Logo
Logo
×

রাজনীতি

আওয়ামী লীগের প্রোগ্রামে এলার্জি সেন্টুর

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২২, ০২:৩৯ পিএম

আওয়ামী লীগের প্রোগ্রামে এলার্জি সেন্টুর
Swapno


# আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগেই ছেড়েছেন এলাকা
# নির্দলীয় ব্যানার ভালো লাগে তার কাছে



নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চারবারের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম  সেন্টু অওয়ামী লীগের কোন প্রেগ্রামে নিজেকে রাখতে পছন্দবোধ মনে করেন না। জানা যায়, সেন্টু একসময় ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং সর্বশেষ কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি ছিলেন।

 

 

তাকে দল থেকে দুই বার বহিস্কার করা হয়েছে সর্বশেষ ২০১৮ সালে স্থানীয় একজন প্রভাবশালী সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমানের নির্বাচনী সভায় উপস্থিত থেকে নৌকার পক্ষে ভোট চাওয়ার কারনে তাকে দল থেকে তাকে স্থায়ী  বহিস্কার করা হয়।

 

 

তবে বহিস্কারের পরপরই তিনি সেই সাংসদের হাত ধরে বনে যান আওয়ামী লীগের সদস্য।তবে তার এই আওয়ামী লীগে যোগদান টা হয় গোপনে যা প্রকাশ পায় ২০২১ সালের ১১ নভেম্বরের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের আগে।

 

 

আর ওই নির্বাচনের আগে তিন তিনবার সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে কুতুবপুরের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। তবে ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে স্থানীয় সাংসদের আর্শিবাদে সেই বিএনপির মনিরুল আলম সেন্টুকেই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়।

 

 

আর এই সংবাদ সারাদেশে ছড়িয়ে পরলে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচণার সৃষ্টি হয়।এমনকি কেন্দ্রে অনেকে তাকে মনোনয়ন দেওয়ার কারনে অভিযোগ জানালেও কোন কাজ হয়নি ।আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় বনে যান আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান।

 


আর তিনি আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান হওয়ার পর কুতুবপুরে তৃনমূল আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনঠাসা করে রেখেছে।শুধু তাই নয় এখনো কুতুবপুর সহ ফতুল্লার বিএনপির এক অংশ তার সাথে প্রতিনিয়তই যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

 

 

আর সেই সকল বিএনপি নেতাকর্মীরা তার ইন্দনে কুতুবপুরকে আওয়ামী লীগ নয় বিএনপি প্রতিষ্ঠা করার পায়তারা করে যাচ্ছে। এমনকি এখনো বিএনপির ঈদ পূর্নমিলনে দেখা যায় এই নব্য আওয়ামী লীগ নেতা সেন্টুকে।

 

 

আওয়ামী লীগের অনেক প্রোগ্রামে তার ভূমিকা একেবারেই শূন্য তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় ব্যানারে  স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না ।নির্দলীয় ব্যানার তার কাছে ভালো লাগে।

 

 

শুধু তাই নয় যার জন্য তিনি কুতুবপুরের চার চারবারের চেয়ারম্যান সেই সাংসদ শামীম ওসমানের ডাকা গত ২৭ আগষ্টের মহা সমাবেশে তিনি ছিলেন অনুপস্থিত এমনকি তার নির্দেশনায় কুতুবপুর থেকে আসেনি কোন মিছিল।

 

 

আর তার এই কর্মকান্ড নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক সভায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী প্রশ্ন তুলেন এবং সাংসদ শামীম ওসমানকে উদ্দেশ্য করে  তিনি বলেন বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান বানালেন সেই সেন্টুই আপনার সমাবেশে আসলো না।

 


কিন্ত অনেকেই মনে করেছিলো মেয়রের এই বক্তব্যের পর হয়তো সেই মনিরুল আলম সেন্টু হয়তো শুধরাবে।তবে সেটাও ধুলিশ্যত করে আগামী ২৩ তারিখ জেলা ও ২৫ তারিখ মহানগর আওয়ামী লীগের প্রেগ্রামে হয়তোবা  থাকতে পারবে না এর কারন হচ্ছে দু দিন আগেই তিনি তার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়ে যান ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আল মামুন মিন্টু ভূইয়াকে।

 


একসূত্রে জানা যায়,তিনি যদি এলাকায় থাকেন তাহলে তার অপবাদ ডাকতে হলেও  আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগদান করতে হবে।তাই তিনি আগে থেকেই সরেছেন যাতে করে তার আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগদান করতে না হয়।

 


এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা জানান, সেন্টু খুব চতুর একজন মানুষ তিনি তার নিজের লাভ ছাড়া কিছুই বোজে না।বিএনপিতে থাকাকালীন অবস্থায় বারবার চেয়ারম্যানর হওয়ার জন্য তিনি তার দলের নির্দেশনা না মেনেই আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে আতাঁত করে চলতেন।

 

 

আর তার সকল প্লান সাকসের করে এখন কুতুবপুরের কুতুব হিসেবে তিনি তার কার্যক্রম চালাচ্ছেন।তার কারনে কুতুবপুর আওয়ামী লীগে এখন ধ্বংসের পথে ত্যাগী তৃনমূল আওয়ামী লীগ নেতাদের কয়েক ভাগে বিভক্ত করে রেখেছেন।কুতুবপুর আওয়ামী লীগ নেতাদের মাঝে চাপা ক্ষোভ রয়েছে কিন্ত ভয়ে তার বিরুদ্ধে কোন নেতাকর্মীরাই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চায়না।   এন.এইচ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন