানীয় একাধিক নেতৃবৃন্দ।

 


সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসির সাথে কথা হলে স্থানীয়রা জানান, এই আলী নুর মোল্লা আলীরটেক পুরান গোগনগর এলাকার দলিল লিখক মুজিদ মুন্সির ছেলে। তিনিও দলিলক লিখক হয়ে অনেক টাকার মালিক বনে গেছেন।

 

 

আলীরটেক আওয়ামী লীগের প্রবীন এক নেতা জানান, এই আলী নুর মোল্লা আওয়ামী লীগে পদের জন্য ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত নুরুজ্জামান সরকারের কাছে এসে বসে থাকতেন।

 

 

তার আশীবার্দেই তিনি সদর থানা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক পদ পান। তিনি সভাপতি প্রার্থী হলেও আজ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা নুরুজ্জামান সরকারের জন্য একটি দোয়া অনুষ্ঠান করতে পারেন নাই। এটাকে তৃনমূল নেতা কর্মীরা তাদের ব্যর্থতা মনে করছেন।

 


এছাড়া গোগনগর এলাকার একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে জানান, আলী নুর মোল্লা পুরান গোগনগর পঞ্চায়েত কমিটির প্রধান পরিচয় দেন। অথচ পুরান গোগনগর পঞ্চায়েত প্রধান হলেন আমির হোসেন। এর আগেও তিনি সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে থেকে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেছে।

 

 

এবারও সোলম পাল্টিয়ে ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের কাছের লোক বনে গেছেন। শুধু তাই নয় তার প্রভাব বিস্তার করে এলাকায় বিভিন্ন অর্পকর্ম করে যাচ্ছে। যা আগেও করেছে। তাছাড়া তিনি সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমানের অনেক অপকর্মের স্বাক্ষী।

 


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোগনগর এলাকার এক ব্যক্তি জানান, তার বিরুদ্ধে নারী ঘটিত ঘটনার অভিযোগ রয়েছে। এলাকার নারীদের প্রতি তিনি অন্যরক ভাবে দৃষ্টি দেন বলে জানান। এছাড়া পুরান গোগনগর বাজার মসজিদের কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য তিনি পায়তারা করে যাচ্ছেন।

 

 

এখানে দীর্ঘ দিন যাবত কমিটি বিলুপ্ত করে এই মসজিদের কমিটিবিহীন করে রাখছে। আর এর নেপথ্যে রয়েছে এই আলী নুর মোল্লা। আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার আগেও তার নজর মসিজদ কমিটিতে পরেছে।

 

 

তাই সচেতন মহল বলছে এই সকল ব্যক্তি নেতৃত্বে দলের পদে আসলে দলের যেমন ভাবমূর্তিক্ষুন্ন হবে তেমনি সমাজরে জন্য ক্ষতি হবে। কেননা তারা টাকার বিনিময়ে পদ পেলে কিভাবে সেই টাকা কামাইবো সেই চিন্তাই মগ্ন থাকবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। তবে  তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

 

 

এবিষয়ে আলী নুর মোল্লার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমি বাবুল গাও সমাজের পঞ্চায়েত প্রধান। কয়েকটি গনমাধ্যমে লিখতে গিয়ে তারা ভুলে পুরান গোগনগর পঞ্চায়েত প্রধান লিখে ফেলছে।    এন.এইচ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন