Logo
Logo
×

রাজনীতি

মহানগর বিএনপির অনৈক্যে বহিষ্কৃত তৈমূর

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২২, ০৫:২৬ পিএম

মহানগর বিএনপির অনৈক্যে বহিষ্কৃত তৈমূর
Swapno


# মহানগরের বিশৃঙ্খল পরিবেশে আশ্রয় খুঁজছে তার কর্মী-সমর্থকরা


বাংলাদেশে বিরোধীদল বিএনপি বর্তমানে সবগুলো সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনকে তাদের আন্দোলনে যুক্ত করে তৃনমূলে জনগণকে সক্রিয় করার মাধ্যমে বিভাগীয় পর্যায়ে মহা সমাবেশ করা শুরু করেছে।

 

 

এই সমাবেশে নির্দলীয় সরকারের অধীন আগামী নির্বাচন, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন এবং খালেদা জিয়ার পরিপূর্ণ মুক্তি দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।

 

 

ইতোমধ্যে চট্রগ্রামে মহা সমাবেশ করার মাধ্যমে তা শুরু করেছে। এদিকে গত ছয় মাস যাবত নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর এিনপি জ্বালানি তেল বৃদ্ধি, দ্রব্য মূল্যের দাম বৃদ্ধি সহ সরকার বিরোধী আন্দোলনে শহরের চাষাড়ায় একাধিক সমাবেশ করেছে।

 

 

 

সমাবেশ গুলোতে জেলা বিএনপি এক সাথে বাস্তবায়ন করলেও মহানগরে আহবায়ক কমিটি হওয়ার পর এখানে দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে আছে। তার মাঝে একটি গ্রুপ হলো কেন্দ্র ঘোষিত আহবায়ক কমিটি। যা সাখাওয়াত টিপুর নেতৃত্বাধীন হয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে।

 

 

 

আরেকটি গ্রুপ হলো এই আহবায়ক কমিটি বিরুদ্ধে গিয়ে পদত্যাগকারী নেতারা। তবে তাদের নিদিষ্ট নেতৃত্ব না থাকলেও এদের পাশে আছেন সাবেক জেলা বিএনপির আহবায়ক বহিস্কৃত তৈমূর আলম খন্দকার।

 

 

মহানগর বিএনপির একাধিক নেতা জানান, পদত্যাগকারী নেতা কর্মীদের দলে কিংবা পদে ফিরিয়ে আনার জন্য মহানগর বিএনপির কয়েকজন নেতা কাজ করছেন; কিন্তু সেই কাজে কেরোসিন তেল ঢালেন বহিস্কৃত তৈমুর আলম।  

 

 


অন্যদিকে দলীয় সূত্রে জানাযায়, মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটি হওয়ার পর প্রথম সপ্তাহে চাষাঢ়া বিক্ষোভ সমাবেশ করে শক্তি প্রদর্শনর করেন। ওই সমাবেশ সাফল্যের সাথে মহানগর বিএনপির আহবায়ক সাখাওয়াতের নেতৃত্বে বাস্তবায়ন হয়।

 

 

 

পরে গত ৬ অক্টোবর মহানগর আগবায়ক কমিটি এবং পদত্যাগকারীরা পৃথক ভাবে কেন্দ্র ঘোষিত শোক র‌্যালী পালন করেন। কিন্তু রাজনৈতিক বোদ্ধা মহল মনে করেন আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে এখনি ঐক্যবদ্ধ হতে হবে; অন্যথায় তাদের এই ভুলের জন্য নিজেদের পস্তাতে হবে।  

 

 


অভিযোগ উঠেছে, মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য একটি গ্রুপ যখন কাজ শুরু করেছে। তখনি এর মাঝে কেরোসিন নিয়ে হাজির হন জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক বহিস্কৃত তৈমূর আলম। ঐক্যবদ্ধ না হওয়ার পিছনে আলাদা একটি শক্তি তৈরী করার জন্য পদত্যাগ কারীদের নিয়ে তৈমূরের বাসায় গোপন মিটিং হয়।

 

 

 

এমনকি যুবদল নেতা মাকসুদুল আলম খোরশেদের বাসায়ও পদত্যাগকারীদের নিয়ে বৈঠক হয়। তৈমূর আলম খন্দকার দলের সিদ্বান্তের বাহিরে গিয়ে নির্বাচন করায় দল থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়। তাই তার পাল্লা ভারী করার জন্য বা পদত্যাগ কারীদের নিয়ে দলকে বিভক্ত করার কাজে নেতৃত্ব দিতে চাচ্ছেন তিনি; এমন অভিযোগ তুলেছেন খোদ দলের একটি অংশ।

 

 

 

কেননা পদত্যাগকারীরা প্রথমে কোন নেতৃত্ব না পাওয়া তারা এক হয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন করার জন্য একটা আলোচনা চলছিল। দলের আরেকটি অংশের অভিযোগ তৈমূর আলমের কারণে তা হচ্ছে না।

 

 

 

তিনি বহিস্কার হয়ে দলের বিভাজনে ইন্ধন দিচ্ছে বলে অভিযোগ। তাই সচেতন রাজনৈতিক বোদ্ধা মহল মনে করছেন, মহানগর বিএনপির অনৈক্যে সৃষ্টির কারিগর বহিস্কৃত তৈমূর আলম। এই বিষয় গুলো মহানগর বিএনপি কেন্দ্রকে অবহিত করেছে।

 

 

  
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতা জানান, ‘দলের মাঝে বিভাজন থাকতে পারে। কিন্তু তা আলোচনা সাপেক্ষে সমাধানও হয়। তবে সেই বিভাজনে যখন কেউ কেউ এসে কেরোসিন তেল ঢালে তাহলে তা আরও বিস্তৃত ও ব্যপক হয়। তবে আগমাী নির্বাচনের আগে দলকে শক্তিশালী করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প কোন রাস্তা দেখছেন না সচেতন রাজনৈতিক মহল। এন.এইচ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন