Logo
Logo
×

রাজনীতি

ঢাকায় যেতে প্রস্তুত বিএনপি

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৮:২৬ পিএম

ঢাকায় যেতে প্রস্তুত বিএনপি
Swapno


দীর্ঘ দেড় যুগের বেশি সময় ধরে ক্ষমতার বাহিরে অবস্থান করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। এই দেড় যুগে বিএনপি কোনো আন্দোলন সংগ্রাম করতে সক্ষম হয়নি। নানা সময় নানা ধরণের মামলা হামলা ও আক্রমনে তারা এগিয়ে আসতে পারেনি।

 

 

মাঠে উজ্জ্বীবিত ভাব দেখাতে অনেকটাই ব্যর্থ হয়ে পরেছিলেন বিএনপি। কিন্তু চলতি বছরে সরকারের বিরুদ্ধে নানা ইস্যু নিয়ে মাঠে নেমেছেন। এবং ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন। ইতি মধ্যে তাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে জেলায় জেলায় সরকার পতনের সমাবেশ করছে এবং সফল হচ্ছে।

 

 

বিএনপির সর্বশেষ সমাবেশের ডাক দিয়েছেন ১০ই ডিসেম্বর ঢাকায়। এই সমাবেশকে ঘিরে ইতি মধ্যে নানা হামলা মামলা ও গ্রেফতার শিকার হচ্ছেন বিএনপি। যার কারণে অনেকে ইতি মধ্যে বাসায় থাকতে পারছে না। বাহিরে বাহিরে তাদের ঘুরে জীবন যাপন করতে হচ্ছে।

 

 

এমনকি অনেকে রাস্তাঘাটে ও নানান হামলা মামালার শিকার হচ্ছেন। যার কারণে তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং বলছেন সরকারের এ ধরণের কাজের জন্য আমাদের সমাবেশ আরো বড় এবং শক্তিশালী হবে।

 

 

 
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন যুগের চিন্তাকে বলেন, বিএনপি নামে এখন যে ভৌতিক মামলা ও হামলা হচ্ছে এটা শুধু এখন হয়নি। এটা বিগত ১০ থেকে ১৫ বছর যাবৎ বিএনপির নেতাকর্মীরা নানা মিথ্যা মামলা হামলার শিকার হচ্ছে।

 

 

এটা আমাদের কাছে নতুন কিছু না আর এ সমাবেশকে ঘিরে যেটা হচ্ছে সোনারগাঁ, ফতুল্লা, রূপগঞ্জে তারা অনেককেই গ্রেফতার করছে তারা শুধু এখন মামলা হামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই অলরেডি ধরপাক্কর ও চলছে। আমাদের নারায়ণগঞ্জের নবাগত আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম টিটু তার নামে ও ফতুল্লা থানাতে মামলা হয়েছে।

 

 

পাশাপাশি অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দর নামে ও মামলা হচ্ছে। আমাদের এমন ও নেতাকর্মী আছে যার কোর্টে একবারে ৫টা হাজিরা দিতে হয়। আর এখনও যত মামলা হচ্ছে ঘরে তো তারা থাকতে পারছে না। আরো দুইদিন তিনদিন আগে থেকেই পুলিশ নানান অজুহাত দেখিয়ে মামলাগুলো করা শুরু করে দিয়েছে এবং প্রত্যেকের বাড়িতে বাড়িতে রেড দিচ্ছে।

 

 

নেতাকর্মীদের যখন ঘরের বাহিরেই থাকতে হচ্ছে তাই তারা সংগঠনের জন্য অনেক বেশি করে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। এখন আমরা বিভিন্ন সমাবেশগুলোতে দেখা যাচ্ছে তিন থেকে চারদিন আগেই মানুষ মাঠে চলে আসছে ঠিক তেমনই অবস্থা হবে ঢাকায়।

 

 


তিনি আরো বলেন, আমাদের রূপগঞ্জে দশটি স্পটে সরকার দলীয় লোকজন আগ্নে আত্মসহ শসাশ্র মহড়া অলরেডি শুরু করে দিয়েছে। তারা বিভিন্ন জায়গাতে বাধাগুলো দেওয়ার জন্য যে সব পয়েন্ট দিয়ে ঢাকায় ঢুকে সেইসব পয়েন্টগুলোতে তারা অলরেডি বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। আজকে ও আমাদের রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নে নবপাড়াতে একটা সভা হয়েছে।

 

 

রূপগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ১০ই ডিসেম্বরে সমাবেশে যাতে লোকজন না যেতে পারে তাদের প্রতিহত করার জন্য সেই এলাকার মন্ত্রীসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীরা তারা সেখানে এলাকার অনেক লোকদের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন কি করবে সেটা আমরা বুঝবো তোমরা যার যা খুশি তোমরা করবা লোকজন যাতে ঢাকার সমাবেশে না যেতে পারে।

 

 

সরকারের লোকেদের এই মামলা হামলা ও বাধার জন্য আমাদের একদিনের সমাবেশ চার পাঁচদিনের সমাবেশে পরিণত হবে। আমাদের নারায়ণগঞ্জে ৩৫৪টি ওয়ার্ড আছে সকল ওয়ার্ডে বিএনিপর সাংগঠনিক কমিটি আছে। এই কমিটিগুলো আলাদা আলাদভাবে ছাত্রদলের, যুবদলের, স্বেচ্ছাসেবকদল, শ্রমিকদল, মহিলাদল, কৃষকদল, সকল দলের আছে।

 

 

সোনারগাঁয়ে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি আছে কোন কোন জায়গায় ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি আছে। সব মিলিয়ে যদি হিসাব করা যায় একজন নেতাকর্মীর সাথে যদি একজন করে আসে সে হিসেবে প্রায় একটি সংগঠন থেকে ৭০ হাজার লোক জমায়েত হবে। যদি সব মিলিয়ে হিসাব করি তাহলে প্রায় ৫ লাখের কাছাকাছি হবে আমাদের কর্মীই।

 

 

এই মামলা হামলা তারা করতেছে ভয়ভীতি দেখানোর জন্যই কারণ ওরা এখন ভীত হয়ে গেছে। আমরা অনেকের কাছ থেকে শুনেছি তাদের অনেকের বিসা টিকেট রেডি আছে। খুবই অল্প সময়ে তারা ফ্লাই করবে দেশ থেকে। এখন তারা বিরোধী দলের বিরুদ্ধে নানা বেফাঁস বক্তব্য দিচ্ছে কারণ তারা এখন অনেকটাই নারবাস হয়ে গেছে।

 

 

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান খোকা যুগের চিন্তাকে বলেন, আমরা সকল বাধাকে উপেক্ষা করে ১০ই ডিসেম্বরের মহাসামবেশ ১০০% সফল করবো ইনশাআল্লাহ। আমাদের যে আটটা সমাবেশ ইতিমধ্যে হয়েছে সবগুলোর মধ্যে সকল বাধা পেরিয়ে ডিঙ্গিয়ে ডিঙ্গিয়ে মানুষ সমাবেশে যোগদান করেছে।

 

 

ঢাকা যেহেতু সারা বালাদেশের রাজধানী এবং ৮টি বিভাগের লোকই ঢাকায় আসবে। আর ঢাকার সাথে কানেক্টিং যে জেলাগুলো আছে সেই জেলাগুলোর লোকেরা পায়ে হেঁটে হলে ও সামাবশে যোগদান করবে। পায়ে হেঁটে মানিকগঞ্জ ও সাভার থেকেও লোক চলে আসবে সেদিন।

 

 

যখন কয়েক লাখ লোক এক হয়ে সমাবেশে এসে জড়ো হবে তখন সরকারি দলের কোন ষড়যন্ত্রই  কাজে আসবে না। আমরা সেইভাবেই ঝাঁকে ঝাঁকে লোক ঢাকায় ঢুকতে থাকবে এবং যে লোকে লোকারন্ন হবে এমন ও হতে পারে নারায়ণগঞ্জের নেতাকর্মীরা আমরা যাত্রবাড়ি ক্রস করতে পারবো না। এখানে সেই সমাবেশের সীমানা চলে আসবে।

 

 

এর আগে ও আমাদের অনেক লোক মাঠে চলে যাবে। আর অন্যদিকে যেভাবে আমাদের সাথে সাধারন জনগন যুক্ত হচ্ছে এটা আর বিএনপির মহাবেশ নেই এটা পুরো বাংলাদেশের মহাবেশে পরিণত হয়েছে। সেদিন সরকার যদি হেফাজতের মতো আমাদেরকে আঘাত করার চেষ্টা করে সেটাতেও সরকার সফল হবে না। এখন সরকার  দলীয় লোকেরা অনেক সময় বিপদে পরে নানা বক্তব্য দিচ্ছেন এটা আমরা ধরে রাখি না।

 

 

কারণ এখন মুখে নানা কথা বলছে কিন্তু বাস্তবে সেটা করা অনেকটাই কঠিন। ১০ই ডিসেম্বর আমাদের উপস্থিতি দেখে সকলে স্তব্দ হয়ে যাবে। আমরা সেভাবেই আসবো। আর আমাদের আগে ৮টি যে বিভাগীয় সমাবেশ হয়েছে এটাও ঠিক তেমনি হবে। আর আমরা ১০ই ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ সফল করবোই।

 

 

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুর রহমান রাজিব যুগের চিন্তাকে বলেন, আমাদের এই মহাসমাবেশটা সফল লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলাসহ সকল অঙ্গ সংগঠন বিএনপির সকল থানা কমিটি সভাপতি সেক্রেটারি সবাই অনেকটাই সচেতন। এবং গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে। সবাই যার যার অবস্থান থেকে বিশাল প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছে আমাদের জেলা বিএনপি থেকে যেটা দায়িত্ব সেটা হল সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সমাবেশে নেওয়া সেই চেষ্টাই আমরা করছি।

 

 

আশা করছি ভালো কিছুই হবে। আর বাধা বর্তমান সরকারের নিত্যদিনের সকল সমাবেশেই তাদের বাধার মোকাবেলা করেই সমাবেশে যোগদান করছে নেতাকর্মীরা। যেখানে বাধা সেখানেই প্রতিরোধ আর ইতি মধ্যে আমাদের অনেক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে অনেকে হামলার শিকার  ও হয়েছেন।

 

 

অনেকেই এখন আর বাসায় শান্তিমত থাকতে পারে না। বাধা এখনই শুরু হয়ে গেছে এই সকল বাধাকে প্রতিহত করে যেভাবে আমাদের যেতে হবে সেই কৌশল আমাদের জানা আছে। আর এই সমাবেশ কিন্তু সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। আর আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই এটাকে সফল  করবো।

 

 


জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম টিটু যুগের চিন্তাকে বলেন, ১০ই ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ নিয়ে আগে থেকেই অনেকটা প্রস্তুত রয়েছি। আর আশা করছি আমরা ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারবো সেই সমাবেশে। বিগত দিনের মতো ১০ই ডিসেম্বরের মহা সমাবেশকে লক্ষ্য করে এখনই আমাদের নামে বিভিন্ন হামলা মামলা হচ্ছে।

 

 

সব কিছুকেই সামনে রেখে আমরা ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং সামবেশ সফল করতে আমরা প্রয়োজনে আমাদের জীবন বাজি রাখবো এটা আমাদের লক্ষ্য। কারণ এখন আমাদেরও পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে এখন আমাদের আর কোন রাস্তা নেই। তাই আমরা হয়তো মরবো নয়তো বাচঁবো।

 

 


এ বিষয়ে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু যুগের চিন্তাকে বলেন, আমরা সফল হবোই হব আল্লাহর রহমতে। কারণ এই সরকার ও তার পুলিশ বাহিনী যে কাজটা করতেছে সেটা একটা ন্যাকার জনক ঘটনা।

 

 

তারা জিয়া পরিবারকে খালেদা জিয়াকে তারেক জিয়াকে ভয় পায় এবং যেহেতু এ দেশের সাধারণ জনগণকে নিয়ে বিএনপি ইতি মধ্যেই তাদের অন্যায় অত্যাচার নির্যাতন দ্রব্যমূল্যে উর্ধ্বগতি প্রতিবাদে এবং খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তত্তাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে যে সমাবেশগুলো করেছে বিএনপি এই সমাবেশগুলো দেখে এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী থেকে আরম্ভ করে সকল মন্ত্রী এবং তাদের কেন্দ্রীয় নেতারা বেসামাল হয়ে গেছে তাই তারা আবল তাবল বকাবকি করছে।

 

 

তারা পুলিশ প্রসাশনকে দিয়ে অনৈতিক এবং অবৈধ কাজ করাতে চাচ্ছে মিথ্যা গায়েবি মামলা। কোনো ঘটনাই ঘটে নাই এভাবে নয়তো দশ জন পনেরাে জন একশত বা দুইশত লোককে মামলা দিবে গ্রেফতার করবে। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মী হাজার হাজার লাখ লাখ কতজনকে মামলা দিবে কতজনকে আটক করবে।

 

 

অতএব এ সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণ যেভাবে ফুসে উঠেছে। তাদের এ অবৈধ এবং অনৈতিক এ হামলা মামলা গায়েবী মামলাকে প্রতিরোধ করেই তারা ইনশাআল্লাহ মহাসমাবেশে হাজির হবে। রাজনীতির ওপেন্স ও ডিফেন্স দুইটা শব্দ আছে আমরা যখন দেখবো তারা ওপেন্সে খেলতাছে আমরা তখন ডিফেন্সে খেলবো।

 

 

যখন তারা ডিফেন্সে খেলবে তখন আমরা ওপেন্সে খেলবো। এখন সারা দেশের নেতাকর্মীরা অনেকটাই প্রস্তুত যে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে তা না হলে এ দেশের ২১ কোটি মানুষকে রক্ষা করা যাবে না। অতএব এ সরকারের অনৈতিক কার্যকালাপ দুর্নীতি এবং বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার এবং দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি বন্ধে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ।

 

 

এখন তারা দেশের সাধারণ জনগণের কাছে ধরা খেয়ে গেছে। বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের মানুষ তাদের কলা কৌশল বুজে গিয়েছে। কোথাও কোন ককটেল ফুটে নাই বোম ফুটে নাই কোন আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা হয়নি। তার পরে ও তারা মিথ্যা কথা সাজিয়ে তারা বিভিন্নভাবে মামলা দেওয়ার চেষ্টা করতেছে।

 

 

আমি পুলিশ প্রশাসনকে আহ্বান জানাই আপনারা জনগণের টেক্সের টাকায় বেতন পান। আপনারা বুকে হাত দিয়ে বলেন আপনারা কি এ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি থেকে রক্ষা পাচ্ছেন। আপনারা সাধারণ জনগণের কাতারে চলে আসুন এ অবৈধ সরকারের কোন অবৈধ নির্দেশ আপনারা পালন করবেন না। যেভাবে এ দেশের মানুষকে রক্ষা করা যায় সে পথে আপনারা কাজ করেন।

 

 

মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এইচ মামুন যুগের চিন্তাকে বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান যে জনসাধারণ যেভাবে জেগে উঠেছে আজ কুমিল্লায় একটি জনসভায় মানুষ কিভাবে বাধা উপেক্ষা করে জনস্রোতের মতো ছুটে আসছে। বর্তমান নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি খুবই শক্তিশালী এবং বিভিন্ন থানা ওয়ার্ড ইউনিয়ন যেভাবে কমিটি উজ্জ্বীবিত হচ্ছে আমি মনে করি বেশির ভাগ লোক নারায়ণগঞ্জ থেকে সর্বোচ্চ জনসমাগম ঘটাবে ঢাকার এ মহাসমাবেশে কোন বাধাই বাধা বলে মনে হবে না।

 

 

মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মমতাজ উদ্দিন মন্তু যুগের চিন্তাকে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হামলা এখন নতুন কিছু না। ১৫ বছর ধরেই আমরা এই মামলা হামলা উপেক্ষা করেই আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আর এ অবৈধ সরকারের এ অবৈধ হামলা মামলা সেটা থাকবেই। আগামী ১০ তারিখ নারায়ণগঞ্জ থেকে আমরা যুবদল তথা অঙ্গ সংগঠন ব্যাপকভাবে অংশ গ্রহণ করবো ঢাকাতে। যাই হোক আমাদের ঢাকায় যেতে হবেই।

 

 

এ বিষয়ে মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহেদ আহম্মেদ বলেন, যত মামলা হামলা হবে ততই বিএনপি শক্তিশালী হবে। তা প্রমান হয়েছে গত ১৫ বছরে এমন কোন লোক নাই যার নামে পাঁচটা দশটা বিশটা করে মামলা নেই।

 

 

কিন্তু গত ১৫ বছরে সরকারি পেটুয়াবাহিনী দ্বারা বিএনপির যত নেতাকর্মীকে আহত নিহত হয়রানি করেছে। তাতে করে কি হয়েছে বিএনপি অনেক শক্তিশালী হয়েছে আগামী ১০ই ডিসেম্বর মহাসমাবেশে হাজারো সমস্যা হাজারো প্রতিবন্ধকতা হাজারো চেষ্টা বর্তমান সরকারে ও ইনশাআল্লাহ এ সমাবেশে মহা সমাবেশে পরিণত হবেই হবে।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন