Logo
Logo
×

রাজনীতি

বিশৃঙ্খলা করা হলে প্রতিহত করবে আওয়ামীলীগ

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:১৯ পিএম

বিশৃঙ্খলা করা হলে প্রতিহত করবে আওয়ামীলীগ
Swapno

 

ঢাকায় বিএনপির আলোচিত গণসমাবেশ থেকে ১০ দফা দাবি তোলা হয়েছে আর এসব দাবিগুলো নিয়ে বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া যুগপৎ আন্দোলনকে ভেগবান করতে এবং ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নে গণমিছিল করবে বিএনপি। তবে দ্বিতীয় দফায় বিএনপি গণমিছিলের মাধ্যমে যুগপৎ আন্দোলনে পর্দাপন করতে যাচ্ছে। যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপির পাশে ৩৩ দলসহ ধর্মভিত্তিক দলগুলো পাশে থাকবে। এরই মধ্যে বিএনপির নেতাকর্মীরা দলের গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তির প্রতিবাদে দ্বিতীয় দফায় রাজপথে নেমে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন যেটা নারায়ণগঞ্জ জেলা এবং মহানগর বিএনপিও করেছে। তবে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগ নেতারা বলছে মিছিল মিটিং করবে এটা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে আন্দালনের নামে বামদল এবং ধর্মবিত্তিক দলগুলোকে নিয়ে আবারও নাশকতা তৈরী করা হয় তাহলে আওয়ামীলীগ কঠোর হস্থে দমন করবে।

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ থেকে বিএনপির ১০ দফা দাবি আসে। আর এই ১০ দফা দাবিকে সামনে রেখে বিএনপি নবউদ্যমে গণমিছিলের মাধ্যমে রাজপথে নামছে। তবে বিএনপি এই গণমিছিলের কর্মসূচী নির্ধারণ করেন ২৪ ডিসেম্বর তবে সেদিন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সম্মেলন থাকায়  বিএনপি এই গণমিছিলের তারিখ পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু বিএনপি এই গণমিছিল মাধ্যমে আবারও দ্বিতীয় দফায় মাঠে নামতে যাচ্ছে আর দ্বিতীয় দফায় বামদল ধর্মভিত্তিকদল সহ মোট ৩৩ দল বিএনপির পাশে থাকবে। তবে ধর্মভিত্তিকদলগুলোর মধ্যে আবারও জামাতের নাম উঠে আসছে। যার কারণে ফের আলোচনায় উঠে এসেছে জামাত বিএনপির রাজনীতি। যার ফলে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ আবারও হার্ডলাইনে যেতে পারে।

 

সে দ্বারায় নারায়ণগঞ্জ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের নেতারা ইতিমধ্যেই সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে গণতান্ত্রিক দেশে গণতান্ত্রিক উপায়ে সকলে মিছিল মিটিং করতে পারবে। তবে তারা যদি মিটিং মিছিলের নামে কোন নাশকতা জ্বালাও পোড়াও করে আমরা প্রতিহত করব। কারণ ১০ ডিসেম্বর বিএনপি গণসমাবেশের দিন নারায়ণগঞ্জে কোন রকম নাশকতা ঘটতে দেয়া হয়নি আমরা রাজপথে অবস্থান করে প্রতিহত করেছি। বিএনপি দ্বিতীয় দফায় আবারও যদি বাম এবং ধর্মবিত্তিক দলগুলোকে নিয়ে মাঠে নামে। এতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও সরগরম হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু ধর্মবিত্তিক দলগুলোর মধ্যে জামাতের নাম উঠে আসছে। তবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের নেতারা বলছেন জামাত আবারও বিএনপির সাথে মিলে কোন বিশৃঙ্খলা এবং উশৃঙ্খল কর্মকান্ড করে তাহলে আমরা স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে কঠোর ভাবে প্রতিহত করব।

 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় পরিষদের সদস্য আনিসুর রহমান দিপু যুগের চিন্তাকে জানান, আন্দোলন করা মিছিল করা মিটিং করা একটা গণতান্ত্রিক অধিকার সেটা তারা করবে তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। আমরা বরাবরই বলছি কোন গণতান্ত্রিক অধিকারকে আমরা ব্যাহত করতে চাই না এটা আমাদের নেত্রীর নির্দেশ। কিন্তু গণতান্ত্রের লেবাসে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নামে যদি কোন নাশকতা মূলক কর্মকান্ড করে কোন জ্বালাও পোড়াও দিকে যদি তারা যায় তাহলে আমরা তাদের প্রতিহত অবশ্যই করব।

 

বিএনপির আবারও জামাতের সাথে জোটে যাওয়ার বিষয়ে বলেন, বাংলাদেশে জামাত এখনো পর্যন্ত একটি নিষিদ্ধ দল জামাত কোন আলোচনায় আসতে পারে না এবং আস্তে আস্তে জামাতের আসল রূপ ফুটে উঠছে। জামাত একাত্তরের সময় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী একটি সংগঠন এবং একটি জঙ্গী সংগঠন। দেশের যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে দৃষ্টি ভঙ্গি নিয়ে কাজ করে সেটা করবে এবং আমরা স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়া দল হিসেবে জঙ্গি এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতি আমাদের যেমন আচরণ থাকা উচিত সেটাই থাকবে।

 

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত শহীদ বাদল বলেন, বিএনপি রাজনীতি করবে এটা তার ফান্ডামেন্টাল রাইট তারা রাজনীতি করতেই পারে। যদি রাজনীতি উশৃঙ্খলমূলক হয় সেটার জন্য আইনগত ব্যবস্থা হবে ডেমোকেটিকাল গভর্নমেন্ট যেটা তাদের ব্যবস্থা নেয়া উচিত সেটা নিবে। আমরা যারা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জনগণের রাজনীতি করি আমরা জনগণকে নিয়ে আমরা রাজনৈতিকভাবে যেকোন অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করব। বিএনপির আবারও জামাতের সাথে জোটে যাওয়ার বিষয়ে বলেন, জামাততো বিএনপির আশ্রয়দাতা প্রশ্রয়দাতা আর জামাতের ঠিকানা হল বিএনপি।

 

তবে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের সাথে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন বাংলার কোন মানুষের অপোষ নাই। আর জামাত নামটি শুনলেই মানুষ শিউড়ে উঠে কারণ এখন বিজয়ের মাস আর এই বিষয়ের মাসে যারা শহীদ পরিবার তারা আরো বেশী আবেগ ইমোশনাল হয়ে যায়। তবে আমরা শহীদ পরিবারের সাথে থাকব নিজেরাও মাঠে থাকব প্রয়োজনে।

 

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গণতান্ত্রিক দেশ গণতান্ত্রিক সরকার আমাদের গণতান্ত্রিক সরকারের আমাদের প্রধাণমন্ত্রী বলছেন গণতান্ত্রিক দেশে গণতান্ত্রিক উপায়ে সকলে মিছিল মিটিং করতে পারবে। কিন্তু শালীনতার মধ্যে কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে আমাদের প্রধাণমন্ত্রী বলে দিয়েছেন যে যদি কোন দল যে মানুষের যান মালের ক্ষতি করে  মানুষের উপর আক্রমণ করে বা গাড়ির উপর আক্রমণ করে বোমা মারে যদি কোন তাহলে আমাদের আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে বলেছে এবং প্রতিহত করতে বলছে। আর না হয় তারা গণতান্ত্রিক উপায়ে শান্তিপূর্ণভাবে মিটিং মিছিল করবে এটাই আমরা চাই যদি কোন অশান্তির সৃষ্টি করে তাহলে তাদের আমরা প্রতিহত করব আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে।

 

আর বিএনপির ধর্মবিত্তিক দল হিসেবে জামাতের নাম শোনা যাচ্ছে জামাততো কোন ধর্মবিত্তিক দল নয়। তবে তারা চিন্তা করে ধর্মবিত্তিক দল তারা কিন্তু তারা ধর্মবিত্তিক দল নয় যদি তারা ধর্মবিত্তিক দল হত তাহলে কখনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করত না উশৃঙ্খল করতেন না মানুষকে মারতেন না মানুষের উপর হামলা করতেন না। ধর্মবিত্তিক দলগুলোর কাজ হল একজন মুসলমান হয়ে তারা কোরআন শিক্ষা দিবেন নামাজ রোজা শিক্ষা দিবেন এটা হলো ধর্মবিত্তিক দল। কিন্তু জামাত একটি উশৃঙ্খল জঙ্গী দল।

এস.এ/জসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন