Logo
Logo
×

রাজনীতি

উত্তরে শীতল হাওয়া, উষ্ণ আমেজ

Icon

রাকিবুল ইসলাম

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২২, ০২:১৮ পিএম

উত্তরে শীতল হাওয়া, উষ্ণ আমেজ
Swapno


# সম্মেলনের আগে জেলা পরিষদের ফলাফলকে বিজয় হিসেবে দেখছেন তারা

# সম্মেলনেও শতভাগ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান তারা

 

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন পরবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচনের মনোনয়নের আগ পর্যন্ত কঠিন সময় পার করেছে শামীম ওসমান পন্থিরা। তাদেরকে গত আট মাস এক হতাশাময় সময় পার করতে হয়েছে।

 

 

কিন্তু নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকল হতাশা কাটিয়ে আপাতত ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের অনুসারিরা।

 

 

আর তা হলো জেলা পরিষদ নির্বাচনে শামীম ওসমানের বন্ধু ও মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি বাবু চন্দন শীল নৌকা প্রতীক মনোনয়ন পাওয়ায়। নেতা কর্মীদের মাঝে বলাবলি হচ্ছে শামীম ওসমানের কারিশমায় চন্দন শীল নৌকা প্রতীক পেয়েছে।

 

 

অথচ গতবার নৌকা প্রতীক নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ থেকে বিনা ভোটে চেয়ারম্যান হন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন। বিশেষ করে গত ১০ অক্টোবর বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম নাসিম ওসমান সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতায় ওসমান পরিবারের অবদান স্মরণ করেছেন। সে বক্তব্য শুনে এমপি সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমানকে চোখের জল ফেলতে দেখা গেছে।

 

 


অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচনে শামীম ওসমানের অনুসারী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চন্দনশীলের মনোনয়ন শামীম অনুসারিদের মধ্যে যেন এক নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে। সেই সাথে সদ্য অনুষ্ঠিত হওয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই একজন ছাড়া সকল সদস্যই পদে শামীম ওসমানের অনুসারিরা জয়ী হয়েছেন।

 

 

আর এতে করে ওসমান শিবির এখন আরও ফুরফুরে আছে। দিন যতোই যাচ্ছে ততোই ওসমান অনুসারীদের দুঃসময় কাটিয়ে সু সময়ে আসছে তারা। জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে লটারীর মাধ্যমে মেয়র আইভী অনুসারী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম  সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেনকে পরাজিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান জয়ী হন।

 

 

এখানে মজিবর সাংসদ শামীম ওসমানের অনুসারী হয়ে ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতি করেন। তাকে জয়ী করার জন্য সাংসদ শামীম ওসমান প্রভাব বিস্তার করে বলে অভিযোগ তুলেন বিপক্ষ প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন। তার আগে সোমবার ভোট গ্রহণের দিন তারা ১৫ ভোট পেয়ে সমানে সমান হন।

 

 

 

পরে গতকাল লটারির মাধ্যমে মজিবর জয়ী হন। এছাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জেলা পরিষদ সদস্য পদে ৯৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন মাসুম আহমেদ। তিনি এমপি সেলিম ওসমান এবং শামীম ওসমানের আশীবার্দে জয়ী হয়েছেন বলে জানান খোদ নিজ দলীয় নেতা কর্মীরা।

 

 

 

যদিও তার বিপক্ষের প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন এমপি শামীম ওসমানের অনুসারি তবে তিনি এই সাংসদের আশীর্বাদ পান নাই বলে মনে করছেন দলীয় নেতারা। তাছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ড সোনারগাঁ থেকে জাতীয় পার্টির নেতা জয়ী হলেও তিনি সেলিম ওসমানের অনুসারি। সেই সাথে শামীম ওসমান অনুসারি হিসেবেও পরিচিত।

 

 

 

তবে ওসমান পরিবারের আশীর্বাদে এমপি হওয়া লিয়াকত হোসেন খোকা তাকে জয়ী করার জন্য ব্যকআপ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া সংরক্ষিত ১ নম্বর সদস্য পদে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী ও সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফায়াত আলম সানির সহধর্মিনী সাদিয়া আফরিন জয়ী হন।

 

 

 

তিনিও সাংসদ শামীম ওসমানের আশীর্বাদ নিয়ে নির্বাচেন প্রার্থী হন। সেই আশীর্বাদে জয়ী হয়ে যান। এছাড়া আড়াই হাজার এবং রূপগঞ্জের জয়ী প্রার্থীরাও এখন শামীম ওসমান পালে হাওয়া মিলাচ্ছে। অর্থাৎ সব কিছু মিলিয়ে এবারের জেলা পরিষদ যেন সাংসদ শামীম ওসমানের মন মত হয়েছে।

 

 

 

তাই শামীম শিবির এখন ফুরফুরা মেজাজে সময় আছেন। তবে তাদের এই ফুরফুরে মেজাজ কতদিন স্থায়ী থাকবে সেটা পরিলক্ষিত বিষয়। কারণ আর কিছুদিন পরেই নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

 

 

আর এই সম্মেলনে তাদের অগ্রাধিকারের উপর ভিত্তি করে ফুরফুরে মেজাজের স্থায়ীত্ব নির্ভর করবে। অন্যথায় তাদের এখানেই থেমে যেতে হবে।

 

 


দলীয় সূত্র বলছে, চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই শামীম অনুসারীরা অনেকটাই ভেঙ্গে পরেন। কারণ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নে তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি।

 

 

 

দলীয় মনোনয়ন বাগিয়ে নেন তাদের বিপরীত পক্ষের নেতৃত্বে থাকা বর্তমান মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। যা তাদের জন্য অনেক কষ্টের কারণ ছিল। ফলে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তারা অনেকটাই নীরব ভূমিকায় ছিলেন।

 

 


কিন্তু শামীম ওসমানের এই নিরবতাকে ভালভাবে নেয়নি সিটি নির্বাচন সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা শামীম ওসমানের উপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে শামীম ওসমানকে বাধ্য করা হয় সংবাদ সম্মেলন করে শামীম ওসমানের অনুসারীদের মাঠে নামার ঘোষণার দেয়ার জন্য। শুধু এতে সীমাবদ্ধ থাকেনি।

 

 

 

একের পর এক শামীম অনুসারিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সহযোগি সংগঠনের কমিটিগুলোও ভেঙ্গে দেয়া হয়। শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও মহানগর ছাত্রলীগের কমিটিগুলো ভেঙ্গে দেয়া হয়। যে কমিটিগুলোর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে ছিলেন শামীম অনুসারিরা। কিন্তু এসকল কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে শামীম ওসমানের শক্তিকে কমিয়ে দেয়া হয়।

 

 


তাছাড়া গত সিটি নির্বাচনী জয়ী হয় বর্তমান মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। যিনি শামীম ওসমানের ঘোর বিরোধী হিসেবে পরিচিত। সেই সাথে নির্বাচন পরবর্তী কয়েক মাসের জন্য একেবারে নিরব হয়ে যান শামীম অনুসারিরা। এরপর সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে পবিত্র হজ্ব পালন করতে চলে যান শামীম ওসমান।

 

 

 

হজ্ব থেকে ফিরেই শামীম ওসমান আবারও রাজনীতির মাঠে ফিরতে শুরু করেন। বিগত বছরের তুলনায় এবারের ১৫ আগস্ট শোক দিবসে বেশ তৎপর দেখা যায় তাকে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় সভা সমাবেশ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ঘোষণা দেন বিশাল সমাবেশের।

 

 

 

যেখান থেকে তিনি ঘণ্টা বাজাবেন বলে জানান। আর এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন জায়গায় সভা করেন। আর এসকল সভায় বিএনপি ও প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে সতর্ক করতে থাকেন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে টানা কয়েকদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ জেলাজুড়ে চলে প্রস্তুতি।

 

 

 

সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা, শহর ও বন্দরে এলাকায় সমাবেশ করে দাওয়াত দিয়ে আসেন শামীম ওসমান। সেই সাথে গত ২৭ আগস্ট বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিশাল জনসমাগমও হয়। যদিও সমাবেশে কোনো নতুন বার্তা ছিল না। একই সাথে সভায় শীর্ষ পর্যায়ের দায়িত্বশীল কোনো নেতার উপস্থিতি দেখা যায়নি। তবে তার বিশাল শোডাউনের উদ্দেশ্য তিনি সফলতা পেয়েছেন।

 

 


এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচন ঘনিয়ে আসে। আর এই জেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন নিয়ে অনেক আলাপ আলোচনা শুরু হয়। মনোনয়নের প্রত্যাশায় অনেকেই মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। তবে প্রত্যাশা ছিল জেলা পরিষদের এবারের নির্বাচনেও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন দলীয় মনোনয়ন পাবেন।

 

 

যিনি সে সময়ে শামীম ওসমানের নিয়ন্ত্রণে বাইরে ছিলেন। কিন্তু সকলকে অবাক করে দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের মনোনয়ন বাগিয়ে নিয়ে আসেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি চন্দনশীল। যিনি শামীম ওসমানের একান্ত সহযোগি হিসেবে পরিচিত।

 

 

আর চন্দনশীলের এই মনোনয়ন শামীম ওসমানের অনুসারিদের জন্য নতুন এক সুখের বার্তা নিয়ে আসে। যে বার্তায় শামীম অনুসারীদের সকল হতাশা কাটিয়ে নতুনভাগে জাগ্রত করে তুলে। মূলদল সহ সহযোগী সংগঠনের কমিটিগুলোতে তাদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দেয়।

 

 


এদিকে আগামী ২৩ ও ২৫ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। বর্ধিত সভাতে শামীম ওসমানের অনুসারিদের প্রত্যাশা ছিল সম্মেলনের ভেন্যু যেন ওসমানী স্টেডিয়াম নির্ধারণ করা হয়।

 

 

 

এতে দ্বিমত ছিলেন তাদের বিরোধী পক্ষ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শামীম ওসমানের অনুসারিদের মতামতই প্রাধান্য পায়। সেই সাথে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের ভেন্যু নির্ধারণ করা হয় শহরের ইসদাইর এলাকার ওসমানী স্টেডিয়াম।

 

 


অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা শহরের দুই নং রেলগেইট এলাকার আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হলেও মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয় নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে। জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রভাবশালী মন্ত্রী, মেয়র, এমপি ও নেতারা উপস্থিত থাকলেও একদিনের ব্যবধানে শামীম ওসমানের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে মহানগরের সভার আয়োজন করা হয় অভিজাত নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে।

 

 

 

সেই সাথে সভায় সকলেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে শামীম ওসমানের বন্দনা করেছেন। সবশেষ গত ৬ অক্টেবর রাতে শহরের ইসদাইরে নারায়ণগঞ্জ ওসমানী স্টেডিয়ামে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর শামীম ওসমান সহ তার অনুসারীদের বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেছে। যেন তারা ধীরে ধীরে হতাশার অতীত ভুলে যেতে শুরু করছেন।

 

 


সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শামীম ওসমান বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রসঙ্গে বলেন, আগামী ২৩ তারিখ জেলা ও ২৫ তারিখ মহানগর আওয়ামীলীগের সম্মেলন। ইতোমধ্যে আমি কেন্দ্রীয় নেতাদের বলেছি এখনো বলছি ত্যাগীদের মূল্যায়ন করুন।

 

 

মাথা থেকে পা পর্যন্ত যারা আওয়ামী লীগার তাদের মূল্যায়ন করুন। মূল্যায়ন মানে শুধুই পদ পদবি বা টাকা নয়, সম্মান দিতে হবে। তার অনুসারী চন্দনশীলের দলীয় মনোনয়ন প্রসঙ্গে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে কর্মীদের মূল্যায়ন করেন পছন্দ করেন, ভালোবাসেন সেটা তিনি বার বার উদহারণ দেখিয়েছেন। তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ চন্দন শীল।

 

 

 

তার দুই পা নেই, বোমা হামলায় পঙ্গু হয়েছেন। শেখ হাসিনা তাকেই জেলা পরিষদের মনোনয়ন দিয়েছেন। এই মনোনয়ন তৃণমূলের সকল ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মনোনয়ন। তাছাগড়া আগামী ২৩ অক্টোবর জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতাদের পরে অতিথিদের তালিকায় নাম রাখা হয় সাংসদ শামীম ওসমানের।

 

 

 

আর এনিয়ে দলের একটি অংশ ক্ষোভ প্রকাশ করলেও তাদের মতামতকে কোন প্রাধান্য দেয়া হয় নাই। এমপি শামীম ওসমানের নাম উপরের তালিকায় রেখে তার পরে প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা মেয়র আইভীর নাম রাখা হয়। এছাড়া তারও পরে নাম রাখা হয় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর নাম। সেই সাথে তিনি একজন বীর প্রতীকও বটে।

 

 

 

তিনি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও তাকে প্রধান্য না দিয়ে একজন সাংসদকে প্রধান্য দিয়েছে বলে অভিযোগ খোদ দলীয় নেতা কর্মীদের। যদিও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে আলোচনা করে তারা এই নামের তালিকা সংশোধন করে নিবে বলে জানান জেলার দায়িত্বে থাকা শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। কিন্তু তা কথা পর্যন্ত রয়েছে। বাস্তবায়নে কিছু হয় নাই।

 

 

 

তাই রাজনৈতিক মহলে বলাবলি হচ্ছে শামীম ওসমান শিবির ফুরফুরে থাকায় জেলা দক্ষিন বলয়ের নেতাদের কথা কোন প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে না। তাদের মতামতকে প্রধান্য দিয়ে তারা কাজ করে যাচ্ছে। তবে জেলা সম্মেলনের পরে বুঝাবে যাবে তা কতদিন টিকে থাকবে। এন.এইচ/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন