# কেন্দ্রীয় নেতাদের কথা রাখতে ব্যর্থ তারা
#এক মাস পার হলেও নেই কমিটি দেওয়ার আভাস
নারায়ণগঞ্জে দীর্ঘদিন পর হতে যাচ্ছে জেলা যুবলীগের সম্মেলন। আর এতে করে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনার কোন কমতি নেই। জানা যায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, আর এই যুবলীগে প্রধান্য পায় যুবকেরা।
তবে নারায়ণগঞ্জে যুবলীগে দেখা গেছে এখন আর যুবক নেই অনেক নেতাকর্মী বয়ষ্ক হয়ে গেছে।আর অনেক নেতাকর্মী যুবলীগের পদবি থাকা অবস্থাায় আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ন পদে রয়েছেন।আর এতে করে অনেক যুবলীগের অনেক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের পদে আসার পর আওয়ামী লীগের যুবলীগ নিয়ে তেমনটা মাথা গামাতে দেখা যায়নি।
আর দীর্ঘদিন কমিটি না হওযার কারনে ছাত্রলীগ থেকে সাবেক হওয়া অনেক নেতাকর্মী যুবলীগে আসতে চাইলেও কমিটি না হওয়ার কারনে সেটা আর সম্ভব হয়নি ।আর এতে করে বিভিন্ন সময় তৃনমূলের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এর কোন সুরহা মেলেনি।তবে দীর্ঘদিনের এই যুবলীগের কমিটি না হওয়া খরা খুব শিগ্রই ভাঙ্গতে যাচ্ছে।
জানা যায় গত ২৬ শে সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের আয়োজনে এক বর্ধিত সভায় কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতৃবৃন্দরা জানান নভেম্বর মাসের মধ্যেই হবে জেলা যুবলীগের সম্মেলন। তাই তারা যুবলীগর পদে থাকা জেলা ও থানার নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন যত দ্রুত সম্ভব ইউনিয়ন ওয়ার্ড কমিটি গুলো আগামী এক মাসের মধ্যে শেষ করার আহবান জানান আর এই কমিটি গুলো শেষ হলে থানা ও জেলার কমিটি নিয়ে বিশাল এক সম্মেলনের ডাক দেওয়া হবে।
আর এই ঘোষনার পরপরই যুবলীগে নেতৃত্বে আসতে এখন থেকেই নেতাকর্মীরা তারা তাদের যার যার অবস্থান থেকে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন। তবে এক মাসের সময় শেষ হলেও তারা কমিটি করা নিয়ে কোন কোন রকম পদক্ষেপ নেয়নি। কেন্দ্রীয় নেতাদের কথা তারা রাখেনি।এখনো তারা পুরাতন কমিটি টিকিয়ে রেখে বুড়ো হয়েও যুবকদের যুবলীগের পদ দখল করে রয়েছে।
এর আগে তাদের সাথে কয়েকবার কথা বলা হলেও তারা তখন জানিয়েছিল আমাদের সব কিছু রেডি রয়েছে।কমিটি দিতে আমাদের এক মাসও লাগবে না তবে তাদের এই কথা শুধু ভেলকি বাজি ছাড়া আর কিছুই না এমনটাই মনে করছেন অনেকে। প্রথমে ওয়ার্ড,ইউনিয়ন, থানা কমিটি শেষ হলে তার পরেই হবে জেলা যুবলীগের সম্মেলন।
আর নিচের স্থরের কমিটি গুলো না হওয়ার কারনে জেলা যুবলীগের সম্মেলন করা সম্ভব হচ্ছে না এবং কাটানো যাচ্ছে না এই দীর্ঘ দিনের কমিটি না হওয়া জেলা যুবলীগের খরা ।আর এরজন্য জেলা নেতৃত্বে থাকা কমিটিকেই দোষারোপ করছেন অনেক নেতাকর্মী।
জানা যায়, দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ার কারনে এই লম্বা সময়ে অনেক নেতাকর্মী যোগ্যতা থাকা সত্তেও কমিটিতে আসতে পারে নাই।দেখা গেছে জেলা যুবলীগের এক একটি পদের জন্য লড়াই করবেন বেশ কয়েকজন পরিশ্রমী নেতা। কিন্ত নিয়ম অনুযায়ী একজন সভাপতি ও একজনই সাধারন সম্পাদক হিসেবে থাকতে পারবেন।
আর এই সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীরা মনে করছেন দীর্ঘদিনের এই গ্যাপের জায়গা পূরন হবে একটি সুন্দর শক্তিশালী কমিটির মাধ্যমে।আর যে কমিটি যুবলীগকে আরও শক্তিশালী করবে এবং যুবলীগে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ সদর,ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও বন্দরের আশিংক কমিটি শেষ করার কথা বলা হয়েছে।
আর এই কমিটি গুলো করা হলেই হবে জেলা যুবলীগের সম্মেলন। একসূত্রে জানা যায়, জেলা যুবলীগের কমিটিতে আসতে অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাঁপ। এর মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাদের মধ্যে সভাপতি পদে নাম শোনা যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমানের শ্যালক এহসানুল হক নিপু।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বারবার নির্বাচিত সভাপতি এডভোকেট মহোসীন মিয়া ও সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফায়েত আলম সানী, অন্যদিকে জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নেতৃত্বে আসতেও রয়েছে ফতুল্লার বেশ কয়েকজন পরিক্ষিত নেতা যাদের মধ্যে আরোচণায় রয়েছেন ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোঃশরিফুল হক, যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব, ফতুল্লা থানা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ফাইজুল ইসলাম সহ বেশ কয়েকজনের নাম। এন.এইচ/জেসি


