# মানুষ হতাশায় থাকলে এই ধরনের কথা বলে : ভিপি বাদল
# এইটা তার ব্যক্তিগত মতামত : মীর সোহেল
#এই ধরনের কথা বলা তার ঠিক হয় নাই : শওকত আলী
কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমানের কথা শুনতে আর রাজি নন এবং বিএনপি নেতারা ব্যবসা বানিজ্য করে জাগছে আর আমরা ডুবছি এমন বক্তব্যে দেওয়ার পর তিনি অনেকটা বেকায়দায় আছেন তার এমন বক্তব্যের পর থানা ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা ক্ষোভ জানিয়েছেন।
জানা যায়,গত ৭ ডিসেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় কুতুবপুরের চিতাশাল এলাকায় এক প্রস্তুতির সভার আয়োজন করা হয় সেই আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন কুতুবপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন। বিএনপির সমাবেশ ঠেকাতে এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেওয়ার ঘোষনা দেন প্রস্তুতি সভায় আগত নেতাকর্মীরা।
তবে সবার শেষে বক্তব্য রাখেন কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন যিনি বরাবরের মতোনই বিতর্কিত কথাবার্তার মাধ্যমে নিজেকে আলোচনায় রাখতে নিজেকে অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ মনে করেন এর ব্যতিক্রম আজকেও ঘটেনি।এবার তিনি সরাসরি নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাংসদ এ কে এম শামীম ওসামনের কথা না শোনার ঘোষনা দিলেন।
জসিম উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, আগামী ১০ তারিখ কোন ভাবেই বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢাকায় যেতে দেওয়া হবে না। তাদের পথ আটকে দেওয়া হবে। বিএনপির এই চোখ রাঙ্গানী আমরা আর শামীম ওসমানের কথা শুনতে রাজি না বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্যবসা বানিজ্য করে জাগছে আমরা আওয়ামী লীগ নেতারা আরও ডাবছি। আমরা শামীম ওসমানকে বলবো যদি হয় আমাদের নিয়া রাজনৈতি করেন না হয় আমাদের বাদ দিয়া দেন। একটা বিএনপি এলাকায় থাকতে দিমু না।
শুধু তাই নয় প্রস্তুতি শেষ হতে না হতেই তাদের নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল হাতাহাতির মতো ঘটনা ঘটে। এমন একটি সভায় এই ধরনের ঘটনা ঘটায় অনেক নেতাকর্মীই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আবার এমন ঘটনায় অনেকেই মনে করেন তারা বিএনপির নৈরাজ্য ঠেকাবে তারা নিজেরাই তো নিজেদের কে নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারে না।
কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিমের এমন বক্তব্যের জবাবে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল বলেন, যদি তিনি এই ধরনের কথা বলে থাকে তাহলে অবশ্যই থানা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দদের এটা দেখা উচিৎ।
এরকম কথা বলা ঠিক হয়নি আর এইটা তার ব্যক্তিগত কথাবার্তা। মানুষ নানান ধরনের হতাশায় থাকলে এই ধরনের কথা বলে ।আমি এটা এখনই থানার প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারীকে জানাবো তারাই এই ঘটনার খোজ নেবে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী জানান, এইটা তার ব্যক্তিগত মতামত। শামীম ওসমান বিএনপি জামাতকে ব্যবসা করার জন্য শেল্টার দেয় এটা আমরা মনে করিনা।
এ বিষয়ে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী জানান, আমার মনে হয় উনি একজন পলিটিকাল লিডার হয়ে একটা ইউনিয়নের দায়িত্বশীল ব্যাক্তি হয়ে তার এই ধরনের কথা ঠিক হয় নাই। আবার এমনও হতে পারে ক্ষোভ থেকে বলতে পারে তবে তার এই কথায় আমি অবশ্যই নিন্দা জানাই। আমার মনে হয় জসিম সাব যাকে উদ্দেশ্যে করে বলে থাকুক এটা তার দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে বলা ঠিক হয় নাই।
এস.এ/জেসি


