# সিটি নির্বাচনের এক বছরে ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের কমিটি গঠন হয়নি
# দুইমাসের মধ্যে অঙ্গসংগঠনগুলো সতেজ করার দাবি বিএনপির
চলতি বছরে নানা আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে মাঠে সক্রীয় হতে ব্যস্ত সময় পার করছে বিএনপি। কিন্তু অঙ্গসংগঠনগুলোর কমিটি না থাকার কারণে দলে দেখা যাচ্ছে হালকা বিশৃঙ্খলা। অপর দিকে ২০২৩ সাল রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকটাই গুরুত্বর্পূণ একটি বছর। সেদিকে খেয়াল রেখেই বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা এখন অঙ্গসংগঠনগুলো নিয়ে ভাবছে এবংতারা দাবি ও জানিয়েছে এপ্রিল মাসের মধ্যেই দলের সকল অঙ্গসংগঠনের কমিটি হয়ে যাবে। কারণ চলতি বছর জুড়েই বিএনপি রাজপথে নানা আন্দোলন সংগ্রাম করে যাবে। আর এই আন্দোলন সংগ্রামে সকল অসংগঠন অনেকটাই জরুরী একটি অংশ। অপর দিকে সিটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে 'ওলটপালট’ হয়ে গেছে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের রাজনীতি।
দলীয় সিদ্ধান্ত লঙ্ঘন করে নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে এদিকে দলীয় মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর পক্ষে সঠিকভাবে কাজ না করায় কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগের মহানগর কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। কিন্তু এক বছরে হয়ে গেলে ও এই কমিটিগুলোর আর আভাস পাওয়া যাচ্ছে না। অপর দিকে চলতি বছর নির্বাচনের বছর এই বছরেই রাজনৈতিক অঙ্গনের সকল দল নিজেদের শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে রাজপথে রয়েছে। কিন্তু এখনো অঙ্গসংগঠনের কমিটি নিয়ে ভাবছে না দলের নেতৃবৃন্দরা।
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৪ বছর যাবৎ ক্ষমতার বাহিরে অবস্থান করার কারণে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি অনেকটাই পিছিয়ে পরেছিলেন। কিন্তু গত বছর সরকারের বিরুদ্ধে নানা আন্দোলণ সংগ্রাম নিয়ে রাজপথে সক্রীয় হয়। এবং দফায় দফায় নানা দলীয় ব্যাপক কর্মসূচি পালন করেন। যার কারণে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দলকে আরো শক্তিশালী ও নতুন রূপে রাজপথে যেন বিএনপি ব্যাপক সক্রীয় হয় তাই শক্তিশালী নেতৃত্ব দ্বারা কমিটি দেওয়া শুরু করেন। তারই প্রেক্ষিতে (১৩ সেপ্টেম্বর) এড.সাখাওয়াত হোসেন খানকে আহ্বায়ক ও এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে সদস্য সচিব করে মহানগর বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
তার পর পরই (১৫ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দিনকে আহ্বায়ক ও গোলাম ফারুক খোকনকে সদস্য সচিব করে জেলা বিএনপির ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। ২০২২ সালের (০৪ জুলাই) এস এম আসলামকে আহ্বায়ক ও মো. ফারুক হোসেনকে সদস্য সচিব করে মহানগর শ্রমিক দলের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সর্বশেষ চলতি বছরের (১২ জানুয়ারী) ডা. শাহীন মিয়াকে আহ্বায়ক এবং মো. কায়সার রিফাতকে সদস্য সচিব করে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষকদলের দুই সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
এছাড়া দলের বেশ কিছু অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো শূণ্য অবস্থায় পরে রয়েছে। এবং সেই শূণ্যস্থান পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই দলের তুখোর নেতাকর্মীরা জোরদার লবিং ও দৌড়ঝাঁপ করছে। অপর দিকে চলতি বছর রাজনৈতিক অঙ্গনে চূড়ান্ত আন্দোলন সংগ্রামের বছর। আর অঙ্গসংগঠনগুলোর পদ শূণ্য থাকার কারণে যারা স্থান পেতে উঠে পড়ে লেগেছে তাদের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে দ্বন্দ্ব। কেউ কেউর কথা শুনছে না সবাই সবাইকে নেতা ভাবছে যার কারণে দলে সৃষ্টি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা। যার কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি শিগ্রই দলের শূণ্যস্থানগুলো পূরণ করা অতন্ত জরুরী। ইতিমধ্যে শূণ্যস্থান পদগুলো হলো-
যুবদল:
২০২২ সালের ১৬ মার্চ মাসে জেলা যুবদলের তিন সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয় কমিটিতে আহ্বায়ক পদে গোলাম ফারুক খোকন, সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ভিপি কবির হোসেন কমিটি গঠনের পর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে মাঠে সংক্রীয়তা দেখা গেলে ও দেখা যায়নি ভিপি কবিরকে। অপর দিকে জেলা যুবদলের আহ্বায়কের পদ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব পদে যাওয়ার কারণে আবার ও জেলা যুবদলের রদ-বদলের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ২০২১ সালের ১৬ নভেম্বর মাসে মমতাজউদ্দীন মন্তুকে আহ্বায়ক এবং মনিরুল ইসলাম সজলকে সদস্য সচিব করে ০৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু মহানগর যুবদলের বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নানা অভিযোগের কারণে মহানগর যুবদলের কমিটি রদ-বদল হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যে শূর্ন স্থান পাওয়ার জন্য যোগ্য নেতাকর্মীরা দৌড়ঝাঁপ করছে।
স্বেচ্ছাসেবক দল:
২০১৮ সালের (২৬ জুন) নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের (৫ অক্টোবর) ১৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘদিন এভাবে চলার পর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি মেয়াদউত্তীর্ণ অবস্থায় পরে থাকে। ২০১৮ সালের (৬ জুন) আবুল কাউসার আশাকে আহ্বায়ক ও সাখাওয়াত ইসলাম রানাকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের (৮ আগস্ট) স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটি ১৬১ জন সদস্য বিশিষ্ট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এখন এই মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি ও মেয়াদউত্তীর্ণ অবস্থায় পরে রয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল নেতৃত্ব সংকটে।
ছাত্রদল:
২০১৮ সালের ৫ জুন জেলা ছাত্রদলের মশিউর রহমান রনিকে আহ্বায়ক ও খাইরুল ইসলাম সজিবকে সদস্য সচিব করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ৩০ মার্চ আরিফুর রহমান মানিককে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও খাইরুল ইসলাম সজিবকে সাধারন সম্পাদক করে জেলা ছাত্রদলের ৫৯২ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৫ জুন মহানগর ছাত্রদলে শাহেদ আহম্মেদকে সভাপতি ও মমিনুর রহমান বাবুকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। র্দীঘদিন মাঠে ব্যাপক ভূমিকা পালনের পরে কমিমি মেয়াদউত্তীর্ণ হয়ে পরে যার কারনে কেন্দ্র গত বছরের ১৫ নভেম্বর জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে। ইতিমধ্যে শূণ্যস্থান পাওয়ার জন্য যোগ্য নেতাকর্মীরা দৌড়ঝাঁপ করছে।
মহানগর কৃষকদল:
২০২৩ সালের ১৪ জানুয়ারী নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষক দলের দীর্ঘদিন মেয়াদোত্তীর্ণ থাকা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দুই যুগ পর গতবছরের ২৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। সেই সম্মেলনকে ঘিরে শহরে নানা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কিন্তু অবশেষে কোন রদ-বদলের দেখা মিলে না আব্দুল হাই সভাপতি ও আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল সাধারণ সম্পাদক বহাল করা হয়। আর ২৫ অক্টোবর মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলে ও তা স্থগিত করা হয়। যার কারণে এই মেয়াদউত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই চলতে হচ্ছে মহানগর আওয়ামী লীগকে।গত বছরের ২৯ নভেম্বর শাহ জামাল খোকনকে আহ্বায়ক ও মো. আবু সুফিয়ানকে সদস্য সচিব করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষক লীগের ৩০ সদস্য বিশিষ্ঠ আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া দলের বেশ কিছু অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো শূণ্য অবস্থায় পরে রয়েছে। এবং সেই শূণ্যস্থান পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই দলের তুখোর নেতাকর্মীরা জোরদার লবিং ও দৌড়ঝাঁপ করছে। অপর দিকে চলতি বছর রাজনৈতিক অঙ্গনে চূড়ান্ত আন্দোলন সংগ্রামের বছর। আর অঙ্গসংগঠনগুলোর পদ শূণ্য থাকার কারণে যারা স্থান পেতে উঠে পড়ে লেগেছে তাদের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে দ্বন্দ্ব। অপর দিকে বিএনপির সকল কমিটিই এখন রদ-বদলের মাধ্যমে গড়া হচ্ছে যার কারণে তারা মাঠে ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারছে। আর আওয়ামীলীগের মধ্যে কোন রদ-বদলের দেখা মিলছে না। যার কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি তাই তারা এখনো মাঠে ব্যাপক পালন করতে পারছে না। আর অঙ্গসংগঠনের শূণ্যস্থানগুলো শিগ্রই রদ-বদলের মাধ্যমে করা অতন্ত জরুরী। ইতিমধ্যে শূণ্যস্থান পদগুলো হলো-
যুবলীগ:
২০০৫ সালে আব্দুল কাদির সভাপতি ও আবু হাসনাত মোহম্মদ শহিদ বাদলকে সাধারন সম্পাদক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। তার পর দীর্ঘ এক যুগ পেরিয়ে গেলো আবার সাধারন সম্পাদক শহিদ বাদল ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের পদে চলে গেল। এখন পর্যন্ত জেলা যুবলীগের কমিটি গঠন হলো না। অপর দিকে ২০১১ সালে নারায়য়ণগঞ্জ সিটি সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হলে ও শহর কমিটি থেকে মহানগর যুবলীগের কমিটি গঠন করা হয়নি। বলা হয়েচিল গত বছরের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামী আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর পর নতুন কমিটি দেওয়া হবে কিন্তু এখনও তা আর দেখতে পায়নি যুবলীগে আসতে চাওয়া পদ প্রত্যাশীরা।
স্বেচ্ছাসেবকলীগ:
২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং এর অন্তর্গত সদর থানা, ফতুল্লা থানা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, বন্দর থানা, রূপগঞ্জ থানা, সোনারগাঁ থানা কমিটি ও মহানগরের অন্তর্গত ২৭টি ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এক বছরে ও নতুন কমিটি আর হয়ে উঠেনি যার কারণে নেতাকর্মীরা শূণ্যস্থানে আসার জন্য ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ করছে।
ছাত্রলীগ:
২০১৯ সালের ২৮ জুলাই জেলা ছাত্রলীগে আজিজকে সভাপতি ও রাফেলকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৮৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। অপর দিকে ২০১৮ সালে রিয়াদকে সভাপতি ও বিন্দুকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৬১ বিশিষ্ট মহানগর ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে সিটি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া প্রার্থীও পিছনে কাজ না করার কারণে ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে এ বছর যাবৎ কমিটিবিহীন ছাত্রলীগ। ইতিমধ্যে নতুন কমিটি হওয়ার কোন আভাস নেই।
শ্রমিকলীগ:
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে ২০২২ সালের (১৭ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ মহানগর শ্রমিক লীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এটা ও এ বছরের মধ্যে নতুন কমিটির আভাস পাওয়া যায়নি। ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রয়ারি জেলা শ্রমিকলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। কিন্তু কমিটির শূর্ন পদের স্থান পেতে ইতিমধ্যেই অনেকে দৌড়ঝাঁপ করছে।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শহিদ বাদল যুগের চিন্তাকে বলেন, আমরা ইতিমধ্যে আমাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নতুন কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রে আলাপ আলোচনা করেছি। তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছে শিগ্রই সকল অঙ্গসংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক খোকন সাহা যুগের চিন্তাকে বলেন, অঙ্গসংগঠনের বিলুপ্ত বা মেয়াদর্ত্তীণ কমিটিগুলো কবে নাগাদ হতে পারে। এ বিষয়ে আপনারা কিছু জানেন নাকি তিনি বলেন, নানা এখন পর্যন্ত আমরা কোন উদ্যোগ নেয়নি।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন যুগের চিন্তাকে বলেন, আমরা এই বছরের মধ্যেই আমাদের সকল অঙ্গ সংগঠনের কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রে বলেছি তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছে বেশি হলে দুই মাসের মধ্যে আমাদের কমিটি গঠন হবে।
এস.এ/জেসি


