Logo
Logo
×

রাজনীতি

স্বচ্ছ রাজনীতি ফিরছে সোনারগাঁয়ে

Icon

রাজা ইসলাম

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৩, ০৬:১৯ পিএম

স্বচ্ছ রাজনীতি ফিরছে সোনারগাঁয়ে
Swapno


সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক মেরুকরণ বদলাতে সোনারগাঁয়ের স্বচ্ছ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত বেশ কয়েকজন নেতা অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। সোনারগাঁয়ের গ্রুপিং কোন্দলের রাজনীতির বাইরে থেকে তাদের ক্যারেশমেটিক নেতৃত্বে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগে স্বচ্ছ রাজনীতি ফিরতে যাচ্ছে। কারণ সোনারগাঁয়ে আওয়ামীলীগে দীর্ঘদিনের সৃষ্ট গ্রুপিং ভেদাভেদের কারণে সোনারগাঁয়ে আওয়ামীলীগের সংসদ হারিয়েছে এবং ভেদাভেদ গ্রুপিংয়ের কারণে বরাবর নৌকার মনোনয়ন বঞ্চিত হচ্ছে সোনারগাঁয়ের আওয়ামীলীগ নেতারা। সোনারগাঁয়ে এই গ্রুপিং রাজনীতির কারণে চরম মাশুল গুনতে হচ্ছে সোনারগাঁয়ের তৃণমূল নেতাদের। তবে সোনারগাঁয়ে আবারও নৌকা ফেরাতে ঐক্যবদ্ধ রাজনীতির মাধ্যমে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক সাংসদ মরহুম মোবারক হোসেনের পুত্র এরফান হোসেন দীপ। এছাড়া সোনারগাঁয়ের উত্তরাঞ্চল থেকে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের স্বচ্ছ রাজনীতি ফেরাতে কাজ করছেন জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ড. আবু জাফর বিরু।

 

সূত্র বলছে, ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে সোনারগাঁয়ে আওয়ামীলীগের হারিয়ে যাওয়া দীর্ঘদিনের আসনটি বিএনপি থেকে ফিরে পেতে সক্ষম হয়। কারণ সে সময় সোনারগাঁয়ে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে গ্রুপিং নেই বললেই চলত। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে নারায়ণগঞ্জ-৩ সোনারগাঁ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ জনাব আব্দুল্লাহ আল কায়সার রাজনীতিতে অপরিপক্ক থাকায় ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনের আগেই সোনারগাঁয়ে গ্রুপিংয়ের রাজনীতি প্রকট আকার ধারণ করে। যার কারণে ২০১৪ সালে সোনারগাঁ এই আসনটি আবার জাতীয় পার্টির কাছে ছেড়ে দিতে হয়। আর এই গ্রুপিং সৃষ্ট হয় সাবেক সাংসদ কায়সারের এক সময়ের ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালামের সাথে দ্বন্দের কারণে।

 

তখন সোনারগাঁয়ে কায়সার কালাম গ্রুপ হয়ে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। সোনারগাঁয়ের এই গ্রুপিং এর রাজনীতির মধ্য দিয়ে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে বহু অপরিচিত মুখেরি আবির্ভাব ঘটে। তবে এর আগেই নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ড. আবু জাফর বিরুর রাজনীতিতে উত্থান ঘটলেও গ্রুপিংয়ের রাজনীতিতে না জড়িয়ে স্বচ্ছ রাজনীতিতে অটল থাকে। কিন্তু ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে বহু অপরিচিত মুখের অভিভাব ঘটলে সোনারগাঁয়ে গ্রুপিং এর রাজনীতি আরো তীব্রতর হয়। যার কারণে আবারও নারায়ণগঞ্জ-৩ সোনারগাঁ আসনটি মহাজোটের শরীক দল জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিতে হয়। কিন্তু একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সোনারগাঁয়ের সাবেক সাংসদ কায়সার কিন্তু নির্বাচনের কয়েক ঘন্টা আগে নির্বাচন থেকে সরে দাড়াতে হয়।

 

এরপর আবারও সোনারগাঁয়ের আসনটি জাতীয় পার্টির কাছে হাড়িয়ে হতাশাগ্রাস্ত হয়ে পড়ে সোনারগাঁ থানা তৃণমূলের নেতৃবৃন্দরা। ২০১৮ সালের নির্বাচনের বেশ কয়েকদিন পরই সোনারগাঁয়ে রাজনীতিতে এক উদীয়মান নেতা পদার্পন করে। আর সে নেতা হলেন সোনারগাঁয়ের সাবেক সাংসদ মরহুম মোবারক হোসেনের সুযোগ্য সন্তান এরফান হোসেন দীপ। কারণ সে রাজনীতিতে পদার্পন করেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে সোনারগাঁয়ের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ হয়ে উঠে। এছাড়া ২০২০ সালের করোনা মহামারির সময় সোনারগাঁয়ের সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সহযোগীতা করেন। বিগত সময়ে সোনারগাঁয়ের রাজনীতির মাঠ গুছিয়ে আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলছেন দীপ।

 

পাশাপাশি সোনারগাঁয়ে সকল গ্রুপিংয়ের রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে সোনারগাঁয়ের সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ রাজনীতি করার প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন। এছাড়া সোনারগাঁয়ের আরেক নেতা যিনি একাদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ছিলেন ড. আবু জাফর বিরু। দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের স্বচ্ছ রাজনীতিবীদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় সোনারগাঁ গ্রুপিং রাজনীতি থেকে সরে এসে বহু নেতাকর্মীরা ড. আবু জাফর বিরুর নেতৃত্বে রাজনীতি করছেন। পাশাপাশি আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সোনারগাঁয়ের উত্তরাঞ্চল থেকে শুরু করে সোনারগাঁয়ের প্রতিটি অঞ্চলে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগকে ঐক্যবদ্ধ করে যাচ্ছেন। সোনারগাঁয়ে ঐক্যবদ্ধ এবং স্বচ্ছা রাজনীতি ফেরাতে সোনারগাঁয়ের এই দুই নেতা যার যার অবস্থান থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন