গিয়াস-খোকনের নেতৃত্বে কাপলো ঢাকার রাজপথ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:০৪ পিএম
১০ ডিসেম্বরের জনসভাকে সফল করার লক্ষ্যে ব্যাপক লোকসমাগমের মাধ্যমে ঢাকার রাজপথ কাপালেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুব মহিলা দল, কৃষকদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেনী পেশার প্রায় ২০ হাজার লোক নিয়ে জেলা বিএনপির আহবায়ক মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন ও সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকনের নেতৃত্বে জনসভায় যোগ দিয়েছে।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর গোলাপবাগ স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়। ভোর সকাল থেকেই জেলা বিএনপি'র ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে খিলগাঁও শহীদ বীর শ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের সামনে এসে জড়ো হতে থাকে।
সমাবেশে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য রেখেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক সাংসদ মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। গোলাপবাগ মাঠে সমাবেশের জন্য তৈরি করা নির্ধারিত মঞ্চে সাবেক এই সংসদ সদস্য অবস্থান করেন এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তিনি এদিন বক্তব্যও রাখেন।
বক্তব্যে গিয়াসউদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকারের সময় স্বাধীনতার যে মূল লক্ষ্য গনতন্ত্র তা সম্পূর্ন ভাবে বিপন্ন হয়ে যাওয়ার পরে মানুষ যখন তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত এবং মানুষ যখন দিশেহারা তখন জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এদেশের দু:সময়ে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগনের অধিকার আদায় সংগ্রামের ডাক দিয়েছেন।
আজকে দেশের সর্বস্তরের মানুষ ১৯৭১ সালের মতো এ আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েছে। ১০টি জনসভার মধ্যে সর্বস্তরের মানুষ ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করার মধ্য দিয়ে এটাই প্রমাণ করেছে তারেক রহমান যোগপোযোগী কর্মসূচি দিয়েছে।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর গোলাপবাগ স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। সেখানে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমাদের সকল বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে সুযোগ্য এ নেতার সিদ্ধান্তের জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ইনশাল্লাহ এ দেশের মেহনতী মানুষ আবার সংর্ঘবদ্ধ হয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে এ আন্দোলনকে সফল করবে।
সমাবেশমঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, রাজশাহীর সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনুকুল হাসান শ্রাবণ।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান। সঞ্চালনা করছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল।
এর আগে সকাল দশটার দিকে দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার ছবিসহ স্থানীয় নেতাদের ছবি সম্বলিত প্লাকার্ড নিয়ে মাথায় লাল-সবুজ ক্যাপ এবং হাতে হাতে ব্যানার-ফেস্টুন সুসজ্জিত হয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই স্লোগানে স্লোগানে ঢাকার রাজপথ কাপিয়ে সমাবেশস্থলে অংশগ্রহণ করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি, শহিদুল ইসলাম টিটু, মাশুকুল ইসলাম রাজিব, লুৎফর রহমান খোকা, জুয়েল আহম্মেদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন শিকদার, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রিয়াদ চৌধুরী।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সহিদুর রহমান স্বপন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মন্টু মেম্বার, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুর নাহার বেগমসহ প্রমুখ।
এস.এ/জেসি


