সমাবেশ থেকে কী বার্তা পেল বিএনপি কর্মীরা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৩৮ পিএম
# গোলাপবাগ থেকে ১০ দফা দাবি
# বিএনপির ৭ এমপির পদত্যাগ
# কর্মসূচি নিয়ে মাঠে তৎপর না.গঞ্জ বিএনপি
সকল জল্পনা কল্পনা শেষে পূর্ব ঘোষিত একদিন আগে অনুমোদন নিয়ে ঢাকার গোলাপবাগ মাঠে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় মহা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিএনপি পল্টনে তার নিজস্ব কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার অনুমোদন চাইলেও তাদেরকে ঢাকা পুলিশ কমিশনার সেখানে অনুমোদন না দেয়ায় বাধ্য হয়ে গোলাপবাগ মাঠে করতে হয়।
৩ মাস আগে থেকে ঢাকার সমাবেশ নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে কুটনৈতিক মহল সহ সারাদেশে ব্যাপক আলোচনা তৈরী হয় বিএনপির সমাবেশ নিয়ে। সেই সাথে সর্ব মহলে একটি প্রশ্ন এরইমধ্যে দেখা দিয়েছে ১০ ডিসেম্বরের পর বিএনপি আসলে কী করতে চায়? গতকালের সমাবেশ থেকে স্থানীয় বিএনপি নেতারা কী মেসেজ পেয়েছেন।
তাছাড়া আগামী দিনে তারা কোন পথে আগাবে। তবে ইতোমধ্যে বিএনপি সরকারকে পদত্যাগের দাবী জানিয়ে সমাবেশ থেকে ১০ দফা দাবী জানিয়েছেন। কিন্তু ক্ষমতাসীন দল তা কতটুকু আমলে নিবে কিংবা মেনে নিবে তা নিয়ে এখন আলোচনা তৈরী হয়েছে।
এ ছাড়া বিএনপির ৭ সংসদ সদস্য সংসদ বিলুপ্তির ঘোষনা দিয়ে সমাবেশ থেকে তারা পদত্যাগের ঘোষনা দিয়েছে। তাছাড়া ২৪ ডিসেম্বর বিএনপি সমমনা দলগুলোকে নিয়ে সারা দেশে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে গণমিছিল পালন করার কর্মসূচি দিয়েছে। পাশাপাশি ১৩ ডিসেম্বর দলটি সারা দেশে সব বিভাগীয় ও জেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করার ঘোষনা দিয়েছে।
এদিকে দলীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিভাগীয় মহা সমাবেশ অনুমোদন পাওয়ার পর পরই গোলাপবাগ মাঠে মানুষের মিছিলে ভরে যায়। তাছাড়া একদিন আগেই রাতের বেলা সমাবেশস্থল নেতা কর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হতে থাকে।
শীতকে উপেক্ষা করে নেতা কর্মীরা সরকারের পদত্যাগের দাবীতে স্লোগান দিতে থাকেন। তবে বিএনপির এই মহা সমাবেশকে বাঞ্চাল করার জন্য ক্ষমতাসীন দলীয় দল নানা ভাবে বাধা সৃষ্টি করেছে বলে নেতাদের অভিযোগ। এছাড়া সমাবেশের আগের দিন বিএনপির শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পাশা পাশি নারায়ণগঞ্জ যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি সহ ১০ থেকে ১৫ জন নেতা কর্মী গ্রেপ্তার হন। বিএনপির নেতা কর্মীরা বিভিন্ন সভায় বলেছে ঢাকার বিভাগীয় সমাবেশের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথায় দেশ চলবে। তাদের সেই বক্তব্যই বা কতুটুক বাস্তবায়ন হবে।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা মহানগর বিএনপির নেতা কর্মীরা এই সমাবেশ থেকে কী বার্তা পেলেন। যা নিয়ে তৃনমূল নেতা কর্মীদের কত দিন পর্যন্ত জাগিয়ে রাখতে পারবে। দীর্ঘ দিন ক্ষমতার বাইরে থেকে তারা কতটুকু দলের নেতা কর্মীদের মাঠে ধরে রাখতে পারবে। এই সকল প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য উপেক্ষায় আছে বিএনপি নেতা কর্মী থেকে শুরু করে তাদের সমর্থকরাও।
অপরদিকে বিএনপির দেয়া ১০ দফা দাবী নিয়ে আশা দেখছে বিএনপি নেতা কর্মীরা। যদিও তাদের দাবী মানা নিয়ে সরকারের তেমন কোন কর্ণপাত নেই। তার পরেও আশা ছাড়েন নাই বিএনপি। গতকাল ঢাকার গোলাপবাগ মহা সমাবেশ থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন ১০ দফা দাবী তুলে ধরেন।
বিএনপির ১০ দফা দাবিতে যা যা রয়েছে: ১. বর্তমান অনির্বাচিত, অবৈধ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করে ভোটবিহীন, গণতন্ত্র হরণকারী, লুটেরা ক্ষমতাসীন সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। ২. ১৯৯৬ সালে সংবিধানে সংযোজিত ধারা ৫৮ খ, গ ও ঘ এর আলোকে দলনিরপেক্ষ একটি অন্তর্র্বতীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করতে হবে।
৩.নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ অন্তর্র্বতীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বর্তমান অবৈধ নির্বাচন কমিশন বাতিল করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করবে।
এই নির্বাচন কমিশন অবাধ নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আরপিও সংশোধন, ইভিএম পদ্ধতি বাতিল ও পেপার ব্যালটের মাধ্যমে ভোটের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার বাতিল করতে হবে।
৪. খালেদা জিয়াসহ সব বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মী, পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী সব মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিক এবং আলেমদের সাজা বাতিল, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও রাজনৈতিক কারাবন্দীদের অনতিবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।
দেশে সভা-সমাবেশ ও মতপ্রকাশে কোনো বাধা সৃষ্টি না করা। সব দলকে স্বাধীনভাবে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে প্রশাসন ও সরকারি দল কর্তৃক কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা বাধা সৃষ্টি না করা। স্বৈরাচারী কায়দায় বিরোধী কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করার লক্ষ্যে নতুন কোনো মামলা ও বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার যাবে না।
৫. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮, সন্ত্রাস দমন আইন-২০০৯ এবং বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪-সহ মৌলিক মানবাধিকার হরণকারী সব কালাকানুন বাতিল করতে হবে।
৬. বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস, সার, পানিসহ জনসেবা খাতগুলোয় মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে হবে।
৭. নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারকে সিন্ডিকেটমুক্ত করতে হবে। মুদ্রাস্ফীতির আলোকে শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, শিশুশ্রম বন্ধ করা ও কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে।
৮. গত ১৫ বছরে বিদেশে অর্থ পাচার, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত, শেয়ার বাজারসহ রাষ্ট্রীয় সব ক্ষেত্রে সংঘটিত দুর্নীতি চিহ্নিত করার লক্ষ্যে একটি কমিশন গঠন করতে হবে।
৯. গত ১৫ বছরে গুমের শিকার সব নাগরিককে উদ্ধার করতে হবে এবং বিচারবহির্ভূত হত্যা ও রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার আইনানুগ বিচারের ব্যবস্থা করে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর, উপাসনালয় ভাঙচুর ও সম্পত্তি দখলের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়ায় শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
১০. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও বিচার বিভাগকে প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ও পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের উপযোগী করার লক্ষ্যে সরকারি হস্তক্ষেপ পরিহার করে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
জানা যায়, গতকাল বেলা ১১টা থেকে সভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আগের দিন রাতেই গোলাপবাগ মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। গতকালকের সমাবেশের উল্লেখযোগ্য দিক ছিল বিএনপির সাত সংসদ সদস্যের পদত্যাগের ঘোষণা।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড.সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামানোর জন্য আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। আমরা সমাবেশ থেকে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে আসছি সরকারের সকল নির্যাতন সহ্য করে আগামীতে আন্দোলনকে বেগমান করবো।
প্রথমে যে এক দফা আন্দোলনের কর্মসূচি দিবে সেই আন্দোলনে আমরা সর্বাত্বক ত্যাগ শিকার করে তা বাস্তবায়ন করবো। এই সমাবেশ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আমরা বুঝতে পেরেছি সরকারি দলের ক্যাডার বাহিনীর মহরা এবং তাদের বাধা বিঘ্ন থেকে দুই বিষয়ে আমাদের শক্তিশালী হতে হবে। তার মাঝে একটি হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলা।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন বলেন, এই সমাবেশের জনস্রোত প্রমান করে মানুষ এই সরকারকে আর চায় না। সমাবেশকে বাঞ্চাল করার জন্য ক্ষমতাসীন দল নানা ভাবে পায়তার করেও ব্যর্থ হন।
কেননা তারা সাধারণ মানুষের অংশ গ্রহন ঠেকাতে পারে নাই। তাছাড়া দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারনে জনগণ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে পতন ঘটাতে চায়। তাই সমাবেশ থেকে যে ১০ দফা দাবী ঘোষনা করা হয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য আমরা আর শক্তিশালী ভাবে পাড়া মহল্লায় প্রতিবাদ গড়ে তুলবো।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন বলেন, সরকার বিএনপির শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করেও ঢাকার গোলাপবাগ সমাবেশের জনস্রোত ঠেকাতে পারে নাই। মানুষ এই সরকারকে যে চায় না তা এই সমাবেশের মাধ্যমে আমরা বিশ্বাসে বুঝিয়ে দিতে পেরেছি।
