Logo
Logo
×

রাজনীতি

কর্মীদের হতাশাগ্রস্থ করা যাবে না; দাবি বিএনপি নেতাদের

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৩, ০১:৩৪ পিএম

কর্মীদের হতাশাগ্রস্থ করা যাবে না; দাবি বিএনপি নেতাদের
Swapno



দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে ক্ষমতার বাহিরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষমতাসীন দলের সরকারের মামলা হামলাসহ নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছে এই দলের নেতাকর্মীরা।

 

 

কিন্তু কোনভাবেই নেতাকর্মীদের দাবিয়ে রাখা যায়নি। তারা বিগত দিনগুলোতে নানা কর্মসূচিতে সক্রিয় না থাকতে পারলেও। বিদায় বছরের মাঝামাঝি সময়ে তারা সরকারের নানা ইস্যূ নিয়ে রাজপথে নামে এবং পুরো বছর জুড়েই ব্যাপক কর্মসূচি পালন করে। আর তার মধ্যে বিদায় বছরের সব থেকে আলোচিত কর্মসূচিটি ছিল ১০ ডিসেম্বর।

 

 

এই ১০ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দলের পুলিশ প্রসাশন বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীদের নামে নাশকতা মামলা দায়ের করেন। এমনকি বিভাগীয় সমাবেশকে বাঞ্চাল করার জন্য বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এখন ও অনেক নেতাকর্মী সেই মামলায় জেল হাজতে রয়েছে।

 

 

কিন্তু চলতি বছরটি বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ একটি বছর যার ফলে তারা নয়া কৌশলে মাঠে নামার প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, চলতি বছরের কর্মসূচিতে কোন বাধা যেন না হয়ে সেই কারণে যারা ১০ই ডিসেম্বরর যে নাশকতা মামলাগুলো রয়েছে সেগুলোর জন্য তারা যাতে কোন বাধাগ্রস্ত না হয় সেই কারণেই তারা হাই কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে রাজপথে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করে।

 

 

কিন্তু সরকার আবার ও তাদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে সেই ১০ই ডিসেম্বরের মামলায় যারা মামলার উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসেছিল এখন তাদের আবার জাজিরার তারিখ আসছে। এবং যখনই তারা এক সাথে ১০ থকে ১২জন হাজিরা দিতে যাচ্ছে তখনই সেখান থেকে ৫জন ৬জন করে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনা ঘটছে। তারা আরো দাবি জানাচ্ছে যে নানা নির্যাতনের পরে ও সরকার নেতাকর্মীদের হাতাশাগ্রস্থ করতে পারছে না তারা আরো উজ্জ্বীবিত হয়ে উঠছে।

 

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১ ডিসেম্বর সদর মডেল থানায় শহরের চাষাঢ়ায় মশাল মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ ও সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা উল্লেখ করে বিস্ফোরণ আইনে বিএনপির ৬৯ জন নেতাকর্মীর নামে মামলা করে পুলিশ। এ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন লাভ করেন।

 

 

কিন্তু পরবর্তীতে (১২ জানুয়ারি) ১৪ জন বিএনপির নেতাকর্মী জামিনের আবেদন করলে আদালত ৫জনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এছাড়া ও গতকাল (১৫ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জে বিএনপির ৬ নেতা-কর্মী আদালতে আত্মসমার্পন করে জামিন আবেদন করার পর তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

 

 

এভাবেই আবার ও তারা বাধার শিকার হচ্ছে। বিএপির মূল দলের নেতাকর্মীরা বলছে এগুলো কোন সুষ্ট সরকারের কর্মকান্ড নয়। তাদের পায়ের নিচে মাটি নেই যার কারণে তারা আবার আমাদের উপরে উঠে পড়ে লগেছে। কিন্তু তারা সকল বাধা নানা প্রকার মামলা, নির্যাতন ও জামিন নামঞ্জুর করে বিএনপি নেতাকর্মীদের হতাশায় ফেলা সম্ভব নয়।

 

 

এই সরকারের পতন অনিবার্য তারা কোন কৌশল অবলম্বন করে আর টিকে থাকতে পারবে না। এ ছাড়া ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও এক বক্তব্যের মধ্যে বলেছে অত্যাচার ও নির্যাতনকে’ জয় করে উজ্জীবিত নেতাকর্মীদের ‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলনেই’ সরকারের পতন হবে। আমাদের শীর্ষ নেতারাও অনেকে জেলে আছেন।

 

 

শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা এই ভয়াবহ দানবকে পরাজিত করব। আর সকল নেতাকর্মীদের দাবি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের সকল নেতাকর্মীদের নিয়মিত খোঁজ খবর রাখেন এবং যারা কারাগারে রয়েছে তাদের প্রতি ও সমবেদনা জানিয়ে জামিনহ নানা বিষয়ের খোঁজ নেন। যার কারণে নেতাকর্মীরা এখর আরো উজ্জ্বীবিত হয়ে গেছে আর তারা কোন বাধাকে আর বাধা মনে করছে না।

 

 

এ বিষয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান যুগের চিন্তাকে বলেন, গত ১৪ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। নেতাকর্মীরা কোন অপরাধ না করা সত্ত্বে ও তারা জেল হাজতে ছিলেন। আর এ সরকার বিচার ব্যবস্থাটাকে হরণ করে রেখেছে।

 

 

যার কারণে দেশের জনগণসহ বিরোধী দলের কেউ ও সুষ্ট বিচার পায় না তারা সুষ্ট বিচার থেকে দেশের জনগণকে ও দূরে রেখেছে। আর বিএনপির নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে হলো তারা শুধু শুধু দলের জন্য মিথ্যা মামলায় জেল হাজত জ্ঞাপন করেছে। তাই এখন তারা আর এটাকে কিছু মনে করে না তারা হাসি মুখেই এই সরকারের নির্যাতন গ্রহণ করে নিচ্ছে।

 

 

অপর দিকে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব সব সময় দলের নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নিচ্ছে এবং তাদের পরিবারের ও খোঁজ খবর নিচ্ছে যার কারণে নেতাকর্মীরা আরো উজ্জ্বীবিত হয়ে হয়েছে আর সকল কাজে অনেকটা উৎফুল্ল।

 

 

এ বিষয়ে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু যুগের চিন্তাকে বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি সরকার আবারো বিরোধী দলের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে আসলে ও তারা পরবর্তী জামিনে তাদের জামিন না মঞ্জুর করে দিচ্ছে এবং নেতাকর্মীদের কারাগারে পাঠাচ্ছে।

 

 

আমি সরকারের এ ধরনের কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দ্রা জানাই। আর সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছে সে যেন দেশের মানুষের বিচার ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেয়। আর আপনারা অবগত আছেন তারা কিন্তু আমাদের অনেক বাধা দিচ্ছেন কিন্তু কোনভাবেই তারা সফল হতে পারছে না কারণ এখন আমাদের সাথে দেশের সকল জনগণের এক্য জোট।  

 

 

অপর দিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা যারা ওয়ার্ড পর্যায়ের আছে তাদের ও নিয়মিত খোঁজ খবর রাখেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যার কারণে তারা নানা নির্যাতনের পরে ও হাসি খুশিভাবে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় রয়েছে।

 

 

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম টিটু যুগের চিন্তাকে বলেন, এখন বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনভাবেই দাবিয়ে রাখা যাবে না। এখন সরকার নানা কৌশল অবলম্বন করছে আমাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা কোনভাবেই সফল হবে না। তারা এখন যতই কৌশল করুক বিএনপিকে এখন হতাশাগ্রস্থ করা অসম্ভব।

 

 

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব যুগের চিন্তাকে বলেন, দেশের বিচার ব্যবস্থাটা আজকে কোন অবস্থায় চলে গেছে কোন লজিকে এটা হয় আমি বুঝে উঠতে পারছি না। একটি মামলা হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছে ১৪ জন হাজিরা দিতে গিয়েছে তাদের কাছ থেকে বেঁছে ৫ জনের জামিন না মঞ্জুর করা হয়েছে আর মনে হয় এটা একটি দ্বারা চালু করা হয়েছে।

 

 

আর দেশ কিভাবে এখন পরিচালিত হচ্ছে কোন নিয়মমালা আছে কিনা এটা আমি বলতে পারছি না। আর যখন বিনা ভোটে সরকার নির্বাচিত হয় রাতের আধারের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতায় আসে তখন এ ধরনের অনিয়মগুলো দেখা দেয়। আর বিএনপির নেতাকর্মীরা ১৪ বছর যাবৎ নানা নির্যাতন সহ্য করে আসছে এখন তাদের কোন কষ্টকে কষ্ট মনে হয় না আর হতাশা তো দূরের কথা।

 

 

আর আমাদের তারেক রহমান সাহেব সকল সময় সকল নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর রাখছেন। আর তার নির্দেশে আমাদের দলীয় যে আইনজীবী রয়েছে তারা সব সময় সবার খোঁজ খবর নিচ্ছে আর আমাদের দলের সকল নেতাকর্মী ও সকল নেতাকর্মীদের সাথে খোঁজ খবর রাখছ্ েআমরা সকলেই ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে কাজ করছি যার কারণে সকল নেতাকর্মী উৎফুল্ল।


 

মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এইচ মামুন যুগের চিন্তাকে বলেন, আমাদের সকল নেতাকর্মীরা এখন বুঝতে পারছে দেশের সাধারন জনগণ কি চায় এবং এ সরকারের পতন যে অনিবার্য এটা দেশের নেতাকর্মী উপলদ্ধি করতে পারছে এর কারণে তারা বিগত দিন থেকে আরো উজ্জ্বীবিত তারা এখন জেল, জুলুম, গ্রেফতারি পরোয়ানা কিছুই তারা পরোয়ানা করছে।

 

 

আর কিছুদিন আমাদের দলের মহা সচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব বলেছিলেন, আমরা শান্তির্পূণ আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটাবো আমরা ও তার সাথে ঐক্যমত আর এটাই আমরা বিশ্বাস করি। আর তারেক রহমান যে দিক নির্দেশনা আমাদের দিচ্ছে এটা সঠিক এটা গ্রাম থেকে গ্রাম অঞ্চল পর্যন্ত নেতাকর্মীরা অনেকটাই উজ্জ্বীবিত।

 

 

আর আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণের অহংকার তারেক রহমান তিনি সদা সর্বদা এই দল ও দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে চিন্তা করেন এবং সকলের খোঁজ খবর নেন। যার কারণে নেতাকর্মী আরো উৎফুল্ল হয়ে মাঠে সকল বাধাকে উপেক্ষা করছে। আর সকল কর্মসূচিতে সফল হয়েই বাড়ি ফিরছে।  এন.এইচ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন