জেএসডির সভা
রাজপথে জনস্রোত সরকারের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৪৯ পিএম
মানুষের দুঃখের সীমা নেই। দুঃখের কথা, শোনার মানুষ নেই; বলার জায়গা নেই। বললে নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।জনসাধারণ এখন খেপে গেছে, গাড়ি, ট্রেন ছাড়াই হেঁটে সমাবেশে যোগ দিচ্ছে। মানুষের স্রোত কোনোভাবেই সরকারের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন নিশ্চিত করতে হবে।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘স্বৈরাচারের পতন ও রাষ্ট্র রূপান্তরে গণজাগরণ গড়ে তুলুন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জেএসডি।
সভায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমাদের রিজার্ভ প্রায় শূন্য। আমদানি করার টাকা নেই। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার সামর্থ্য নেই মানুষের। মানুষের দুঃখের সীমা নেই। দুঃখের কথা শোনার মানুষ নেই। বলার জায়গা নেই। বললে নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।
বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার পর আরেকটা স্বৈরাচার যেন না আসে, তার গ্যারান্টি চেয়ে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘মানুষ খেপে গেছে। এমন খ্যাপা খেপেছে, গাড়ি নেই মানে না, ট্রেন নেই মানে না, রিকশা চলে না মানে না। মানুষ মাইলের পর মাইল হেঁটে সমাবেশে যোগ দিচ্ছে।’
বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব। অনুষ্ঠান সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ভদ্রভাবে এই সরকার না গেলে পালাতেও পারবে না।’
যাদের গুম, খুন করেছে, তারা পালাতে দেবে না। তিন মাস পর টাকা দিলেও খাবার পাওয়া যাবে না। এই সরকার উৎখাত করা ছাড়া অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও অপশাসন থেকে মুক্তিলাভ করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন তালুকদার প্রমুখ। (সূত্র: প্রথম আলো)


