Logo
Logo
×

রাজনীতি

বক্তাবলীর সম্মেলন নিয়ে কী ভাবছেন নেতারা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:১৪ পিএম

বক্তাবলীর সম্মেলন নিয়ে কী ভাবছেন নেতারা
Swapno

 

# ১০ ডিসেম্বর পর সিদ্ধান্ত
# পুনরায় সম্মেলনের দাবী জানাই: শফিক

 

ঢাকঢোল পিটিয়ে দীর্ঘ ১৯ বছর পর ২৬ নভেম্বর ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। নতুন নেতৃত্ব আসবে এমন আশা করা হলেও দিন শেষে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরেন নেতা কর্মীরা। আর তা হলো নতুন কমিটি বা নতুন নেতা ঘোষনা না হওয়ায়।

 

 

সম্মেলন হলো এবং বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হলো কিন্তু নতুন কমিটি হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। কারন ২২৬ নভেম্বর বক্তাবলী আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৫ জন প্রার্থীদের মাঝে কোন সমোজতা না হওয়ায় ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন শুরু হয়। কিন্তু কিছুক্ষন ভোট গ্রহন চলার পর সভাপতি প্রার্থীদের সমর্থকদের মাঝে হট্টগোল তৈরী হয়।

 

 

এক পর্যায় তা হাতা হাতিতে চলে যায়, যা জেলা এবং থানার শীর্ষ নেতারা নিয়ন্ত্রন করতে না পারায় সম্মেলন স্থগিত করা হয়। পরে কোথায় কবে সম্মেলন হবে তা জানানোর কথা হলেও ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয় নাই। আর এতে করে পদ প্রত্যাশী নেতারা হতাশ হয়ে আছে। সেই সাথে আগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রামে বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতারা নেতৃত্ব হারা হয়ে যাওয়ায় ছন্ন ছাড়া হয়ে আছে তৃনমূল নেতা কর্মীরা।

 

 

এদিকে দলীয় সূত্র বলছে, আগামী নির্বাচনে কিংবা বিএনপির নৈরাজ্যকে প্রতিহত করতে হলে খুব দ্রুত কমিটি করতে হবে। কেননা এখানে বর্তমানে কমিটিহীন থাকায় নেতারা ছন্ন ছাড়া আছে। তাছাড়া কবে নাগাদ পরবর্তি সম্মেলন হবে তা নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। তবে ফতুল্লার শীর্ষ নেতারা জানান জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে বসে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 

 

আর সেটা হবে ১০ ডিসেম্বরের পরে। তবে স্থানীয় নেতাদের দাবী দ্রুত কমিটি দেয়া না হলে বিএনপিকে দমানোর জন্য লোক সমাগম বাধা হতে পারে। কেননা কমিটি না থাকায় নেতা কর্মীরা কার নেতৃত্বে আসবে তা নিয়ে জটিলতা তৈরী হবে। আর এজন্য দ্রুত কমিটি দেয়ার দাবী জানান তারা।

 

 

ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বক্তাবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শওকত আলী জানান, ১০ ডিসেম্বরের পর বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। পুনরায় সম্মেলন দেয়া হবে। তার জন্য আমরা জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সেই সাথে পুনরায় সম্মেলন হবে নাকি আহ্বায়ক কমিটি হবে তা পরবর্তিতে জানানো হবে।

 

 

ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আমরা সকল নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানের সাথে আলোচনা করে ১০ ডিসেম্বরের পর বসে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আমি চাই তৃনমূল নেতা কমীরা যে ভাবে চায় তাদের মতের দিকে তাকিয়ে যেন সম্মেলন হয়। সেই সাথে কোন ধরনের নৈরাজ্য যেন না হতে পারে। সঠিক ভাবে যেন কমিটি হয়। তা দ্রুত হয়ে যাবে।  

 

 

বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি সহ আমাদের বক্তাবলী আওয়ামী লীগের তৃনমূল নেতা কর্মীরা পুনারয় সম্মেলনের দাবী জানাই। আর তা নিরপাদ স্থানে।

 

 

সেই হিসেবে আমাদের তৃনমুল থেকে দাবী উঠেছে কানাই নগর স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে যেন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বের প্রতিফলন ঘটুক। কেউ যেন কোন ভাবে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখার আহবান জানান তিনি।

 

 

বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, স্বাধীনতার স্বপক্ষের মুক্তিযুদ্ধে চেতনাকে টিকিয়ে রাখার জন্য দক্ষ নেতৃত্বের প্রয়োজন। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের বক্তাবলী আওয়ামী লীগে দক্ষ নেতাদের হাতে নেতৃত্ব দেয়া প্রয়োজন। যাদের নেতৃত্বে আমরা পরিচালিত হই তারা যেন বক্তাবলীর নেতৃত্ব দক্ষ নেতৃত্বের হাতে তুলে দেন।

 

 

যারা তৃনমূলকে মুল্যায়ন করে কর্মীদের রাজপথে সক্রিয় করে রাখবে এরকম দক্ষ নেতৃত্বের হাতে আসুক। বিএনপিকে প্রতিহত করতে হলে এই মুহুর্তে বক্তাবলীতে দক্ষ শক্তিশালী কমিটি প্রয়োজন। এখানে দক্ষ নেতৃত্বের বিকল্প নেই। এছাড়া সরকার উৎখাতের বিএনপির নিল নকশা প্রতিরোধের জন্য সকলের সম্মিলিত ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সেই সাথে তাদের যে কোর নৈরাজ্য দমন করতে হবে।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন