Logo
Logo
×

রাজনীতি

রাজপথ নিয়ন্ত্রণের লড়াই

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৪৬ পিএম

রাজপথ নিয়ন্ত্রণের লড়াই
Swapno

 

# কোন রকম নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না : ভিপি বাদল
# বিএনপির জ্বালাও পোড়াও মেনে নেয়া হবে না: খোকন সাহা
# জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে : গোলাম ফারুক খোকন
# গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য মানুষ মাঠে নেমেছে : মামুন

 

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সূতিকাগার নারায়ণগঞ্জ। বছরজুড়ে নানা ঘটনায় আলোচনায় আসে রাজধানী লাগোয়া এই জেলার নাম। সেই নারায়ণগঞ্জ  এখন সরগরম ১০ই ডিসেম্বর বিএনপি’র মহাসমাবেশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে।

 

 

প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক তৎপরতা আর বিএনপি’র প্রতিবাদী কর্মসূচিতে মুখরিত নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গন। তবে দুই দলের ভেতরই গ্রুপিং, কোন্দল দৃশ্যমান রয়েছে। তবে এই সমাবেশ ঘিরে দুই দলই রাজপথ নিয়ন্ত্রণে নেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে।

 

 

ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ সহ দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতে সভা সমাবেশ জমে উঠেছে। মঙ্গলবার থেকে ঢাকার পল্টনে অবস্থান নিয়েছে নারায়ণগঞ্জের বিএনপি নেতৃবৃন্দ। তাছাড়া গতকাল বিএনপির কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সাথে বিএনপি নেতা কর্মীদের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে।

 

 

সেই সাথে এক জন নিহতসহ শতাধিক নেতা কর্মী আহত হন। পাশা পাশি বিএনপির শীর্ষ নেতা যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজবি, আমান উল্লাহ আমান সহ কয়েকজন বড় বড় নেতা গ্রেপ্তার হন। আর এতে করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে নেতাকর্মীদের মাঝে। তাই ১০ ডিসেম্বরের আগে এই হামলা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরী হয়েছে।

 

 

এদিকে আগামী দিনে বিএনপি তথা অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন-সংগ্রাম মোকাবিলায় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে রাজপথ দখলে রাখতে বিএনপি’র নেতারা ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

 

 

গত তিন মাস ধরে দলীয় নানা কর্মসূচি নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রাজপথ দখলে রেখেছে বিএনপি। আর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হলেও এখন অনেকটা ঝিমিয়ে আছে। তবে পুরনোরাই জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ দুই পদে আসীন হওয়ায় হতাশ হয়েছে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের একাংশ। তার ওপর মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঝুলে আছে।

 

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ বছর ধরে জেলা যুবলীগ কার্যক্রম বিহীন। মহানগর যুবলীগ দুই ভাগে বিভক্ত বহু বছর থেকে। এ ছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সভায় কেন্দ্রীয় নেতার উপস্থিতিতে দুই গ্রুপের মারামারিতে থমকে আছে নতুন নেতৃত্ব।

 

 

সবশেষ ১৬ নভেম্বর ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন পণ্ড হয়ে গেছে দুই গ্রুপের মারামারিতে। ফলে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে নতুন কমিটি করতে গিয়ে। তাছাড়া গতকাল ফতুল্লা কতুবপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা করা হয় বিএনপিকে প্রতিহত করার জন্য। সেখানেও তারা নিজেদের কোন্দল নিয়ে তর্ক বিতর্ক হয়।

 

 

দলীয় সুত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও নাসিক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে ঘিরে দুই ধারায় বিভক্ত হয়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে। দলীয় নেতাকর্মীদের তথ্যমতে, এই দুই শীর্ষ নেতানেত্রীর বিরোধে হাইব্রিডরা সুবিধা ভোগ করছে নানাভাবে। সুবিধা নিচ্ছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীও।

 

 

যার অনেকটা দৃশ্যমান গত বছরের ইউনিয়ন নির্বাচনে কুতুবপুর ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মনিরুল আলম সেন্টু নৌকা নিয়ে চেয়ারম্যান হওয়া। এতে আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন যেমন হচ্ছে না আর বিভিন্ন সুবিধা থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছে। এ নিয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজমান রয়েছে দল ক্ষমতায় থাকার পরও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে।

 

 

তৃণমূল নেতাকর্মীদের একাধিক সূত্র মতে, বছরের পর বছর ধরে জেলা, উপজেলা, থানা, ইউনিয়নে  একই ব্যক্তি দলীয় শীর্ষ পদগুলো দখল করে আছে। এতে ওই নেতাদের সুবিধা নেয়ার পাল্লা ভারী হলেও নতুন নেতৃত্ব তৈরি হচ্ছে না। দীর্ঘ ১৯ বছর পর ২৩শে অক্টোবর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলন ঘিরে পুরো জেলার মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে।

 

 

দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ একডজন কেন্দ্রীয় নেতার আগমন ঘটে সম্মেলনে। নানা আলোচনা হতে থাকে নতুন নেতৃত্ব আসছে জেলা আওয়ামী লীগে। কিন্তু দিন শেষে পুরনোদের রেখেই সম্মেলন শেষ করা হয়। নিমিষেই চুপসে যান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

 

 

তাদের মতে, যে কমিটি দীর্ঘ ৫ বছরেও একটি সমাবেশ ও কমিটির ৬ শূন্যপদ পূরণ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সকল উপজেলা, থানা ও ইউনিয়নের কমিটি করতে পারেনি নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে, সেই নেতৃত্ব আগামী দিনে কী ভূমিকা রাখবে তা দেখার বিষয়।

 

 

অপরদিকে বর্তমানে বিএনপি’র অবস্থা আগের চেয়ে অনেক সুসংগঠিত। বিশেষ করে শত বাধা পেরিয়ে বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশগুলো বিশাল নেতাকর্মীর উপস্থিতির মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়ায় তাদের মনোবল অনেক বেড়ে গেছে। জেলা বিএনপি’র নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণায়  হওয়ায় বিএনপির দক্ষ নেতৃত্বের ফলে বিএনপি জেগে উঠেছে।

 

 

জেলা বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটিতে দায়িত্ব পেয়েছে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্বে রয়েছে গোলাম ফারুক খোকন। একই সাথে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি পেয়ে নেতা কর্মীরা উতফুল্ল হয়ে উঠেছে। তারা কমিটি পাওয়ার পর ১ মাস না যেতেই কয়েকটি ইউনিয়নে সম্মেলন বাস্তবায়ন করে দক্ষ নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছে।

 

 

নারায়ণগঞ্জ বিএনপির তৃনমুলের নেতাদের মাঝে গত ১৩ বছর ধরে যারা আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে নেমে ক্ষমতাসীন দলের হামলা-মামলার শিকার হয়ে কারাভোগ করেছেন এবং মামলায় জর্জরিত হয়েছে তারা পদে আসাতে চাচ্ছেন। তবে ত্যগীদের শঙ্কা পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সুবিধাবাদীরা গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেবে।

 

 

আর যারা গা-বাঁচিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য ঠিক রেখেছেন তাদের আধিক্য দেখা যেতে পারে কমিটিতে। যা নিয়ে ক্ষোভ বিরাজমান ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে। এ ছাড়া মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষিত হওয়ার পর সেই কমিটি থেকে কয়েকজন পদত্যাগ করে পৃথকভাবে কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন।

 

 

২০০৩ সালে জেলা বিএনপি’র সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তৈমূর আলম খন্দকার। ওয়ান ইলেভেনের সময় সংস্কারবাদী হিসেবে অধ্যাপক রেজাউল করিমকে বাদ দিয়ে ২০০৯ সালে তৈমূর আলমকে সভাপতি ও কাজী মনিরুজ্জামানকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা বিএনপি’র কমিটি করা হয়।

 

 

২০১৬ সালে কাজী মনিরুজ্জামান সভাপতি ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হন। পরে ২০২০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপি’র কমিটি ভেঙে দিয়ে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে তৈমূর আলমকে আহ্বায়ক ও মামুন মাহমুদকে সদস্য সচিব করে কেন্দ্র থেকে জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেয়া হয়।

 

 

কিন্তু ২০২২ সালের জানুয়ারিতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে তৈমূর আলম খন্দকার দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মেয়র নির্বাচন করায় তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় এবং ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা হয় মনিরুল ইসলাম রবিকে।

 

 

সর্বশেষ ১৫ই নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনকে আহ্বায়ক, গোলাম ফারুক টিটুকে সদস্য সচিব ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক করে ৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা দেয় কেন্দ্র। কিন্তু জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের সিংহভাগ কমিটির সম্মেলন হচ্ছে না বছরের পর বছর ধরে। ফলে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি না হওয়ায় সাংগঠনিক অবস্থা নড়বড়ে হয়ে আছে। তার ওপর রয়েছে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে অনৈক্য।

 

 

বিএনপি’র কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, জেলা বিএনপি’র নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর মাঠপর্যায়ের কর্মীরা আরেক ধাপ সক্রিয় হয়েছে দলীয় কর্মসূচি পালনে। মামলার বোঝা মাথায় নিয়েই নেতাকর্মীরা দলীয় কর্মসূচি পালনে মাঠে নামছে। যদিও পুলিশের গায়েবি মামলা অব্যাহত রয়েছে।

 

 

গত কয়েকদিনে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা ও রূপগঞ্জ, সোনারগাঁ, সদর মডেল থানা, বন্দরসহ বিভিন্ন থানায় বেশ কয়েকটি গায়েবি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি’র নেতারা। তবে মান-অভিমান ও ভেদাভেদ ভুলে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হলে মামলা-হামলা ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না বিএনপি’র নেতাকর্মীরা এবং আগামী দিনে সরকারবিরোধী আন্দোলন চাঙ্গা হবে- এমনটাই মনে করছেন মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

 

 

অন্যদিকে জাতীয় পার্টির কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে। ২০১৪ সালের ৩০শে এপ্রিল জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের মৃত্যুর পর। ওই আসনে বর্তমানে তার ছোট ভাই সেলিম ওসমান সংসদ সদস্য। তাকে ঘিরেই মাঝে মধ্যে জাতীয় পার্টির তৎপরতা দেখা যায়।

 

 

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনে সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা জাতীয় পার্টির একটা অবস্থান তৈরি করে রেখেছেন। জামায়াতে ইসলামী জেলায় তাদের কার্যক্রম অনেকটা গুটিয়ে রেখেছে। তবে হঠাৎ হঠাৎ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রশিবিরের ঝটিকা মিছিল দেখা যায়।

 

 

অপরদিকে বামদলগুলো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ঊর্ধ্বগতিসহ নানা ইস্যুতে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে মিছিল-মিটিং করে যাচ্ছে। এছাড়া মহানগর আওয়ামী লীগও ১০ ডিসেম্বরের আগে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে।

 

 

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল বলেন, বিএনপি’র জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন মোকাবিলায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ করবো। বিএনপির যে কোন নৈরাজ্যকে প্রতিহত করার জন্য আমরা এলাকার ময়মুরুব্বিদের নিয়ে সর্বাত্মক প্রস্তুত আছি। তাদেরকে কোন রকম নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না।

 

 

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা বলেন, ১০ ডিসেম্বর বিএনপির যে কোন নৈরাজ্য সৃষ্টি হলে তাদের প্রতিহত করার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। সেই সাথে পাড়া মহল্লায় নেতা কর্মীরাও পাহাড়ায় থাকবে। তাদের জালাও পোড়াও কোন ভাবে মেনে নেয়া হবে না।

 

 

জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন বলেন, সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে আছে। এ সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ ফুঁসে উঠছে। যার প্রমাণ বিভাগীয় মহাসমাবেশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য মানুষ মাঠে নেমেছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হলে দেশে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা পাবে।

 

 

বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে, তারেক রহমান দেশে ফিরবে, জণগণের ভোটের অধিকার রক্ষা হবে। তাই আমরা সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে সাফল্য মন্ডিত করবো। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটানো হবে।

 

 

মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এইচ মামুন বলেন, আগামী ১০ই ডিসেম্বর ঢাকার মহাসমাবেশে নারায়ণগঞ্জ থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং প্রস্তুতিমূলক সভা, লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করছি।

 

 

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য মানুষ মাঠে নেমেছে। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দিকনির্দেশনায় আমরা সকল বাধা উপেক্ষা করে সমাবেশে যোগ দিবো ইনশাআল্লাহ। সেই সাথে সমাবেশকে বাস্তবায়ন করবো। কোন হামলা মামলা বাধায় বিএনপির সমাবেশ বাঞ্চাল করতে পারবে না।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন