যুবলীগ নেতা এসটি আলমগীরের ৫৮ বছরে পদার্পণ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:০২ পিএম
নারায়ণগঞ্জ সদর থানা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এসটি আলমগীর সরকার বলেছেন, আমি শহীদ পরিবারের সন্তান। দেশ ১৯৭১ সনের যুদ্ধের সময় আমার বড় ভাই মাজেদুল হক, আমার বড় দাদা সাইজুদ্দিন সরকারসহ আমাদের পরিবারের ৭ জন শহীদ হন। তখন আমি কিছুটা বুঝি। আমার বাবা আমাকে বুকে নিয়ে নদী পার হয়ে কোন রকম রক্ষা পান। আমার পিতাকে যুদ্ধের সময় নির্যাতন করে ফেলে রাখা হয়।
পরবর্তীতে আমরা স্বাধীনতার পর বোস কেবিনের সামনে আমার পিতা হোসিয়ারি ব্যবসা দেন। ৫৮তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে তিনি এই কথা বলেন। যুবলীগ নেতা এসটি আলমগীর সরকার বলেন, আমার পিতা আলীরটেক গ্রামের বড় মাদবর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় পর্যায় ক্রমে বর্তমানে আমি আলীরটেক গ্রামের বড় মাদবর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছি। সেই সাথে সকলের দোয়ায় দক্ষতার সাথে তা পালন করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
১৯৮৬ সনে নাসিম ওসমান এমপি হওয়ার পরে তার নেতৃত্বে রাজনীতিতে আসি। তখন কর্মী হিসেবে কাজ করি। শ্রমিক নেতা সানাউল্লাহ আমাকে তার কাছে নিয়ে আসেন। নাসিম ওসমান হলেন আমার রাজনীতি গুরু। সেই থেকে রাজনীতিতে আমার পদার্পণ। বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে তার আদর্শে আমার নেতা এমপি শামীম ওসমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যাই।
২০০১ সনে শামীম ওসমানের আশীর্বাদে নারায়ণগঞ্জ সদর থানা যুবলীদের কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাই। তখন আমাদের আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান সরকার আমাদের দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই সাথে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদ্য নির্বাচিত জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহিদ বাদলের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে যাচ্ছি। তিনি আমাকে বিভিন্ন সময় দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। তার হাত ধরে আমরা সদর থানা যুবলীগকে শক্তিশালী করছি।
তাছাড়া আমার রাজনীতি গুরু নাসিম ওসমানের ছায়ায় আমি জেলা ট্রাক ট্যাংলড়ি কভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের দায়িত্ব পাই। সেখানেও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। আল্লাহ যেন প্রয়াত এমপি নাসিম ওসমানকে বেহেশত নসিব করেন সব সময় এই কামনা করি। একই সাথে ওসমান পরিবারের নিহত সকল সদস্যদের মাগফেরাত কামনা করি। পাশাপাশি ওসমান পরিবারের জীবিত সকল সদস্যদের দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করি।
নারায়ণগঞ্জ সদর থানা যুবলীগের প্রয়াত সভাপতি সালাউদ্দিন মারা যাওয়ার পর দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপালন করছি। আগামীতে সদর থানা আওয়ামী লীগের গুরত্বপূর্ণ পদে আসার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দলকে সুসংগঠিত করে কাজ করে যাচ্ছি। তাই আমার জন্ম দিনে সকলের দোয়া চাই।
এস.এ/জেসি


