জেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন সাদিয়া আফরিন
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২২, ১১:৪৪ পিএম
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচনে ১ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত বই মার্কার প্রার্থী যিনি তিনি হলেন ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান ও আওয়ামী লীগ পরিবারের পুত্রবধু সাদিয়া আফরিন বাবলী ও তার স্বামী ছিলেন সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সফল সভাপতি ও তিনি নিজেও নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের আহ্বায়কের দায়িত্বে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই প্রার্থী পূর্বে ও জেলা পরিষদের একজন সফল সদস্য হিসেবে পরিচিত।
জেলা পরিষদের নির্বাচন প্রসঙ্গে ১নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত বই মার্কার প্রার্থী সাদিয়া আফরিন বলেন, আমার বাবা বক্তবলী ইউনিয়ন পরিষদের চারবার নির্বাচিত একজন সফল চেয়ারম্যান ও আমার শশুর ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের একজন জনপ্রিয় কমিশনার আমার বাশুর ও সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তাই একজন রাজনীতিবীদ পরিবারের দিক থেকেই জনপ্রতিনিধিদের সাথেই আমার পথ চলা বেড়ে উঠা। সে হিসেবে জনগণের কাজ করার লক্ষে মূলত আমি নির্বাচনে এসেছি ও জেলা পরিষদটাকে আমি আমার প্লাটর্ফম হিসেবে বেছে নিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, আমার আওতাধীন ১২টি ইউনিয়ন রয়েছে। তার মধ্যে প্রত্যেকটা ইউনিয়নে আমি খুব ভালো অবস্থা দেখেছি। উন্নতি হচ্ছে কিন্তু অবহেলিত যে ইউনিয়নগুলো আমি দেখেছি। ওই ইউনিয়নগুলো নিয়ে কাজ করার আমার ইচ্ছা আছে। যেমন আলীরটেক, গোগনগর, মুছাপুরা, ধামঘরসহ সকল ইউনিয়নে আমার যাওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি ইউনিয়নে আমি কাজ করেছি। কিন্তু গতবার আমি যে ইউনিয়নগুলোতে কম কাজ করেছি। এবার আমার ইচ্ছে সেই ইউনিয়নগুলো নিয়ে কাজ করা।
আর আমার ইউনিয়নগুলোতে যারা বেকার রয়েছে আমি তাদের উদ্দেশ্য বলতে চাই। আমি যদি নির্বাচিত হয়ে জেলা পরিষদের সদস্য হই তাহলে প্রত্যেকটা ইউনিয়নে আমার পরিকল্পনা আমি গতবার দেখেছি আমাদের জেলা পরিষদ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জিনিস দেওয়া হয় এর মধ্যে একটি ধরলাম সেলাই মেশিন আমার ইচ্ছা হলো আমি একটি প্রশিক্ষন কেন্দ্র খুলে সেখানে প্রশিক্ষন দিয়ে আমি যদি সেলাই মেশিনটা দেই। তাহলে আমার মনে হয় যারা এই সেলাই মেশিনটা পেল তাদের অনেক কাজে লাগবে। এই প্রশিক্ষন কেন্দ্রে অনেক প্রকারের হাতের কাজের প্রশিক্ষন দেওয়া হবে সবাইকে সাবলম্বি করার জন্য এই প্রশিক্ষন কেন্দ্র খোলার আমার ইচ্ছা আছে।
তিনি আরো বলেন, আমার যারা প্রতিদ্বন্দী রয়েছে তারা সবাই বয়সে আমার মুরুব্বী তাদেরকে আমি ছোট করে দেখবো না। তারা সাবাই যারাযার অবস্থান থেকে সবাই সাবলম্বি ও যোগ্য জেলা পরিষদের নির্বাচনে এসেছেন। যেহেতু নির্বাচনটা একটি গনন্ত্রাতিক প্রক্রিয়া সেই দিকে সম্মান জানিয়ে আমি তাদেরক নির্বাচনের আমন্ত্রন জানাচ্ছি। আর আমি যদি কোনভাবে নির্বাচনে নির্বাচিত না হই তখন যে নির্বাচিত হবে তার সাথে আমার পরামর্শ মিলিয়ে জেলা পরিষদের সকল কাজে অংশ গ্রহন করবো।
আর আমার পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্য সবাই আমাকে পুরোপুরি সার্পোট দিচ্ছে। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য যা করা লাগে তারা সবাই আমার জন্য তাই করবে। আর জননেত্রী শেখ হাসিনা যেভাববে দেশকে গড়ার লক্ষ্যে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে আর আমরা জননেতা শামীম ওসমানের আদলে রাজনীতি করি। আর আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষে কাজ করবো।
আমার নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণায় জনগন ও ভোটারদের পর্যাপ্ত পরিমান সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আমি আশা করছি সুষ্টুভাবে ভোটের মাধ্যমে আমার বই প্রতিক বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। ইনশাআল্লাহ।