এই সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন যে ১০ দফা দাবী তুলে ধরেছেন তা সামনে রেখে আমরা সরকার পতনের আন্দোলনে এগিয়ে যাবো। আমাদের মূল দাবী হলো এই অবৈধ সরকারের পতন ঘটানো। সমাবেশ থেকে প্রমান হয়েছে জনগণ আমাদের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে।
কেননা মাঠের থেকে কমলাপুর থেকে খিলগাও ফ্লাইওভার সড়ক. অপর দিকে মতিঝিল আরামবাগ, এদিকে সায়েদাবাদ হয়ে যাত্রাবাড়ি মোড় সকল রাস্তায় মানুষে ভরে যায়। আর এতেই প্রমান হয় মানুষ এই সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। মানুষের ভোটাধিকার আদায়ের জন্য আমরা আন্দোলনকে আরও বেগমান করে যাবো।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ বলেন,দেশের প্রতিটি বিভাগে মহা সমাবেশ করার ঘোষনা আমাদের আগে থেকেই ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় সবর্শেষ ঢাকার সমাবেশ গতকাল গোলাপবাগ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের সমাবেশের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারের দুর্নীতি, রিজার্ভ সংকট, ভোট ডাকাতি সহ দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
সেই সাথে মানুষকে ঐক্যবদ্ধের মাধ্যমে সচেতন করে তোলা। এই সমাবেশের মাধ্যমে আমরা তা করতে পেরেছি। কেননা সরকার শত বাধা দিয়েও ঢাকার সমাবেশের জনস্রোত ঠেকাতে পারে নাই। যে ১০ দফা দাবী জানানো হয়েছে তা সামনে রেখে আমরা আগামীতে আন্দোলন সংগ্রামে এগিয়ে যাবো।
বিএনপি নেতা সাখাওয়াত বলেন, আমরা সব সময় চেয়েছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরপেক্ষ ভুমিকা পালন করবে। কোন দলের হুকুমের দাস হয়ে থাকবে না। আইনানুগ যে ভুমিকা পালন করা দরকার তারা তা ভুলে গেছে। অবৈধ সরকারের হুকুমে পুলিশ বাহিনী বেআইনি ভাবে বিএনপি নেতাদের গ্রেপ্তার, নির্যাতন করছে তাতে বুঝা যায় তারা আইনকে তোয়াক্কা করছে না।
তাদের আইনি কাজের জন্য শাস্তি এক সময় ভোগ করতে হবে। তাদের সংযত হওয়া উচিৎ। এই সমাবেশের মাধ্যমে প্রমানিত আওয়ামী লীগকে এই দেশের জনগণ আর চায় না। বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপির নেতা কর্মীদের থেকে সাধারন মানুষ অংশ গ্রহন করেছে। নেতা কর্মীদের থেকে খেটে খাওয়া মানুষ সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ। আমরা সরকার পতনের আন্দোলনের জয়ী হয়ে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করবো।
মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এইচ মামুন বলেন, আমাদের বিএনপির নিতী নির্ধারকরা চেয়েছিল শান্তিপুর্ণ ভাবে সমাবেশ করার জন্য। আমরা তা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছি। আমাদের যে কোন বিশৃঙ্খলা তৈরীর উদ্দেশ্য ছিল না তা এই সমাবেশের মাধ্যমে প্রমান হয়েছে।
কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডার বাহিনী এবং তাদের পোষ মানা প্রশাসন তা বাঞ্চালের জন্য নানা ভাবে পায়তারা করেও ব্যর্থ হন। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা এই সরকারের পতন ঘটাবো। গতকালকের সমাবেশ বাস্তবায়নে সারা বিশ্ব দেখছে আমরা যে শান্তিপুর্ণ সমাবেশ করতে পারি।
এই সরকার মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ক্ষমতায় টিকে আছে। একই সাথে তারা মানুষকে জিম্মি করে ক্ষমতায় টিকে আছে। শত বাধা দিয়েও তারা মানুষের জনস্রোত বন্ধ করতে পারে নাই। প্রধান অতিথির ঘোষিত ১০ দফা দাবীর ভিত্তিতে সামনের আন্দোলন সংগ্রাম এগিয়ে যাবো।
মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ বলেন, গতকালকের সমাবেশ থেকে পরিস্কার হয়েছে মানুষ এই সরকার থেকে দেশ রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছে। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য নতুন প্রজন্মকে নিয়ে আরেক মুক্তিযুদ্ধে নামতে হবে। আর সেই যুদ্ধ হবে মানুষের ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সরকারের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
সমাবেশ থেকে ১০ দফা ঘোষনার দাবী নিয়ে আমরা আন্দোলনকে সামনের দিকে আরও বেগবান হয়ে এগিয়ে যাবো। সব কিছ মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা হচ্ছে বিএনপি বিভাগীয় সমাবেশের মাধ্যমে যে ভাবে জেগে উঠেছে তা তাদের ধরে রাখতে পারলেও তাদের আন্দোলন সফল হবে। সেই সাথে সরকারের পতন ঘটাতে পারে।


