Logo
Logo
×

রাজনীতি

দিপু-আজাদে কুক্ষিগত যুবদল

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২২, ০৫:২৩ পিএম

দিপু-আজাদে কুক্ষিগত যুবদল
Swapno


# ব্যক্তি নয় দলের প্রয়োজনে সক্রিয় নেতা তৈরির দাবি তৃণমূলের

 

দীর্ঘদিন ধরেই নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি আহবায়ক কমিটি দ্বারাই পরিচালিত হচ্ছে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও কমিটি গঠনে কোন রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না এতে করে যুবদলের কমিটি অর্ন্তভুক্ত হতে চাওয়া নেতারা হতাশ হয়ে পড়ছেন।

 

 

কমিটি গঠনে বিলম্ব হওয়া গড়িমশি করার অন্যতম কারণ হচ্ছে জেলা ও মহানগর যুবদলকে জেলার দুই প্রভাবশালী নেতার প্রেসক্রিপশনে পরিচালিত করা হচ্ছে। এই প্রভাবশালী দুই নেতা দ্বারা জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতৃত্বকে কুক্ষিগত করে রাখার কারণে নেতৃত্বে সংকটে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে যুবদলে।

 

 

জেলা ও মহানগর যুবদলে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার বিষয়ে কেন এত খামখেয়ালি করা হচ্ছে এগুলো নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচানা সমালোচনা গণমাধ্যমে। সুত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৬ মার্চ  নারায়ণগঞ্জে তিন সদস্য বিশিষ্ট জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

 

কমিটিতে আহবায়ক করা হয় জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকনকে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে ভিপি কবির হোসেনকে সদস্য সচিব করা হয় জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান রনিকে।

 

 

জেলা যুবদলের কমিটি গঠনের পর থেকে রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে তাদের অংশগ্রহণ করতে দেখা গেলেও ছিল না পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে কোন মাথা ব্যাথা। পাশাপাশি তাদের আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপক অংশগ্রহণের অগ্রভাগই পিছন থেকে সাপোর্ট দিয়ে থাকে বিএনপির একজন প্রভাবশালী নেতা মোস্তাফিজুর রহমান দিপু।

 

 

কারণ তার প্রেসক্রিপশনেই যুবদলের রাজনীতি পরিচালিত করেছেন আহবায়ক ও সদস্য সচিব। যার কারণে আহবায়ক সদস্য সচিবকে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার জন্য কোন রকম মাথা ঘামাতে দিচ্ছে না এই প্রভাবশালী নেতা।

 

 

কারণ কমিটি গঠনের পর যুবদলকে আর কুক্ষিগত করে রাখতে পারবেন না এই প্রভাবশালী নেতা জেলা যুবদলের রাজনীতি চলে যাবে তার নিয়ন্ত্রণের বাহিরে। অপরদিকে ২০২২ সালের ১৬ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

 

সাবেক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মমতাজউদ্দীন মন্তুকে আহবায়ক এবং মনিরুল ইসলাম সজলকে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাগর প্রধান, যুগ্ম আহবায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন মন্টি ও শাহেদ আহমেদ।

 

 

কিন্তু কমিটি গঠনের পর থেকেই মহানগর যুবদলে নানা ধরণের বিতর্ক চলমান রয়েছে। আর এই কমিটির সদস্য সচিব সজলকে মহানগরের মূল দলের কমিটি থেকে ভাগিয়ে এনে যুবদলে অর্ন্তভুক্ত করার কারিগর হলেন বিএনপির একজন প্রভাবশালী নেতা নজরুল ইসলাম আজাদ।

 

 

পাশাপাশি তার প্রেশক্রিপশনেই পরিচালিত করছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক ও সদস্য সচিব। আর এই আজাদের নির্দেশনায় যুবদলকে পরিচালনা করতে গিয়ে পাঁচ সদস্য কমিটিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল তিন ভাগে বিভক্ত।

 

 

কারণ সুপার ফাইভের ৫জনের মধ্যে দুই জনই তার অনুগত না হওয়ায় কমিটির সকল কার্যক্রম থেকে দূরে সড়িয়ে রেখে আহবায়ক সদস্য সচিবের প্রেশক্রিপশনে কমিটি পরিচালনা করছে। এছাড়া আহবায়ক এবং সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ।

 

 

যার মধ্যে অন্যতম  হল নারায়ণগঞ্জ মহানগর  যুবদলে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদায়নের নামে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে মন্তু-সজলের বিরুদ্ধে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে মন্তু-সজলের একের পর এক বিতর্কিত কর্মকান্ড গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে। যার কারণে বিতর্কিত হয়ে পড়ছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল।

 

 

মহানগর যুবদলের এত বিতর্কের মূলে একজন ব্যাক্তিই পিছন থেকে কলকাঠি নারছেন তিনি হলেন বিএনপির সেই প্রভাবশালী নেতা নজরুল ইসলাম আজাদ। ইতিমধ্যেই তৃণমূল থেকে  দাবি উঠেছে পদলোভী কমিটি বাণিজ্যে অভিযুক্ত নেতাদের দ্রুত কমিটি থেকে অপসারণ করে যোগ্য নেতৃত্বের অধিকারী নেতা কাছে দায়িত্ব তুলে দেয়া।   এন.এইজ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন