সোনারগাঁ থানা আওয়ামী লীগে আবারও ব্যর্থ কালাম
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৩, ০১:৫৪ পিএম
সোনারগাঁয়ের রহস্যে ঘেরা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে আবারও সোনারগাঁয়ের সেই বিতর্কিত নেতা মাহফুজুর রহমান কালামের তর্জন গর্জন দেখা দিচ্ছে। আওয়ামীলীগ থেকে শোকজ হওয়ার পর সোনারগাঁয়ের আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে অনেকটা চুপসে গিয়েছিল কালাম।
তবে আওয়ামী লীগ থেকে তার উপর যে শাস্তি আরোপ করা হয়েছিল সেখান থেকে ক্ষমা পেয়ে আবার সোনারগাঁ থানা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আবারও একটি ফ্যাক্ট হতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কালাম। যেটা সোনারগাঁয়ে ওবায়দুল কাদেরের আগমনের দিন লক্ষ্য করা গিয়েছে।
সোনারগাঁয়ের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনে ঝিমিয়ে পড়া কালামের রাজনীতিতে জাগ্রত করতে কালাম বলয়ের নেতারা বরাবরই ওবায়দুল কাদের সামনে সামনে কালাম কালাম ভাই বলে স্লোগান দিয়ে কালামকে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে একটি ফ্যাক্ট হিসেবে জাহির করতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু পাল্টাপাল্টি স্লোগান বরাবরই কালাম ভাই কালাম ভাই স্লোগানে ঘটছে উল্টো বিপত্তি। তখন ওবায়দুল কাদের উল্টো বিরক্ত হয়ে বলে উঠেন কালাম কালাম ভাই বক্তব্য দিয়ে কি হবে। এতে কালামসহ কালাম পন্থীরা এক প্রকার লজ্জায় পড়ে যান।
সূত্র বলছে, সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে কখনো টালমাটাল কখনো উত্তপ্ত করে থানা আওয়ামীলীগে রাজনীতিতে বহু বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হোতা কালাম। কিন্তু সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে আবারও বিঁষফোড়া হয়ে উঠছেন একের পর এক সমালোচনা মূলক কর্মকান্ড করে।
কারণ সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন সময়ে একের পর বিতর্কিত কর্মকান্ড করে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের চেইন অফ কমান্ড ভেঙ্গে ফেলেন। একের পর এক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সোনারগাঁ থানা আওয়ামী রাজনীতিতে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে উঠেন কালাম।
যার কারণে সোনারগাঁয়ের উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থীর বিরোধীতে করে বরাবর পার পেয়ে গেলেও ২০১৯ সালের সোনারগাঁয়ের উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে আওয়ালীগের প্রার্থীর বিরোধীতা করে দল থেকে শোকজ করা হয়।
এরপর থেকেই সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগে কালামের তর্জন গর্জনের রাজনীতির বিদায় ঘন্টা বেজে উঠে। পরবর্তীতে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের কমিটি গঠন করা হলেও তাকে স্থান দেয়া হয়নি। পরবর্তীতে ওই কমিটির বিরোধীতা করা সোনারগাঁয়ের সাবেক সাংসদ কায়সারের সাথে দাঁ কুমরার সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে একত্রিত ভাবে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের সে কমিটির বিরোধীতা করেন।
পরবর্তীতে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের কমিটি পূর্ণগঠন করা হলেও ঠাই হয়নি কালামের। সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের সম্মেলনেও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েও জায়গা হয়নি কালামের। তবে বেশ কিছুদিন আগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে তার উপর যে শাস্তি আরোপ করা হয়েছিল সেখান থেকে তাকে ক্ষমা করা হয়েছে।
এরপর থেকে আবারও সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে দাবড়িয়ে উঠতে চাচ্ছেন। যেটা সাম্প্রতিক সময়ে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগের আয়োজিত ইউনিয়ন কর্মী সম্মেলনগুলো নানা রকম গরম বক্তব্য দিয়ে সোনারগাঁয়ের রাজনীতিকে উত্তপ্ত করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
কারণ সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগে নিজেকে একটি ফ্যাক্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নানা রকম কৌশল অবম্বন করছেন কালাম। তবে এসব কুটকৌশল করতে গিয়ে কালামের প্রেসক্রিপশনে তার কর্মীরা আবারও নানা রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন।
যেটা লক্ষ্য করা গিয়েছে সোনারগাঁয়ের লোক কারুশিল্প মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে লক্ষ্য করে কালামের কর্মীরা বরাবরই কলাম ভাই কালাম ভাই স্লোগান দিতে থাকে। এতে ওবায়দুল কাদের বিরক্ত হয়ে বলেন কালাম ভাই কালাম ভাই স্লোগান দিয়ে কি হবে।
এতে করে সোনারগাঁ আওয়ামীলীগে আবারও নতুন ভাবে আবারও ফ্যাক্ট হতে চাওয়া কালাম এবং তার কর্মীরা এক প্রকার লজ্জায় পড়ে যান। কারণ কালামের সাথে এক সময় ওবায়দুল কাদেরের সুসম্পর্ক ছিল।
যার কারণে ওবায়দুল কাদেরের আগমনে কালামের কর্মী উচ্ছাশীত ছিল। এতে করে সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগে আবারও নতুন করে আবারও ফ্যাক্ট হতে গিয়ে ব্যর্থ হলেন কালাম। এন.এইচ/জেসি


