# মহানগরের বিদ্রোহী নেতাদের ভাষায়, এটি তৈমূরের নিজস্ব সভা
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়ার পরে অনেকেই এ কমিটিকে অপছন্দ করে তারা কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে পদত্যাগকারীরা যুক্ত হয় বহিস্কৃত নেতাদের সাথে।
কমিটি হওয়ার পর থেকেই পদত্যাগ করা বিদ্রোহীদেরকে; সকল সভা কর্মসূচিতে বহিস্কৃতদের সাথেই দেখা মিলেছে। ১০ই ডিসেম্ববর মহাসমাবেশে ও শোনা গিয়েছিল যে, বিদ্রোহী ও পদত্যাগকারীরা একসাথে মহাসমাবেশে যোগদানের লক্ষে নারায়ণগঞ্জ থেকে বাহির হবে। কিন্তু তার আগেই প্রস্তুতি সভায় দেখা মিলে আরেক দৈন্যদশার।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপিকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ১৩ সেপ্টেম্বর সাখাওয়াত হোসেন খানকে আহ্বায়ক ও আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে সদস্য সচিব করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্র।
পরবর্তীতে তৈমূর আলম খন্দকারের ইশারা ও ইঙ্গিতে তার বাসায় এক অনুষ্ঠানে এই কমিটিকে অযোগ্য বলে ১৫ জন বিদ্রোহী নেতা এই কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব বিদ্রোহীদের ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে ছিলেন।
বিদ্রোহী নেতারা সে আল্টিমেটামকে পাত্তা না দিয়ে; বিদ্রোহীরা বহিস্কৃত নেতা তৈমূর আলম খন্দকার ও তার ভাই মাকসুদুল আলম খোরশেদের সাথে মিলেই সকল বক্তব্যে, পাল্টা বক্তব্যে কর্মসূচি ও পাল্টা কর্মসূচির মাধ্যমেই তাদের দুই ভাবে বিভক্ত অবস্থায় সব কার্যক্রম চালিয়েছিল।
ইতি মধ্যে বিএনপির সকল জেলার সমাবেশে বিএনপি অনেকটাই তৎপরতা ভূমিকা পালন করে আসছেন। ১০ই ডিসেম্বর তারেক রহমানের নির্দেশে সরকার পতনের মহাসমাবেশের ডাক দিয়ে জাতীয়তাবাদীদল বিএনপি।
ঢাকার সেই মহাসমাবেশকে সফল করার লক্ষ্যেকে বুকে ধারণ করে ১২ই নভেম্বর নারায়ণঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপি প্রস্তুতি সভা করেন। সেই সভার মাধ্যমে সকল নেতাকর্মীরা আশ্বাস দেন তারা ব্যাপক লোক নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সমাবেশে যোগদান করবেন।
পরবর্তীতে একই দিনে ১৩নং ওয়ার্ড মহানগর বিএনপি আয়োজিত ঢাকা বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফলের লক্ষে প্রস্তুতি সভা হয়। সেখানে সকল বিদ্রোহী নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে সকল বিদ্রোহী নেতাদের দেখা মিলে তৈমূর আলম খন্দকরের গুনগান গাইতে ।
গতকাল ১৬ নভেমম্বর বুধবার তৈমূর আলম খন্দকারের আয়োজনে মাসদাইর তার নিজস্ব বাস ভবনে ১০ই ডিসেম্বরের প্রস্ততি সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে সকল নেতাকর্মীদের দেখা মিললে ও দেখা মিলেনি মহানগরের বিদ্রোহী নেতা আতাউর রহমান মুকুল, হাজী নূর উদ্দিন, আবুল কাউসার আশা, সবুর খান সেন্টুসহ তাদের প্যানেলের অনেক নেতা-কর্মীদের।
কিন্তু বিদ্রোহী নেতা-কর্মীরা সকলে এক সময় বলেছিলেন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তৈমূর আলমের নির্দেশে; একসাথে সকল নেতাকর্মীরা থাকবো। পরবর্তীতে বিদ্রোহীদের কি হল? তারা কি আবার তৈমূরকে ও এড়িয়ে চলা শুরু করেছেন কি? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে তৃণমূল নেতা কর্মীদের মাঝে।
এ বিষয়ে মহানগর বিএনপির বিদ্রোহী নেতা আতাউর রহমান মুকুল যুগের চিন্তাকে বলেন, “আজকে তৈমূর আলম খন্দকার সাহেবের বাসায় ১০ই ডিসেম্বরের যে প্রস্তুতি সভা হয়েছিল সেখানে আমাকে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমরা একটা কাজ ছিল; তাই আমি যেতে পারিনি।”
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা হাজী নূর উদ্দিন যুগের চিন্তাকে বলেন, “এই প্রস্তুতি সভা তৈমূর আলম খন্দকার সাহেবের নিজস্ব সভা ছিল। তার পরে সবারটা জানি না; আমাকে বলা হয়েছিল, কিন্তু আমি যেতে পারিনি। এন.এইচ/জেসি


